
মোঃ রাসেল মিয়া, গাইবান্ধা সাঘাটা
সাঘাটা উপজেলার জুমার বাড়ি ইউনিয়নের বাদিনার পাড়া গ্রামের মৃত আরমান আলীর ছেলে ইংরেজ আালীর গংএর সাথে একই গ্রামের প্রতিবেশি আসাদুল ইসলাম ওরফে দুদু গংএর সহিত দীর্ঘদিন যাবত পারিবারিক কলহ বিবাদ ও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ সহ মামলা মোকদ্দমা চলে আসছিল,এর জের ধরে গত ১৯/৭/২০২৬ইংতারিখে আসাদুল গং বিবাদ মান জমিতে মামলা মোকদ্দমা থাকা সত্ত্বেও জোর পূর্বক পাট বপন করেন, কিছুদিন পর পাট কাটার উপযুগী হলে গত ১৯/৭/২০২৬ইং তারিখে আসাদুল তার কৃষাণ দিয়ে পাট কেটে ইংরেজ আলী গংএর নামে থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগ করেন বলে ইংরেজ আলীর লোকজন জানান। এবিষয়ে কৃষক দেলোয়ার হোসেন বলেন,আসাদুল ইসলাম আমাকে পাট কাটার জন্য কৃষাণ নিয়েছিল আমি তাকে পাট কেটে দিয়েছি ইংরেজ আলী কোন প্রকার পাট কাটেনি এবং সে আমাকে কোন প্রকার বাধাও দেননি। ভুক্তভোগী আম্বিয়া বেগম বলেন আসাদুল গং এর সহিত দীর্ঘদিন যাবত আমাদের জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধ ও মামলা মোকদ্দমা চলে আসছে,যেহেতু মামলা মোকদ্দমা চলমান রয়েছে এই কারনে অদ্যাবধি বিবাদ মান কোন জমিতে আমরা যাইনি।অথচ আসাদুল আমাদের সবার নামে থানায় একটি পাট কাটার মিথ্যা অভিযোগ করেছে আমরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এর বিচার চাই বলে তিনি জানান। এবিষয়ে ভুক্তভোগী ইংরেজ আলী এক সাক্ষাৎ কারে বলেন,দীর্ঘদিন যাবত উল্লেখিত ব্যক্তিদের সাথে আমাদের দুই একর সেষট্টি শতাংশ জায়গা জমি নিয়ে কয়েক দফা গ্রাম্যভাবে শালীশ বৈঠক হয়েছে, সালিশে তারা কোন কাগজ দেখাতে পারেননি, জোরপূর্বক আমাদের জমি বেদখল দিয়ে রেখেছে,উপরন্ত প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করতে বিবাদ মান জমি থেকে আসাদুল ইসলাম তার কৃষাণ দেলোয়ার হোসেন কে দিয়ে পাট কেটে আমাদের নামে একটি মিথ্যা অভিযোগ করেছে। নিম্মে তফশিল ভু্ক্ত জমি জমা সংক্রান্ত আদালতে মামলা এখনো চলমান রয়েছে, আদালতে মামলা নং ৮২/২০২৬ আসাদুল ইসলাম গংএর লোকজন আমাদের পূর্ব পুরুষের নিকট থেকে শফিউদ্দিনের নামে কিছু জমি ক্রয় করেছে, আর কিছু জমি যাদের নিকট থেকে ক্রয় করেছে তারা উল্লেখিত খতিয়ানের মালিক নয় বলে তিনি জানান।
তফশিল ভুক্ত জমির বিবরণ
গ্রহীতা, শফিউদ্দিন, পিতা মৃত সলিমুদ্দিন, দাতা কবেজউল্লা,তারিখ ১৯/১০/৪৩ইং জমির পরিমাণ, ৬৬ শতাংশ, গ্রহীতা শফিউদ্দিন ও আফসার, দাতা, মমজান নেছা,তারিখ ২৩/১২/৪৪ ইং জমি ৫৯শতাংশ,
গ্রহীতা আব্দুল করিম পিতা মৃত ইউসুফ উদ্দিন আকন্দ,দাতা সেরাজুল হক আকন্দ পিতা মৃত রহমতুল্লাহ আকন্দ, তারিখ ২০/০১/৫২ইং জমি ২৯শতাংশ।
সিএস খং নং৭৫/২২৬ এস এ খং নং ৮৯,মোট দুই একর ৬৬শতাংশ,যাহার দাগনং৪০৫,জমি ২৪শতাংশ,দাগনং৫৬৭ জমি ০৭শতাংশ,দাগ নং৬১৫ জমি ৪৬শতাংশ, দাগ নং ৬৭৭জমি ৫৩ শতাংশ,দাগ নং ৬৮৫,জমি ৯ শতাংশ, দাগ নং ৮৪৭ জমি ৬৮শতাংশ দাগ নং ৮৭২ জমি ১০ শতাংশ, দাগ নং ৯৯৩ জমি ৩০ শতাংশ, দাগ নং ২৮ জমি ১৯শতাংশ, দাগ নং ৪০৩ জমি ২৪ শতাংশ।
প্রতিবেদকের নাম 


















