Dhaka ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
১০ দিন হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকবে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুমার পলিকা পাড়ায় সাংগ্রাই উৎসবে জলকেলির আনন্দে মুখর পাহাড় গাইবান্ধায় অর্থ আত্মসাতের মিথ্যা অপবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন গ্রামাঞ্চলে তীব্র লোডশেডিং গরমে মানুষের হাঁসফাঁস বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ দেখতে গ্যালারিতে জাইমা রহমান সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার স্থায়ী যুদ্ধের অবসান চায় ইরান: উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী জনগণকে গর্জে উঠতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা মহিলা দলের সম্পাদিকা রওশন আরা  পাঁচ গ্রামের মানুষের ভরসা ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের কালবার্ট,

গ্রামাঞ্চলে তীব্র লোডশেডিং গরমে মানুষের হাঁসফাঁস

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:৫৩:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৭ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদক: গরমের মধ্যে গ্রামাঞ্চলে হঠাৎ বেড়েছে লোডশেডিং। শহরের অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ তুলনামূলক স্বাভাবিক থাকলেও গ্রামের মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে। এতে গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। জানা গেছে, দিনের পাশাপাশি রাতেও বারবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। কোথাও কোথাও চার থেকে ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত টানা লোডশেডিং হচ্ছে। তীব্র গরমে ঘরে থাকা দুঃসহ হয়ে উঠছে, বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থদের জন্য পরিস্থিতি আরও কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে খোলা আকাশের নিচে বা উঠানে রাত কাটাচ্ছেন।

আরও পড়ুনঃ  মানবপাচার-মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান শিগগিরই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 

 

গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গিয়ে গ্রামগুলোতে ইচ্ছা করে বেশি লোডশেডিং করা হচ্ছে। এর ফলে তারা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। বিদ্যুৎ না থাকায় নলকূপ চালানো, সেচ কার্যক্রম, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও দৈনন্দিন কাজকর্মেও ব্যাঘাত ঘটছে। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি’র তথ্য বলছে, ১৬ এপ্রিল ডে পিক (দুপুর ১২টা) লোডশেডিং ছিল এক হাজার ৭৫১ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা পিক (রাত ৯টা) লোডশেডিং ছিল ৪৮১ মেগাওয়াট। এছাড়া ১৫ এপ্রিল ডে পিক লোডশেডিং ছিল এক হাজার ২৯৪ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা পিক লোডশেডিং ছিল এক হাজার ৪২৮ মেগাওয়াট। এছাড়া ১৪ এপ্রিল ডে পিক লোডশেডিং ছিল ৫৮০ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা পিক লোডশেডিং ছিল ৬৮৮ মেগাওয়াট। ১৩ এপ্রিল ডে পিক লোডশেডিং ছিল ৮৭৯ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা পিক লোডশেডিং ছিল ১০০৮ মেগাওয়াট। ১২ এপ্রিল ডে পিক লোডশেডিং ছিল ৪১১ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা পিক লোডশেডিং ছিল ৯১০ মেগাওয়াট।

আরও পড়ুনঃ  হারুয়ালছড়ি গাউছিয়া মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান সম্পন্ন
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

১০ দিন হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকবে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

গ্রামাঞ্চলে তীব্র লোডশেডিং গরমে মানুষের হাঁসফাঁস

আপডেটের সময়: ০৬:৫৩:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: গরমের মধ্যে গ্রামাঞ্চলে হঠাৎ বেড়েছে লোডশেডিং। শহরের অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ তুলনামূলক স্বাভাবিক থাকলেও গ্রামের মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে। এতে গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। জানা গেছে, দিনের পাশাপাশি রাতেও বারবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। কোথাও কোথাও চার থেকে ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত টানা লোডশেডিং হচ্ছে। তীব্র গরমে ঘরে থাকা দুঃসহ হয়ে উঠছে, বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থদের জন্য পরিস্থিতি আরও কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে খোলা আকাশের নিচে বা উঠানে রাত কাটাচ্ছেন।

আরও পড়ুনঃ  লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকা থেকে ৬৪৭৬ ‘ভুয়া’ মুক্তিযোদ্ধা বাদ

 

 

গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গিয়ে গ্রামগুলোতে ইচ্ছা করে বেশি লোডশেডিং করা হচ্ছে। এর ফলে তারা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। বিদ্যুৎ না থাকায় নলকূপ চালানো, সেচ কার্যক্রম, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও দৈনন্দিন কাজকর্মেও ব্যাঘাত ঘটছে। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি’র তথ্য বলছে, ১৬ এপ্রিল ডে পিক (দুপুর ১২টা) লোডশেডিং ছিল এক হাজার ৭৫১ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা পিক (রাত ৯টা) লোডশেডিং ছিল ৪৮১ মেগাওয়াট। এছাড়া ১৫ এপ্রিল ডে পিক লোডশেডিং ছিল এক হাজার ২৯৪ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা পিক লোডশেডিং ছিল এক হাজার ৪২৮ মেগাওয়াট। এছাড়া ১৪ এপ্রিল ডে পিক লোডশেডিং ছিল ৫৮০ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা পিক লোডশেডিং ছিল ৬৮৮ মেগাওয়াট। ১৩ এপ্রিল ডে পিক লোডশেডিং ছিল ৮৭৯ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা পিক লোডশেডিং ছিল ১০০৮ মেগাওয়াট। ১২ এপ্রিল ডে পিক লোডশেডিং ছিল ৪১১ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা পিক লোডশেডিং ছিল ৯১০ মেগাওয়াট।

আরও পড়ুনঃ  সুন্দরবন সংরক্ষণে যুব সমাজকে ভূমিকা পালন করার আহবান