Dhaka ০৬:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
এনসিপি পুনর্গঠন, নতুন দায়িত্বে হাসনাত-সারজিস-আসিফ-পাটওয়ারী জনগণ আমাদের ভোট দিয়েছে, কিন্তু তা ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক হলেন ৬ নারী চট্টগ্রামে অংকুর বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত, অংশ নিল ২০ হাজার শিক্ষার্থী অপ্রতিম হত্যা মামলার চার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল ময়মনসিংহ মেডিকেলের অব্যবহৃত সিরিঞ্জ-ক্যানুলা ময়লার গুদামে, উঠছে নানা প্রশ্ন লালপুরে হ্যাকিং ও প্রতারক চক্রের সদস্য গ্রেফতার, মোবাইল উদ্ধার ঈশ্বরদীতে স্টপেজ পাবে ঢাকা-পাবনা ট্রেন, নির্মিত হবে নতুন হার্ডিঞ্জ ব্রিজ: রেল সচিব দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে শিক্ষিকা ডালিয়া আক্তারকে গলা কেটে হত্যা জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান নিয়ে বিরোধী দল ধোঁকাবাজি করেছে- প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি  ‎ ‎

জয়পুরহাটের গণধর্ষণ মামলার আসামি ঢাকা থেকে গ্রেফতার

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:০৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৬৩ সময় দেখুন

জয়পুরহাট প্রতিনিধি: জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকা এজাহার ভুক্ত ৩ নং আসামি মহিনকে ঢাকা উত্তরা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ।

জানা যায় গত ৩০ নভেম্বর অনুমানিক রাত ৮ টায় ক্ষেতলাল পৌরসভার ভাসিলা গ্রামে তিনজনের চুক্তি করে এক তরুণী সাতজন মিলে গণধর্ষণ করছে।

অভিযোগ সূত্রে আরো জানা যায়,ক্ষেতলাল উপজেলার মনঝার এলাকার গুচ্ছগ্রামের আবদুল মাজেদের স্ত্রী সোনিয়া বেগম(৩৫)কে শারীরিক সম্পর্কের উদ্দেশ্যে ভাসিলা গ্রামের লালচানের ছেলে ১নং এজাহার ভুক্ত আসামি সুৃমন(৩০) তিনজন সহযোগীকে ডেকে নেয়।চুক্তি অনুযায়ী কথা ছিলো তিন জনের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের।

আরও পড়ুনঃ  বান্দরবানে সাড়ে ৩ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা ও ঘুষ দাবির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

পরে খাবার আনার কথা বলে সুমন আরও চারজন সহযোগীকে নিয়ে আসে।এসময় সোনিয়া ও তার স্বামীর হাত মুখ বেঁধে জোরপূর্বক সাতজন মিলে গণধর্ষণ করে।ঘটনার পর সোনিয়া বেগম অসুস্থ হয়ে পড়েন।এবং পরদিন অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে অভিযুক্তরা অস্বীকৃতি জানায়।অবস্থার অবনতি হলে গত ১ ডিসেম্বর ভুক্তভোগী সোনিয়া বেগম ও তার স্বামী ক্ষেতলাল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

আরও পড়ুনঃ  রংপুরের ঐতিহাসিক রাধা গোবিন্দ ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

খবর পেয়ে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেন এবং ভুক্তভোগীকে পরিক্ষা নিরীক্ষা করার জন্য হাসপাতালে পাঠান।পরে সাতজনকে আসামি করে এজাহার গ্রহণ করে থানা পুলিশ।তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ভাসিলা গ্রামের বেলালের ছেলে ২নং এজাহার ভুক্ত আসামি জাফরুল(২৮) কে গ্রেফতার করে পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ  কারাবন্দি বিএনপি নেতার পরিবারের পাশে রাসিক প্রশাসক

এবং গত ১২ জানুয়ারী ১নং এজাহার ভুক্ত আসামি সুৃমনকে গ্রেফতার করে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ।

ক্ষেতলাল থানা তদন্ত ওসি এস এম কামাল জানান,দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকা ৩নং এজাহার ভুক্ত আসামি মহিনকে আমরা অভিযান চালিয়ে ঢাকা উওরা থেকে আমরা গ্রেফতার করেছি।আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মহিনকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

এনসিপি পুনর্গঠন, নতুন দায়িত্বে হাসনাত-সারজিস-আসিফ-পাটওয়ারী

জয়পুরহাটের গণধর্ষণ মামলার আসামি ঢাকা থেকে গ্রেফতার

আপডেটের সময়: ০৬:০৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

জয়পুরহাট প্রতিনিধি: জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকা এজাহার ভুক্ত ৩ নং আসামি মহিনকে ঢাকা উত্তরা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ।

জানা যায় গত ৩০ নভেম্বর অনুমানিক রাত ৮ টায় ক্ষেতলাল পৌরসভার ভাসিলা গ্রামে তিনজনের চুক্তি করে এক তরুণী সাতজন মিলে গণধর্ষণ করছে।

অভিযোগ সূত্রে আরো জানা যায়,ক্ষেতলাল উপজেলার মনঝার এলাকার গুচ্ছগ্রামের আবদুল মাজেদের স্ত্রী সোনিয়া বেগম(৩৫)কে শারীরিক সম্পর্কের উদ্দেশ্যে ভাসিলা গ্রামের লালচানের ছেলে ১নং এজাহার ভুক্ত আসামি সুৃমন(৩০) তিনজন সহযোগীকে ডেকে নেয়।চুক্তি অনুযায়ী কথা ছিলো তিন জনের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের।

আরও পড়ুনঃ  রংপুরের ঐতিহাসিক রাধা গোবিন্দ ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পরে খাবার আনার কথা বলে সুমন আরও চারজন সহযোগীকে নিয়ে আসে।এসময় সোনিয়া ও তার স্বামীর হাত মুখ বেঁধে জোরপূর্বক সাতজন মিলে গণধর্ষণ করে।ঘটনার পর সোনিয়া বেগম অসুস্থ হয়ে পড়েন।এবং পরদিন অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে অভিযুক্তরা অস্বীকৃতি জানায়।অবস্থার অবনতি হলে গত ১ ডিসেম্বর ভুক্তভোগী সোনিয়া বেগম ও তার স্বামী ক্ষেতলাল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

আরও পড়ুনঃ  কারাবন্দি বিএনপি নেতার পরিবারের পাশে রাসিক প্রশাসক

খবর পেয়ে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেন এবং ভুক্তভোগীকে পরিক্ষা নিরীক্ষা করার জন্য হাসপাতালে পাঠান।পরে সাতজনকে আসামি করে এজাহার গ্রহণ করে থানা পুলিশ।তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ভাসিলা গ্রামের বেলালের ছেলে ২নং এজাহার ভুক্ত আসামি জাফরুল(২৮) কে গ্রেফতার করে পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ  কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছেছে প্রথম ইউনিটের দ্বিতীয় দফার বাড়তি ইউরেনিয়াম।

এবং গত ১২ জানুয়ারী ১নং এজাহার ভুক্ত আসামি সুৃমনকে গ্রেফতার করে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ।

ক্ষেতলাল থানা তদন্ত ওসি এস এম কামাল জানান,দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকা ৩নং এজাহার ভুক্ত আসামি মহিনকে আমরা অভিযান চালিয়ে ঢাকা উওরা থেকে আমরা গ্রেফতার করেছি।আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মহিনকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।