Dhaka ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কাহালুতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী-স্ত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু কেরানীগঞ্জে ফার্নিচার শোরুমের ৩ তলা থেকে যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার হোসেনপুরের উন্নয়নে কর্মকর্তাদের সাথে জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের বৈঠক শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্ত স্কুল ফুটবল টুর্নামেন্টঃ উপদেষ্টা ও পৃষ্ঠপোষক পরিষদ গঠিত বৃষ্টি ছাড়াই বজ্রপাত, ঠাকুরগাঁওয়ে গরুর মৃত্যু মোংলায় ভুয়া র‍্যাব পরিচয়কারী আটক গোবিন্দগঞ্জে মাদকসহ ২ জন কে ৩৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বগুড়ার সাবেক পৌর প্রশাসক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ ভোলায় ফ্ল্যাট থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক কাউনিয়ার কুর্শায় নারী কৃষকদের উৎপাদিত দেশি হাঁস-মুরগি ও ডিমের হাট উদ্বোধন

নির্বাচনে বিএনপি ৪৯.৯৭ ও জামায়াত ৩১.৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৭:৩৯:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১২৩ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নির্বাচনে বিএনপি ৪৯.৯৭ ও জামায়াত ৩১.৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী পেয়েছে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট। আজ রবিবার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ শাখার পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানিয়েছেন। নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে ২৯০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী ২২৭ টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ, আমজনতার দল শূন্য দশমিক ১ শতাংশ। ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ পেয়েছে শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ। ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পেয়েছে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ। ইসলামিক ঐক্য পেয়েছে শূন্য শতাংশ।

খেলাফত মজলিস পেয়েছে শূন্য দশমিক ৭৬ শতাংশ। গণঅধিকার পরিষদ পয়েছে শূন্য দশমিক ৩৩ শতাংশ। গণতন্ত্রী পার্টি ও গণফ্রন্ট ভোট পেয়েছে শূন্য শতাংশ। গণফোরাম পেয়েছে শূন্য দশমিক ১ শতাংশ। গণসংহতি আন্দোলন ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ। জাকের পার্টি পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) পেয়েছে ০ শতাংশ। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৩ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। জাতীয় পার্টি ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ৮৯ শতাংশ। জাতীয় পার্টি (জেপি) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) পেয়েছে শূন্য শতাংশ। জনতার দল ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ৪৭ শতাংশ।

আরও পড়ুনঃ  ভারত বা পাকিস্তান, কোনো বলয়ে যেতে চায় না বাংলাদেশের মানুষ: মির্জা ফখরুল

ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। নাগরিক ঐক্য ভোট ভোট পেয়েছে ০ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) শূন্য দশমিক শূন্য ২ শতাংশ ভোট পেয়েছে। বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ৪৫ শতাংশ। বাংলাদেশ কংগ্রেস ভোট ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি ভোট পায়নি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ ভোট পেয়েছে ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি ভোট পেয়েছে শূন্য শতাংশ। বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ। বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ১৭ শতাংশ। বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি ভোট পেয়েছে ০ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ।

আরও পড়ুনঃ  ঈদ উদযাপন শেষে সচিবালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) ভোট পেয়েছে শূন্য শতাংশ। বাংলাদেশ নিজামে ইসলাম পার্টি ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। বাংলাদেশ মুসলিম লীগ ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএনএল) ভোট পেয়েছে শূন্য শতাংশ। বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। বাংলাদেশ লেবার পার্টি ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। বাংলাদোশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি (বিইপি) শূন্য শতাংশ।

আরও পড়ুনঃ  ফ্ল্যাটে মায়ের নিঃসঙ্গ মৃত্যু ছেলে সেই যুগ্মসচিবকে প্রত্যাহার

বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোট (মুক্তিজোট) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। বাংলাদেয় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) শূন্য দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ৩৫ শতাংশ। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ভোট পেয়েছে ৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ ভোট। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে ২৯৯টি আসনে ৫০টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে। মোট প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ২৮ জন।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

কাহালুতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী-স্ত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু

নির্বাচনে বিএনপি ৪৯.৯৭ ও জামায়াত ৩১.৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে

আপডেটের সময়: ০৭:৩৯:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নির্বাচনে বিএনপি ৪৯.৯৭ ও জামায়াত ৩১.৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী পেয়েছে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট। আজ রবিবার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ শাখার পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানিয়েছেন। নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে ২৯০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী ২২৭ টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ, আমজনতার দল শূন্য দশমিক ১ শতাংশ। ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ পেয়েছে শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ। ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পেয়েছে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ। ইসলামিক ঐক্য পেয়েছে শূন্য শতাংশ।

খেলাফত মজলিস পেয়েছে শূন্য দশমিক ৭৬ শতাংশ। গণঅধিকার পরিষদ পয়েছে শূন্য দশমিক ৩৩ শতাংশ। গণতন্ত্রী পার্টি ও গণফ্রন্ট ভোট পেয়েছে শূন্য শতাংশ। গণফোরাম পেয়েছে শূন্য দশমিক ১ শতাংশ। গণসংহতি আন্দোলন ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ। জাকের পার্টি পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) পেয়েছে ০ শতাংশ। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৩ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। জাতীয় পার্টি ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ৮৯ শতাংশ। জাতীয় পার্টি (জেপি) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) পেয়েছে শূন্য শতাংশ। জনতার দল ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ৪৭ শতাংশ।

আরও পড়ুনঃ  পতেঙ্গায় অবৈধ টমটমের দাপট ও লক্ষ টাকার টোকেন বাণিজ্য

ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। নাগরিক ঐক্য ভোট ভোট পেয়েছে ০ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) শূন্য দশমিক শূন্য ২ শতাংশ ভোট পেয়েছে। বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ৪৫ শতাংশ। বাংলাদেশ কংগ্রেস ভোট ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি ভোট পায়নি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ ভোট পেয়েছে ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি ভোট পেয়েছে শূন্য শতাংশ। বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ। বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ১৭ শতাংশ। বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি ভোট পেয়েছে ০ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ।

আরও পড়ুনঃ  কুলিয়ারচরে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী ও একজন সিএনজি চালক নিহত

বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) ভোট পেয়েছে শূন্য শতাংশ। বাংলাদেশ নিজামে ইসলাম পার্টি ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। বাংলাদেশ মুসলিম লীগ ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএনএল) ভোট পেয়েছে শূন্য শতাংশ। বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। বাংলাদেশ লেবার পার্টি ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। বাংলাদোশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি (বিইপি) শূন্য শতাংশ।

আরও পড়ুনঃ  বিএনপির অশিক্ষিত ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা উচিত: আসিফ মাহমুদ

বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোট (মুক্তিজোট) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। বাংলাদেয় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) শূন্য দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ৩৫ শতাংশ। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ভোট পেয়েছে ৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ ভোট। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে ২৯৯টি আসনে ৫০টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে। মোট প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ২৮ জন।