
মোঃ রমজান আলী আটোয়ারী (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি
পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী উপজেলার রানীগঞ্জ বাজার সংলগ্ন ইসলামিক মিশন হাসপাতালে চিকিৎসার নামে চলছে চরম বিশৃঙ্খলা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি। অভিজ্ঞ ডাক্তার বা মেডিকেল অফিসার নেই দীর্ঘ ০৩ বছর যাবৎ মেডিকেল অদ্য ১৯/০৮/২০২৬ ইং তারিখে মেডিকেল অফিসারের অনুপস্থিতিতে খোদ ফার্মাসিস্ট রোগী দেখে প্রেসক্রিপশন (ব্যবস্থাপত্র) লিখছেন এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মাধ্যমে রোগীদের ঔষুধ বিতরণ করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলের চিত্র
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রানীগঞ্জ বাজার সংলগ্ন এই ইসলামিক মিশনে প্রতিদিন আশপাশের কয়েকটি গ্রামের সাধারণ মানুষ চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। তবে নিয়মিত কোনো ডাক্তার না থাকায় সেন্টারের ফার্মাসিস্ট নিজেকে চিকিৎসকের ভূমিকায় দাঁড় করিয়েছেন। সাধারণ ডায়রিয়া, জ্বর, থেকে শুরু করে জটিল রোগের চিকিৎসা ও প্রেসক্রিপশন লেখার কাজ করছেন তিনি নিজেই।
আরও আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, ফার্মাসিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী প্রেসক্রিপশন দেখে রোগীদের হাতে ভুল বা সঠিক ওষুধ তুলে দিচ্ছেন একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী (ঝাড়ুদার)। ওষুধ প্রদানের ক্ষেত্রে যেসব সাধারণ নিয়ম বা সতর্কতা মেনে চলা প্রয়োজন, তার কোনোটাই মানা হচ্ছে না।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের অভিযোগ চিকিৎসা নিতে আসা একাধিক ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, “এখানে ভালো কোনো ডাক্তার বসেন না। ফার্মাসিস্ট নিজেই খাতা-কলম নিয়ে বসে প্রেসক্রিপশন করেন। আর ওষুধ দেওয়ার টেবিলে যিনি বসেন, তিনি মূলত এই সেন্টারের ঝাড়ুদার। ভুল ওষুধ খেয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায় কে নেবে?
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, এই ধরনের অনিয়ম শুধু চিকিৎসা সেবার নিয়মকানুন লঙ্ঘনই নয়, বরং সাধারণ ও দরিদ্র মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার নামান্তর। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নিয়ম তোয়াক্কা না করে চালানো এই অপচিকিৎসা বন্ধে এবং সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করতে পঞ্চগড় জেলা সিভিল সার্জন ও আটোয়ারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) আশু হস্তক্ষেপ ও জরুরি তদন্তের জোরালো দাবি জানিয়েছেন রানীগঞ্জ এলাকার বাসিন্দারা।
প্রতিবেদকের নাম 



















