Dhaka ০৬:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলে দিশেহারা মোড়েলগঞ্জ-শরণখোলার গ্রাহকরা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ককটেল বিস্ফোরক মামলায়, আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার মৌলভীবাজারে নিখোঁজের পর নদীতে মিললো ৫ বছরের শিশুর মৃ’ত’দেহ স্বপ্নীল ব্রাইট ফাউন্ডেশনকে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনুদানের চেক হস্তান্তর যাত্রীবাহী বাসে অভিনব কায়দায় গাঁজা পাচার, কুমিল্লায় দুই নারী গ্রেপ্তার জাতীয় ভিটামিন এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনঃ বন্দর ইপিআই জোনের ৬ ওয়ার্ডে এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয় ডিমলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন গাজীপুরে বনভূমি দখল: বন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যোগসাজশ ও কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ রাজবাড়ী গোয়ালন্দে মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযানের সময় এসিল্যান্ডের ওপর হামলা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল শেখ গ্রেপ্তার প্রধান শিক্ষকের সীমাহীন দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতায় ধ্বংসের মুখে পিপলাকান্দি স্কুলের শিক্ষার পরিবেশ

ডিমলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

মোঃ রাব্বি রহমান নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি

“ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ান, শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমান”— এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নীলফামারীর ডিমলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
রবিবার (২৮ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইমরানুজ্জামান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রওশন কবির, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মীর হাসান আল বান্না, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক রইসুল আলম চৌধুরী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম রব্বানী প্রধান, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতা মিলানুজ্জামান (মিন্টু), ডা. রেজাউল করিম প্রামাণিকসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, এবারের ক্যাম্পেইনে উপজেলার ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী মোট ৩৯ হাজার ৫৭১ জন শিশুকে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন টিকাদান কেন্দ্রের পাশাপাশি নির্ধারিত অস্থায়ী কেন্দ্রগুলোতেও শিশুদের বয়সভেদে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লাল রঙের ক্যাপসুল প্রদান করা হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ রাশেদুজ্জামান বলেন, ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবজনিত রাতকানা রোগের প্রকোপ এক শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা এবং তা অব্যাহত রাখা এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য। পাশাপাশি শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অপুষ্টিজনিত মৃত্যুহার কমাতেও এই কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও জানান, প্রচার ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমে সহযোগিতা করছে এমসিজিএল-ল্যাম্ব।
স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষা এবং অপুষ্টিজনিত জটিলতা ও শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে অত্যন্ত কার্যকর। তাই নির্ধারিত বয়সী সকল শিশুকে এই ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ককটেল বিস্ফোরক মামলায়, আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলে দিশেহারা মোড়েলগঞ্জ-শরণখোলার গ্রাহকরা

ডিমলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

আপডেটের সময়: ০৩:৪২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

মোঃ রাব্বি রহমান নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি

“ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ান, শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমান”— এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নীলফামারীর ডিমলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
রবিবার (২৮ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইমরানুজ্জামান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রওশন কবির, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মীর হাসান আল বান্না, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক রইসুল আলম চৌধুরী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম রব্বানী প্রধান, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতা মিলানুজ্জামান (মিন্টু), ডা. রেজাউল করিম প্রামাণিকসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, এবারের ক্যাম্পেইনে উপজেলার ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী মোট ৩৯ হাজার ৫৭১ জন শিশুকে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন টিকাদান কেন্দ্রের পাশাপাশি নির্ধারিত অস্থায়ী কেন্দ্রগুলোতেও শিশুদের বয়সভেদে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লাল রঙের ক্যাপসুল প্রদান করা হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ রাশেদুজ্জামান বলেন, ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবজনিত রাতকানা রোগের প্রকোপ এক শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা এবং তা অব্যাহত রাখা এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য। পাশাপাশি শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অপুষ্টিজনিত মৃত্যুহার কমাতেও এই কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও জানান, প্রচার ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমে সহযোগিতা করছে এমসিজিএল-ল্যাম্ব।
স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষা এবং অপুষ্টিজনিত জটিলতা ও শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে অত্যন্ত কার্যকর। তাই নির্ধারিত বয়সী সকল শিশুকে এই ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  কাউনিয়ায় পার্টনার কংগ্রেস-২০২৬’ অনুষ্ঠিত