Dhaka ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
তোড়িয়া বারোঘাটিতে নসিমন (ভটভটি) ধাক্কায় মৃত্যু ধুনটে ব্রাদার উইলিয়ামের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত শার্শায় পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ দক্ষিণ গফরগাঁও কান্দিপাড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ভৈরবে আকবরনগর-মিরারচর সংঘর্ষ বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলার তদন্ত পিবিআই’র হাতে ভাঙ্গুড়ায় পারিবারিক বিরোধের জেরে মারামারি, আহত ২ ধামরাইয়ে মসজিদের ইমামদের সড়ক নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ ধুনটে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত উলিপুরে অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে ১ লাখ টাকা জরিমানা কাউনিয়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

হাতিরঝিলে এলে বুক ভরে নিশ্বাস নেওয়া যায়’

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পরিবার পরিজন ও বন্ধু-বান্ধব নিয়ে হাতিরঝিলের বিভিন্ন অংশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন দর্শনার্থীরা। অধিকাংশ অভিভাবকই সঙ্গে শিশু-কিশোরদের নিয়ে এসেছেন। ঝিলের পাড়ে ছোটরা দৌড়ঝাঁপ আর খেলাধুলায় মেতে উঠেছে, আর বড়রা সময় কাটাচ্ছেন গল্প-আড্ডায়। ঝিলের মনোরম পরিবেশ ও নির্মল বাতাস উপভোগ করে মুগ্ধতা প্রকাশ করছেন সবাই। হাতিরঝিল সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ঈদ উপলক্ষে ঝিলের চারপাশে বসার জায়গা ও হাঁটার পথগুলোতে সারাদিনই মানুষের ভিড় করছেন। আজ সোমবারসকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসছেন নিভিন্ন বয়সী মানুষ। সব মিলিয়ে ঈদের ছুটিতে ঢাকাবাসীর কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় বিনোদনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে হাতিরঝিল। নগরবাসীর আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মুখর এই এলাকা এখন যেন এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় রূপ নিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  পদ্মা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মাছ

এদিকে দর্শনার্থীদের অনেকে জানান, ব্যস্তনগর জীবনে এমন খোলামেলা পরিবেশে কিছুটা সময় কাটানোর সুযোগ খুব কমই পাওয়া যায়। তাই ঈদের ছুটি কাজে লাগিয়ে পরিবার নিয়ে এখানে আসা বিশেষ আনন্দের। নতুন বাজার থেকে সপরিবারে হাতিরঝিলে ঘুরতে এসেছেন হাসান আহমেদ। সঙ্গে তার স্কুলপড়ুয়া ছেলে ও স্ত্রীকে। নতুন বাজার থেকে রিকশায় প্রথমে গুলশান বাড্ডা লিংক রোডের ওয়াটার টেক্সি ঘাটে যান তারা। সেখান থেকে টিকিট কেটে এফডিসি ঘাট হয়ে আবার পুলিশ প্লাজার সামনে নামেন।
হাসান আহমেদ বলেন, তিনি পেশায় অটোরিকশাচালক। ঈদের দিন ও পরদিন গতকাল (২২ মার্চ) রিকশা চালিয়েছেন। তবে ছেলে আবদার করেছে, তাকে ঘুরতে নিয়ে যেতে হবে। তাই আজ স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বের হয়েছি। পরিবারকে সময় দিতে পেরে ভালো লাগছে।

আরও পড়ুনঃ  বিলুপ্তির পথে ঈশ্বরদীর ঐতিহ্যবাহী কাঠের চাকা শিল্প

দক্ষিণ বনশ্রী থেকে হাতিরঝিলের রামপুরা সেতু এলাকায় ঘুরছেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরজীবী আব্দুস ছামাদ ও ইকবাল হোসেন। তাদের দুজনের বাড়িই গোপালগঞ্জে। ঈদের ছুটি কাটিয়ে আজ সকালে তারা ঢাকা ফিরেছেন। আগামীকাল মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) থেকে অফিস শুরু হবে। আব্দুস ছামাদ বলেন, দক্ষিণ বনশ্রী থেকে নিয়মিত হাতিরঝিল চক্রাকার বাস দিয়ে কারওয়ান বাজার গিয়ে অফিস করেন। কিন্তু সময়ের অভাবে ঝিলপাড়ে তেমন ঘুরতে বের হতে পারি না। আজ যেহেতু সকাল সকাল বাড়ি থেকে ঢাকায় আসছি, তাই ভাবলাম ঝিলে ঘুরতে যাই। শান্তিনগর থেকে হাতিরঝিলে ঘুরতে আসছেন সাইফুল আলম। সঙ্গে স্ত্রী ও দুই স্কুলপড়ুয়া ছেলে। সাইফুল আলম বলেন, ঈদে সাধারণত যে কোনো বিনোদনকেন্দ্রে মানুষের প্রচুর ভিড় থাকে। কিন্তু হাতিরঝিলে ভিড় থাকলেও এখানে এলে বুক ভরে নিশ্বাস নেওয়া যায়। তাই ছেলেদের নিয়ে ঝিলে ঘুরতে আসা। এখানের শান্ত পরিবেশ ভালো লাগছে।

আরও পড়ুনঃ  পদ্মা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মাছ

 

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

তোড়িয়া বারোঘাটিতে নসিমন (ভটভটি) ধাক্কায় মৃত্যু

হাতিরঝিলে এলে বুক ভরে নিশ্বাস নেওয়া যায়’

আপডেটের সময়: ০৮:০৩:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পরিবার পরিজন ও বন্ধু-বান্ধব নিয়ে হাতিরঝিলের বিভিন্ন অংশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন দর্শনার্থীরা। অধিকাংশ অভিভাবকই সঙ্গে শিশু-কিশোরদের নিয়ে এসেছেন। ঝিলের পাড়ে ছোটরা দৌড়ঝাঁপ আর খেলাধুলায় মেতে উঠেছে, আর বড়রা সময় কাটাচ্ছেন গল্প-আড্ডায়। ঝিলের মনোরম পরিবেশ ও নির্মল বাতাস উপভোগ করে মুগ্ধতা প্রকাশ করছেন সবাই। হাতিরঝিল সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ঈদ উপলক্ষে ঝিলের চারপাশে বসার জায়গা ও হাঁটার পথগুলোতে সারাদিনই মানুষের ভিড় করছেন। আজ সোমবারসকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসছেন নিভিন্ন বয়সী মানুষ। সব মিলিয়ে ঈদের ছুটিতে ঢাকাবাসীর কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় বিনোদনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে হাতিরঝিল। নগরবাসীর আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মুখর এই এলাকা এখন যেন এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় রূপ নিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  পদ্মা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মাছ

এদিকে দর্শনার্থীদের অনেকে জানান, ব্যস্তনগর জীবনে এমন খোলামেলা পরিবেশে কিছুটা সময় কাটানোর সুযোগ খুব কমই পাওয়া যায়। তাই ঈদের ছুটি কাজে লাগিয়ে পরিবার নিয়ে এখানে আসা বিশেষ আনন্দের। নতুন বাজার থেকে সপরিবারে হাতিরঝিলে ঘুরতে এসেছেন হাসান আহমেদ। সঙ্গে তার স্কুলপড়ুয়া ছেলে ও স্ত্রীকে। নতুন বাজার থেকে রিকশায় প্রথমে গুলশান বাড্ডা লিংক রোডের ওয়াটার টেক্সি ঘাটে যান তারা। সেখান থেকে টিকিট কেটে এফডিসি ঘাট হয়ে আবার পুলিশ প্লাজার সামনে নামেন।
হাসান আহমেদ বলেন, তিনি পেশায় অটোরিকশাচালক। ঈদের দিন ও পরদিন গতকাল (২২ মার্চ) রিকশা চালিয়েছেন। তবে ছেলে আবদার করেছে, তাকে ঘুরতে নিয়ে যেতে হবে। তাই আজ স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বের হয়েছি। পরিবারকে সময় দিতে পেরে ভালো লাগছে।

আরও পড়ুনঃ  বিলুপ্তির পথে ঈশ্বরদীর ঐতিহ্যবাহী কাঠের চাকা শিল্প

দক্ষিণ বনশ্রী থেকে হাতিরঝিলের রামপুরা সেতু এলাকায় ঘুরছেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরজীবী আব্দুস ছামাদ ও ইকবাল হোসেন। তাদের দুজনের বাড়িই গোপালগঞ্জে। ঈদের ছুটি কাটিয়ে আজ সকালে তারা ঢাকা ফিরেছেন। আগামীকাল মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) থেকে অফিস শুরু হবে। আব্দুস ছামাদ বলেন, দক্ষিণ বনশ্রী থেকে নিয়মিত হাতিরঝিল চক্রাকার বাস দিয়ে কারওয়ান বাজার গিয়ে অফিস করেন। কিন্তু সময়ের অভাবে ঝিলপাড়ে তেমন ঘুরতে বের হতে পারি না। আজ যেহেতু সকাল সকাল বাড়ি থেকে ঢাকায় আসছি, তাই ভাবলাম ঝিলে ঘুরতে যাই। শান্তিনগর থেকে হাতিরঝিলে ঘুরতে আসছেন সাইফুল আলম। সঙ্গে স্ত্রী ও দুই স্কুলপড়ুয়া ছেলে। সাইফুল আলম বলেন, ঈদে সাধারণত যে কোনো বিনোদনকেন্দ্রে মানুষের প্রচুর ভিড় থাকে। কিন্তু হাতিরঝিলে ভিড় থাকলেও এখানে এলে বুক ভরে নিশ্বাস নেওয়া যায়। তাই ছেলেদের নিয়ে ঝিলে ঘুরতে আসা। এখানের শান্ত পরিবেশ ভালো লাগছে।

আরও পড়ুনঃ  বিলুপ্তির পথে ঈশ্বরদীর ঐতিহ্যবাহী কাঠের চাকা শিল্প