Dhaka ০৯:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
শাজাহানপুর উপজেলা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা ধামইরহাটে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন ধুনটে নানা আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন পলাশবাড়ীতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত শিক্ষা ও গবেষণায় বর্তমান অর্থ বছরে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে – অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রী কাউনিয়ায় আগুনে পুড়ে ছাই বসতঘর, নিঃস্ব ৩ পরিবার তারেক রহমানকে ট্রাম্পের চিঠি,সাক্ষাতের অপেক্ষায় আছি সীতাকুণ্ডে বিএনপি ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আসলাম চৌধুরী – বিএনপি বাংলাদেশী ভাবধারার ধারক বাহক তিস্তায় টাস্কফোর্সের বড় ধাক্কা: ধ্বংস ১৬ নৌকা ও ৪ ইঞ্জিন, অসাধু সিন্ডিকেটে আতঙ্ক

তিস্তায় টাস্কফোর্সের বড় ধাক্কা: ধ্বংস ১৬ নৌকা ও ৪ ইঞ্জিন, অসাধু সিন্ডিকেটে আতঙ্ক

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:৫০:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২১ সময় দেখুন

আরিফ ইসলাম আলাল,ডিমলা উপজেলা প্রতিনিধি: নদীতে অবৈধভাবে গভীর খাদ তৈরি, স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা এবং তীরভাঙনের ঝুঁকিতে দিশেহারা তিস্তাপাড়ের জনপদ রক্ষায় অবশেষে কঠোর অবস্থানে নেমেছে প্রশাসন। নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে যৌথ টাস্কফোর্সের এক অভিযানে ১৬টি নৌকা এবং ৪টি মেশিন-ইঞ্জিন ধ্বংস করা হয়েছে। ​মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ৪৫ মিনিট থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত তিস্তা নদীর বিভিন্ন সংবেদনশীল পয়েন্টে টানা অভিযান চালিয়ে এসব সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়। ​অভিযানের নেতৃত্ব দেন ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: ইমরানুজ্জামান, রংপুর বিজিবির মেজর জুলকার নাঈন এবং ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী সরকার। অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়লে অবৈধ পাথর উত্তোলনকারী ও সিন্ডিকেটের সদস্যরা পালিয়ে যায়। পরে নদী থেকে সরঞ্জামগুলো শনাক্ত করে ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করে টাস্কফোর্স।

আরও পড়ুনঃ  কালিয়াকৈরে যুবদল নেতৃবৃন্দের করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা

 

​উল্লেখ্য, এর আগে তিস্তা নদীতে অবাধে পাথর উত্তোলন, নদীর গতিপথ পরিবর্তন ও নদীভাঙনের আশঙ্কা নিয়ে নয়া দিগন্তে ‘তিস্তার পেটে মরণযন্ত্র : অবাধ লুটে গতিপথ বদল, সিন্ডিকেটের তাণ্ডবে ধসে পড়ছে বাঁধ ও জনপদ’ শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর তোলপাড় শুরু হয় এবং প্রশাসন দ্রুত এ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দেয়। অভিযান শেষে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: ইমরানুজ্জামান বলেন, “তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধে কঠোর মনোভাব নিয়ে টাস্কফোর্স মাঠে নেমেছে। পাথর উত্তোলনে সরাসরি জড়িত ও পেছনের মদদদাতাদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। দ্রুত তদন্তের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। নদী রক্ষায় এটি কোনো সাময়িক পদক্ষপ নয়; টাস্কফোর্সের এই নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুনঃ  দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার পাইথল ইউনিয়নে সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে চাউল কম দেওয়ার অভিযোগ 

 

​স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে শক্তিশালী সিন্ডিকেটের ছত্রছায়ায় ইঞ্জিনচালিত নৌকা ও ভারী যন্ত্র বসিয়ে নদী থেকে পাথর উত্তোলন করা হচ্ছিল। ফলে নদীর তলদেশে বিপজ্জনক খাদ তৈরি হয়ে গতিপথ বদলে যাচ্ছিল এবং বাঁধ সহ তীরবর্তী লোকালয় ধসে পড়ার তীব্র ঝুঁকি দেখা দিয়েছিল।
​প্রশাসনের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও স্থায়ী সমাধানের তাগিদ দিয়েছেন তিস্তাপাড়ের বাসিন্দারা। তারা জানান, কেবল সরঞ্জাম ধ্বংস করলেই চলবে না; এর নেপথ্যে থাকা মূল কারিগর ও সিন্ডিকেট প্রধানদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ধামরাই খাদ্য গোডাউন পরিদর্শনে খাদ্যমন্ত্রী
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

শাজাহানপুর উপজেলা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা

তিস্তায় টাস্কফোর্সের বড় ধাক্কা: ধ্বংস ১৬ নৌকা ও ৪ ইঞ্জিন, অসাধু সিন্ডিকেটে আতঙ্ক

আপডেটের সময়: ০৬:৫০:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আরিফ ইসলাম আলাল,ডিমলা উপজেলা প্রতিনিধি: নদীতে অবৈধভাবে গভীর খাদ তৈরি, স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা এবং তীরভাঙনের ঝুঁকিতে দিশেহারা তিস্তাপাড়ের জনপদ রক্ষায় অবশেষে কঠোর অবস্থানে নেমেছে প্রশাসন। নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে যৌথ টাস্কফোর্সের এক অভিযানে ১৬টি নৌকা এবং ৪টি মেশিন-ইঞ্জিন ধ্বংস করা হয়েছে। ​মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ৪৫ মিনিট থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত তিস্তা নদীর বিভিন্ন সংবেদনশীল পয়েন্টে টানা অভিযান চালিয়ে এসব সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়। ​অভিযানের নেতৃত্ব দেন ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: ইমরানুজ্জামান, রংপুর বিজিবির মেজর জুলকার নাঈন এবং ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী সরকার। অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়লে অবৈধ পাথর উত্তোলনকারী ও সিন্ডিকেটের সদস্যরা পালিয়ে যায়। পরে নদী থেকে সরঞ্জামগুলো শনাক্ত করে ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করে টাস্কফোর্স।

আরও পড়ুনঃ  কালিয়াকৈরে যুবদল নেতৃবৃন্দের করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা

 

​উল্লেখ্য, এর আগে তিস্তা নদীতে অবাধে পাথর উত্তোলন, নদীর গতিপথ পরিবর্তন ও নদীভাঙনের আশঙ্কা নিয়ে নয়া দিগন্তে ‘তিস্তার পেটে মরণযন্ত্র : অবাধ লুটে গতিপথ বদল, সিন্ডিকেটের তাণ্ডবে ধসে পড়ছে বাঁধ ও জনপদ’ শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর তোলপাড় শুরু হয় এবং প্রশাসন দ্রুত এ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দেয়। অভিযান শেষে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: ইমরানুজ্জামান বলেন, “তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধে কঠোর মনোভাব নিয়ে টাস্কফোর্স মাঠে নেমেছে। পাথর উত্তোলনে সরাসরি জড়িত ও পেছনের মদদদাতাদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। দ্রুত তদন্তের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। নদী রক্ষায় এটি কোনো সাময়িক পদক্ষপ নয়; টাস্কফোর্সের এই নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুনঃ  বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

 

​স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে শক্তিশালী সিন্ডিকেটের ছত্রছায়ায় ইঞ্জিনচালিত নৌকা ও ভারী যন্ত্র বসিয়ে নদী থেকে পাথর উত্তোলন করা হচ্ছিল। ফলে নদীর তলদেশে বিপজ্জনক খাদ তৈরি হয়ে গতিপথ বদলে যাচ্ছিল এবং বাঁধ সহ তীরবর্তী লোকালয় ধসে পড়ার তীব্র ঝুঁকি দেখা দিয়েছিল।
​প্রশাসনের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও স্থায়ী সমাধানের তাগিদ দিয়েছেন তিস্তাপাড়ের বাসিন্দারা। তারা জানান, কেবল সরঞ্জাম ধ্বংস করলেই চলবে না; এর নেপথ্যে থাকা মূল কারিগর ও সিন্ডিকেট প্রধানদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ধামরাই খাদ্য গোডাউন পরিদর্শনে খাদ্যমন্ত্রী