
আহমেদ আক্তার রানা, প্রতিনিধি কুলাউড়া উপজেলা
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার টিলাগাঁও ইউনিয়নের বালিসিন্দ্রী গ্রামের সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে চরম দু/র্ভোগে পড়েছেন আমানিপুর, পাল্লাকান্দি, কাজিরগাঁও ও হাসামপুর। এসব গ্রামের মানুষ প্রতিদিন এই গ্রামের রাস্তা ব্যবহার করে যাতায়াত করেন।
এখানে একটি দাখিল মাদ্রাসা রয়েছে। এছাড়াও এই সব এলাকার শিক্ষার্থীরা পাল্লাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাল্লাকান্দি লংলা উচ্চ বিদ্যালয়, আলী আমজদ উচ্চ বিদ্যালয়, রবির বাজার ফাজিল মাদ্রাসা এবং লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজে যাতায়াতের জন্য এই সড়ক ব্যবহার করে।
সব মিলিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৪ থেকে ৫ হাজার মানুষের চলাচল এই রাস্তা দিয়ে হয়। এলাকাবাসী। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এ রাস্তাটি বর্ষা এলেই কাদা ও পানিতে একেবারে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে।
৯ জুলাই বৃহস্পতিবার স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো রাস্তা কাদাময় হয়ে যায়। সৃষ্টি হয় বড় বড় গর্ত ও জলাবদ্ধতা। এতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ, কৃষক, নারী ও বৃদ্ধদের প্রতিদিনই চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অনেক সময় পায়ে হেঁটে চলাচল করাও ঝুঁকিরাস্তা পূর্ণ হয়ে পড়ে। এলাকাবাসীর দাবি, বছরের পর বছর ধরে রাস্তাটির উন্নয়নের আশ্বাস মিললেও বাস্তবে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতি বর্ষা মৌসুমে একই দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে হচ্ছে গ্রামবাসীকে।
স্থানীয় বাসিন্দারা সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত রাস্তাটি পাকা করার দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষায়, “আমাদের একটাই দাবি—বালিসিন্দ্রী গ্রামের জন্য একটি টেকসই পাকা রাস্তা চাই।”
এ বিষয়ে টিলাগাঁও ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল বাসিদ এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জাতীয় দৈনিক আজকের জনবানী কে জানান ইউনিয়ন পরিষদ থেকে এই মুহূর্তে কোন বরাদ্দ নেই তবে ইউএনও অফিস থেকে আসলে উনি দূরত্ব কাজ করার ব্যবস্থা করে দিবেন ২ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মাসুদ আহমদ সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আপাতত এই রাস্তায় কাজ করার জন্য কোন বরাদ্দ নেই তবে রাস্তা চলাচলের উপযোগী করে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করছেন বলে জানান।
গ্রামবাসীর আশা, দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে তাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান হবে এবং নিরাপদ ও স্বাভাবিকভাবে চলাচল নিশ্চিত হবে।
প্রতিবেদকের নাম 


















