Dhaka ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
আত্মগোপনে থাকার পর ডিবির হাতে গ্রেপ্তার সাবেক মেয়র রাসেল ও বশির আহমেদ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঈশ্বরগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে চুরির মামলা ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ আটক ৮ নীলফামারীতে জুলাইয়ের চেতনায় ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান এনসিপির ফুলবাড়ীতে বিজিবির অভিযানে মাদক, মোটরসাইকেল ও সিরাপ জব্দ, আটক ১ মাগুরায় খেলার ফাঁকে পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল দুই চাচাতো বোনের কাজিপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এমপি সেলিম রেজা হাইদচকিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের প্রথম এডহক কমিটির সভা,বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত নাচোলে নানা আয়োজনে দূর্ণীতি প্রতিরোধ দিবস পালিত ঈশ্বরদীতে মাদক মামলায় এক ব্যাক্তির ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

২২ বছরেও সংস্কার হয়নি বালিঘোনা গুচ্ছগ্রাম, মানবেতর জীবনযাপন ভূমিহীনদের

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:৪৬:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৫৪ সময় দেখুন

মোঃ মুনির হোসেন ঝালকাঠিঃ ঝালকাঠীর গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বালিঘোনা এলাকার গুচ্ছগ্রাম (আবাসন) প্রকল্পের ঘরগুলো দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে আছে। ফলে সেখানে বসবাসরত ভূমিহীন ও হতদরিদ্র পরিবারগুলোকে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভূমিহীন ও আশ্রয়হীন মানুষের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ২০০৩-২০৪ সালের দিকে সরকার “গুচ্ছগ্রাম” প্রকল্প চালু করে, যা পরবর্তীতে আবাসন প্রকল্প নামে পরিচিতি পায়। সে সময় তৎকালীন চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন খন্দকারের উদ্যোগে ১ নম্বর গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বালিঘোনা গ্রামের একটি ব্রিকফিল্ড এলাকায় এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয় এবং অসহায় ভূমিহীন পরিবারগুলোর মাঝে ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়।
কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রায় ২২-২৩ বছর পেরিয়ে গেলেও এসব ঘরের কোনো সংস্কার করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে ঘরগুলো অত্যন্ত জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সেখানে বসবাসকারী অধিকাংশ পরিবারই দিনমজুর ও নিম্নআয়ের মানুষ হওয়ায় নিজেদের পক্ষে ঘর সংস্কার করা সম্ভব হচ্ছে না।

আরও পড়ুনঃ  তারাগঞ্জে ইউএনও ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সাথে ‘দৈনিক আজকের জনবাণী’র স্টাফ রিপোর্টারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

 

স্থানীয়রা জানান, বর্ষা মৌসুমে ঘরগুলোর ছাদ দিয়ে পানি পড়ে এবং অনেক সময় ঝড়-বৃষ্টির সময় তারা অন্যের রান্নাঘর বা ঘরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। এতে করে পরিবারগুলো চরম অনিশ্চয়তা ও কষ্টের মধ্যে জীবনযাপন করছে। এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, বিভিন্ন সময় ইউনিয়নে উন্নয়নমূলক বরাদ্দ এলেও গুচ্ছগ্রামের সংস্কারের বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে বছরের পর বছর ধরে একই দুরবস্থার মধ্যে বসবাস করছেন প্রকল্পের বাসিন্দারা। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দারা নির্বাচনের সময় অনেকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলেও নির্বাচনের পরে তাদের সমস্যাগুলো অনেকটাই উপেক্ষিত থেকে যায়। তাই আসন্ন বর্ষা মৌসুমের আগেই জরাজীর্ণ ঘরগুলো সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন তারা। এছাড়া সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও আগ্রহী প্রার্থীদেরও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এগিয়ে এসে গুচ্ছগ্রামের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, সম্মিলিত উদ্যোগে দ্রুত গুচ্ছগ্রামটি সংস্কার করা গেলে অসংখ্য অসহায় পরিবারের দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব হবে।

আরও পড়ুনঃ  ঘাটাইলের লক্ষিন্দর ইউনিয়নের বনভোজনে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মুখর মধুপুর জাতীয় উদ্যান
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

আত্মগোপনে থাকার পর ডিবির হাতে গ্রেপ্তার সাবেক মেয়র রাসেল ও বশির আহমেদ

২২ বছরেও সংস্কার হয়নি বালিঘোনা গুচ্ছগ্রাম, মানবেতর জীবনযাপন ভূমিহীনদের

আপডেটের সময়: ০৬:৪৬:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

মোঃ মুনির হোসেন ঝালকাঠিঃ ঝালকাঠীর গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বালিঘোনা এলাকার গুচ্ছগ্রাম (আবাসন) প্রকল্পের ঘরগুলো দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে আছে। ফলে সেখানে বসবাসরত ভূমিহীন ও হতদরিদ্র পরিবারগুলোকে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভূমিহীন ও আশ্রয়হীন মানুষের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ২০০৩-২০৪ সালের দিকে সরকার “গুচ্ছগ্রাম” প্রকল্প চালু করে, যা পরবর্তীতে আবাসন প্রকল্প নামে পরিচিতি পায়। সে সময় তৎকালীন চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন খন্দকারের উদ্যোগে ১ নম্বর গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বালিঘোনা গ্রামের একটি ব্রিকফিল্ড এলাকায় এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয় এবং অসহায় ভূমিহীন পরিবারগুলোর মাঝে ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়।
কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রায় ২২-২৩ বছর পেরিয়ে গেলেও এসব ঘরের কোনো সংস্কার করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে ঘরগুলো অত্যন্ত জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সেখানে বসবাসকারী অধিকাংশ পরিবারই দিনমজুর ও নিম্নআয়ের মানুষ হওয়ায় নিজেদের পক্ষে ঘর সংস্কার করা সম্ভব হচ্ছে না।

আরও পড়ুনঃ  পাহাড়ধস ও বন্যায় লণ্ডভণ্ড লামা,শুধু প্রাকৃতিক দুর্যোগ, নাকি দীর্ঘদিনের পরিবেশ ধ্বংসের মাশুল?

 

স্থানীয়রা জানান, বর্ষা মৌসুমে ঘরগুলোর ছাদ দিয়ে পানি পড়ে এবং অনেক সময় ঝড়-বৃষ্টির সময় তারা অন্যের রান্নাঘর বা ঘরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। এতে করে পরিবারগুলো চরম অনিশ্চয়তা ও কষ্টের মধ্যে জীবনযাপন করছে। এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, বিভিন্ন সময় ইউনিয়নে উন্নয়নমূলক বরাদ্দ এলেও গুচ্ছগ্রামের সংস্কারের বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে বছরের পর বছর ধরে একই দুরবস্থার মধ্যে বসবাস করছেন প্রকল্পের বাসিন্দারা। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দারা নির্বাচনের সময় অনেকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলেও নির্বাচনের পরে তাদের সমস্যাগুলো অনেকটাই উপেক্ষিত থেকে যায়। তাই আসন্ন বর্ষা মৌসুমের আগেই জরাজীর্ণ ঘরগুলো সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন তারা। এছাড়া সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও আগ্রহী প্রার্থীদেরও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এগিয়ে এসে গুচ্ছগ্রামের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, সম্মিলিত উদ্যোগে দ্রুত গুচ্ছগ্রামটি সংস্কার করা গেলে অসংখ্য অসহায় পরিবারের দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব হবে।

আরও পড়ুনঃ  ঘাটাইলের লক্ষিন্দর ইউনিয়নের বনভোজনে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মুখর মধুপুর জাতীয় উদ্যান