Dhaka ০২:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সরকারি প্রজ্ঞাপন অমান্য করে চলছে টেংরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিয়ে জেলা পরিষদ প্রশাসকের সাথে হিন্দু মহাজোটের আলোচনা নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা  জনগণ হারানো গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেয়েছে: প্রধানমন্ত্রী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বসছে ১৮ লাখ ৫৭ হাজার শিক্ষার্থী নীলফামারীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন ২ লাখের বেশি শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাম-রুবেলার টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন ধামইরহাটে ১৫১৭১ শিশুকে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন আজকের জনবাণীতে সংবাদ প্রকাশের পর ৩ শিক্ষিকাকে শোকজ জৈন্তাপুরে ভুগলিখাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী 

জুড়ীতে কৃষকদের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ,মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৩:৫২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৭ সময় দেখুন

রিপন আহমদ,মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়নের ফুলতলা ব্লকে কৃষকদের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের প্রি-পাইলট কর্মসূচি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল ২০২৬), পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উপলক্ষে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।

এদিন টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এমপি বেলা সোয়া ১২টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনকালে তিনি স্থানীয় ১৫ জন কৃষক–কৃষাণীর হাতে কৃষক কার্ড ও গাছের চারা তুলে দেন।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে জুড়ী উপজেলার ফুলতলা বশির উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে লাইভ সম্প্রচারের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান উপভোগ করা হয়। একই অনুষ্ঠানে জুড়ীতে নির্বাচিত ১৫ জন কৃষকের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  গ্রামাঞ্চলে তীব্র লোডশেডিং গরমে মানুষের হাঁসফাঁস

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব আরিফুল হক চৌধুরী এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন আসনের মাননীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ, সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক  ড. মোঃ মোশাররফ হোসেন এবং সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক জনাব তৌহিদুজ্জামান পাভেল।

আরও পড়ুনঃ  সুন্দরবন সংরক্ষণে যুব সমাজকে ভূমিকা পালন করার আহবান 

জানা গেছে, প্রথম ধাপে সারা দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় প্রায় ২১ হাজার ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের মাঝে এ কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে।

প্রি-পাইলট কার্যক্রমের আওতায় জুড়ীর ফুলতলা ব্লকে মোট ৮২১ জন কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ৮১৯ জনের ব্যাংক হিসাব ইতোমধ্যে খোলা হয়েছে। তালিকাভুক্ত কৃষকদের মধ্যে ৬৫০ জন পুরুষ এবং ১৭১ জন মহিলা; এদের মধ্যে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের সংখ্যাই বেশি।

‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষক, মৎস্যচাষি ও দুগ্ধ খামারিরা নগদ প্রণোদনা, ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, কৃষি বীমাসহ মোট ১০ ধরনের বিশেষ সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজার তথ্যসহ আধুনিক কৃষি সেবা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

আরও পড়ুনঃ  শতবর্ষের ঐতিহ্য ধুঁকছে অব্যবস্থাপনায়: হোসেনপুর সরকারি পাইল্ট স্কুলের সোনালি দিন কি অতীত?

কৃষকদের পেশাজীবী হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান, আয় বৃদ্ধি এবং ভর্তুকি বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। সরকার আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের সকল কৃষকের হাতে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষি খাতে আধুনিকায়ন এবং কৃষকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হবে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সরকারি প্রজ্ঞাপন অমান্য করে চলছে টেংরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

জুড়ীতে কৃষকদের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ,মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন

আপডেটের সময়: ০৩:৫২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

রিপন আহমদ,মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়নের ফুলতলা ব্লকে কৃষকদের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের প্রি-পাইলট কর্মসূচি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল ২০২৬), পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উপলক্ষে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।

এদিন টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এমপি বেলা সোয়া ১২টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনকালে তিনি স্থানীয় ১৫ জন কৃষক–কৃষাণীর হাতে কৃষক কার্ড ও গাছের চারা তুলে দেন।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে জুড়ী উপজেলার ফুলতলা বশির উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে লাইভ সম্প্রচারের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান উপভোগ করা হয়। একই অনুষ্ঠানে জুড়ীতে নির্বাচিত ১৫ জন কৃষকের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  গ্রামাঞ্চলে তীব্র লোডশেডিং গরমে মানুষের হাঁসফাঁস

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব আরিফুল হক চৌধুরী এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন আসনের মাননীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ, সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক  ড. মোঃ মোশাররফ হোসেন এবং সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক জনাব তৌহিদুজ্জামান পাভেল।

আরও পড়ুনঃ  বায়েজিদে প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে চেক ছিনতাই, উল্টো মামলা ও হয়রানির শিকার রেমিটেন্স যোদ্ধা

জানা গেছে, প্রথম ধাপে সারা দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় প্রায় ২১ হাজার ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের মাঝে এ কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে।

প্রি-পাইলট কার্যক্রমের আওতায় জুড়ীর ফুলতলা ব্লকে মোট ৮২১ জন কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ৮১৯ জনের ব্যাংক হিসাব ইতোমধ্যে খোলা হয়েছে। তালিকাভুক্ত কৃষকদের মধ্যে ৬৫০ জন পুরুষ এবং ১৭১ জন মহিলা; এদের মধ্যে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের সংখ্যাই বেশি।

‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষক, মৎস্যচাষি ও দুগ্ধ খামারিরা নগদ প্রণোদনা, ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, কৃষি বীমাসহ মোট ১০ ধরনের বিশেষ সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজার তথ্যসহ আধুনিক কৃষি সেবা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

আরও পড়ুনঃ  সরকারি প্রজ্ঞাপন অমান্য করে চলছে টেংরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

কৃষকদের পেশাজীবী হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান, আয় বৃদ্ধি এবং ভর্তুকি বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। সরকার আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের সকল কৃষকের হাতে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষি খাতে আধুনিকায়ন এবং কৃষকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হবে।