Dhaka ০২:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে গাছের ডালে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার দাম বেড়ে অকটেন ১৪০, পেট্রোল ১৩৫, ডিজেল ১১৫ টাকা ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলাকালীন যানচলাচল সম্পর্কিত ডিএমপির নির্দেশনাবলী প্রকাশ চিলমারীতে বাড়ির পাশেই মিলল শিশু আয়শার ক্ষতবিক্ষত নিথর মৃত দেহ যোগ্যদের স্বীকৃতি দিতে পেরে গর্বিত” চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন লক্ষ্মীপুরে ফোর লেন সড়ক প্রকল্পের কাজ ২০২৯ সালে শেষ হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী আফমি প্লাজা ঈদ বিক্রয় উৎসব, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা সম্পন্ন বায়েজিদে প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে চেক ছিনতাই, উল্টো মামলা ও হয়রানির শিকার রেমিটেন্স যোদ্ধা নাগরপুরে তিন দিনব্যাপী বর্ণিল আয়োজনে বর্ষবরণ উৎসব ৮ দলীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন জয়মনি উইনার্স ক্লাব

জুড়ীতে কৃষকদের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ,মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৩:৫২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ২২ সময় দেখুন

রিপন আহমদ,মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়নের ফুলতলা ব্লকে কৃষকদের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের প্রি-পাইলট কর্মসূচি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল ২০২৬), পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উপলক্ষে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।

এদিন টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এমপি বেলা সোয়া ১২টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনকালে তিনি স্থানীয় ১৫ জন কৃষক–কৃষাণীর হাতে কৃষক কার্ড ও গাছের চারা তুলে দেন।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে জুড়ী উপজেলার ফুলতলা বশির উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে লাইভ সম্প্রচারের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান উপভোগ করা হয়। একই অনুষ্ঠানে জুড়ীতে নির্বাচিত ১৫ জন কৃষকের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বর্ণাঢ্য আয়োজনে ​মাধবপুরে উপজেলায় বাংলা নববর্ষ উদযাপিত

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব আরিফুল হক চৌধুরী এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন আসনের মাননীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ, সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক  ড. মোঃ মোশাররফ হোসেন এবং সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক জনাব তৌহিদুজ্জামান পাভেল।

আরও পড়ুনঃ  অবৈধ ড্রেজারে বালু উত্তোলন: রাস্তাঘাট ধ্বংস ও পরিবেশ বিপর্যয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত 

জানা গেছে, প্রথম ধাপে সারা দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় প্রায় ২১ হাজার ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের মাঝে এ কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে।

প্রি-পাইলট কার্যক্রমের আওতায় জুড়ীর ফুলতলা ব্লকে মোট ৮২১ জন কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ৮১৯ জনের ব্যাংক হিসাব ইতোমধ্যে খোলা হয়েছে। তালিকাভুক্ত কৃষকদের মধ্যে ৬৫০ জন পুরুষ এবং ১৭১ জন মহিলা; এদের মধ্যে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের সংখ্যাই বেশি।

‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষক, মৎস্যচাষি ও দুগ্ধ খামারিরা নগদ প্রণোদনা, ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, কৃষি বীমাসহ মোট ১০ ধরনের বিশেষ সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজার তথ্যসহ আধুনিক কৃষি সেবা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

আরও পড়ুনঃ  চিলমারীতে বাড়ির পাশেই মিলল শিশু আয়শার ক্ষতবিক্ষত নিথর মৃত দেহ

কৃষকদের পেশাজীবী হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান, আয় বৃদ্ধি এবং ভর্তুকি বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। সরকার আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের সকল কৃষকের হাতে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষি খাতে আধুনিকায়ন এবং কৃষকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হবে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে গাছের ডালে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

জুড়ীতে কৃষকদের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ,মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন

আপডেটের সময়: ০৩:৫২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

রিপন আহমদ,মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়নের ফুলতলা ব্লকে কৃষকদের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের প্রি-পাইলট কর্মসূচি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল ২০২৬), পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উপলক্ষে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।

এদিন টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এমপি বেলা সোয়া ১২টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনকালে তিনি স্থানীয় ১৫ জন কৃষক–কৃষাণীর হাতে কৃষক কার্ড ও গাছের চারা তুলে দেন।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে জুড়ী উপজেলার ফুলতলা বশির উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে লাইভ সম্প্রচারের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান উপভোগ করা হয়। একই অনুষ্ঠানে জুড়ীতে নির্বাচিত ১৫ জন কৃষকের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বান্দরবান এলজিইডি’তে লুটপাটের ‘হরিলুট নিশ্চুপ নির্বাহী প্রকৌশলী,

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব আরিফুল হক চৌধুরী এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন আসনের মাননীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ, সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক  ড. মোঃ মোশাররফ হোসেন এবং সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক জনাব তৌহিদুজ্জামান পাভেল।

আরও পড়ুনঃ  যোগ্যদের স্বীকৃতি দিতে পেরে গর্বিত" চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

জানা গেছে, প্রথম ধাপে সারা দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় প্রায় ২১ হাজার ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের মাঝে এ কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে।

প্রি-পাইলট কার্যক্রমের আওতায় জুড়ীর ফুলতলা ব্লকে মোট ৮২১ জন কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ৮১৯ জনের ব্যাংক হিসাব ইতোমধ্যে খোলা হয়েছে। তালিকাভুক্ত কৃষকদের মধ্যে ৬৫০ জন পুরুষ এবং ১৭১ জন মহিলা; এদের মধ্যে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের সংখ্যাই বেশি।

‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষক, মৎস্যচাষি ও দুগ্ধ খামারিরা নগদ প্রণোদনা, ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, কৃষি বীমাসহ মোট ১০ ধরনের বিশেষ সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজার তথ্যসহ আধুনিক কৃষি সেবা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

আরও পড়ুনঃ  হোসেনপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত

কৃষকদের পেশাজীবী হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান, আয় বৃদ্ধি এবং ভর্তুকি বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। সরকার আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের সকল কৃষকের হাতে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষি খাতে আধুনিকায়ন এবং কৃষকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হবে।