Dhaka ০৮:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কাউনিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদযাপন স্বর্ণগ্রাম-দাড়িদহে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা, সেবা পেলেন সুবিধাবঞ্চিতরা ফ্যাসিস্টদের ফিরিয়ে এনে বিচার চায় জনগণ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উলিপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপি সালেহীর মতবিনিময় মিরপুরে ৫ কাঠা জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের বিরোধ, বড় ভাইয়ের সংবাদ সম্মেলন হিলিতে বিভিন্ন মামলায় ৯ আসামি গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ পবায় সড়কের বেহাল দশা: বায়া-হিমালয় কোল্ড স্টোরেজ রাস্তা এখন এক ‘মরণফাঁদ’ নাটোর লালপুরে পদ্মা নদীতে ডুবে শিশুর মৃত্যু মোবাইলের অতিরিক্ত আসক্তি নেশাজাত দ্রব্যের মতোই ক্ষতিকর : আইজিপি বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে মন্ত্রী আইসিইউতে: আসিফ

ঘুষ না দেওয়ায় ৯০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতের বিল আটকে রাখার অভিযোগ

আবদুল আজিজ সায়েম, কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বিভিন্ন খাতের বরাদ্দের বিল ছাড়ে অনিয়ম ও ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তা।

একাধিক প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক অভিযোগ করেন, উপজেলার প্রায় ৯০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কন্টিনজেন্সি বিল, বিদ্যুৎ বিল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বাবদ বরাদ্দ, বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদযাপনের ব্যয়, প্রাক্-প্রাথমিক শিক্ষার উপকরণ ক্রয়ের অর্থ এবং ক্রীড়া কার্যক্রমের বরাদ্দ—এসব বিল জুলাই মাসের ১২ তারিখ পেরিয়ে গেলেও এখনো ছাড় করা হয়নি। তাদের দাবি, ঘুষ না দেওয়ায় এসব বিল আটকে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  শরণখোলায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পতাকা উত্তোলন, বৃক্ষরোপণ ও পোনা অবমুক্তকরণ

অভিযোগে আরও বলা হয়, ‘অডিট খরচ’-এর কথা বলে বিল ছাড়ের ক্ষেত্রে অবৈধ অর্থ দাবি করা হচ্ছে। এ অর্থ সংগ্রহে কয়েকজন অসাধু প্রধান শিক্ষক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এতে উপজেলার অধিকাংশ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিক্ষা অফিস এবং কয়েকজন শিক্ষক নেতার কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।

আরও পড়ুনঃ  ৩২০ টাকার বিরোধে দুই পক্ষের মারামারি, গ্রাম্য বিচারের জের গড়াল আদালতে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফ-উল-আলম অভিযোগের সত্যতা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “অফিসে জনবল সংকটের কারণে বিল প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। আজই বিলগুলো ছাড় করে দেওয়া হবে। ঘুষ বা অবৈধ অর্থ দাবি করার অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই।”

আরও পড়ুনঃ  কোম্পানীগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদ্‌যাপন

তবে অভিযোগকারী শিক্ষকদের দাবি, বিল ছাড়ের পুরো প্রক্রিয়া নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

কাউনিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদযাপন

ঘুষ না দেওয়ায় ৯০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতের বিল আটকে রাখার অভিযোগ

আপডেটের সময়: ০৬:৪৯:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

আবদুল আজিজ সায়েম, কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বিভিন্ন খাতের বরাদ্দের বিল ছাড়ে অনিয়ম ও ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তা।

একাধিক প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক অভিযোগ করেন, উপজেলার প্রায় ৯০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কন্টিনজেন্সি বিল, বিদ্যুৎ বিল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বাবদ বরাদ্দ, বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদযাপনের ব্যয়, প্রাক্-প্রাথমিক শিক্ষার উপকরণ ক্রয়ের অর্থ এবং ক্রীড়া কার্যক্রমের বরাদ্দ—এসব বিল জুলাই মাসের ১২ তারিখ পেরিয়ে গেলেও এখনো ছাড় করা হয়নি। তাদের দাবি, ঘুষ না দেওয়ায় এসব বিল আটকে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  নিরাপত্তার আশ্বাস ও ৫ ছাত্রদল নেতা বহিষ্কারের পর শজিমেকে কর্মবিরতি প্রত্যাহার

অভিযোগে আরও বলা হয়, ‘অডিট খরচ’-এর কথা বলে বিল ছাড়ের ক্ষেত্রে অবৈধ অর্থ দাবি করা হচ্ছে। এ অর্থ সংগ্রহে কয়েকজন অসাধু প্রধান শিক্ষক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এতে উপজেলার অধিকাংশ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিক্ষা অফিস এবং কয়েকজন শিক্ষক নেতার কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।

আরও পড়ুনঃ  জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে পুকুরের কচুরিপানার নিচ থেকে ৮৮ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফ-উল-আলম অভিযোগের সত্যতা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “অফিসে জনবল সংকটের কারণে বিল প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। আজই বিলগুলো ছাড় করে দেওয়া হবে। ঘুষ বা অবৈধ অর্থ দাবি করার অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই।”

আরও পড়ুনঃ  ৩২০ টাকার বিরোধে দুই পক্ষের মারামারি, গ্রাম্য বিচারের জের গড়াল আদালতে।

তবে অভিযোগকারী শিক্ষকদের দাবি, বিল ছাড়ের পুরো প্রক্রিয়া নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।