Dhaka ০২:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বাঁশখালীতে অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, জব্দ ৬৮ ড্রেজার পাইপ ধুনটে পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ​ জামালপুরের মাদারগঞ্জে ৯৭ পিস ইয়াবাসহ তিনজন আটকের পর কারাগারে প্রেরণ আটোয়ারীতে যুব দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। জামালপুরের সরিষাবাড়িতেও সারাদেশের ন্যায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালন লক্ষ্মীপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ট্রাফিক আইন মানার তাগিদ সাঘাটায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও মজুত, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা পল্টন হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে বগুড়ায় জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল কুচিয়ামোড়া টহল পুলিশের অভিযানে কুচিয়ামোড়া থেকে সাংবাদিকের মোটরসাইকেল উদ্ধার: চোর গ্রেপ্তারে থানা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ ​ চিলমারীতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন।

সংসদে ফজলুর রহমানের করা মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ: ড. শফিকুর রহমান

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৭:২২:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ২১০ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় সংসদে নিজের পারিবারিক পরিচয় ও রাজনৈতিক আদর্শ নিয়ে করা মন্তব্যের জেরে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৩তম দিনে ফজলুর রহমানের বক্তব্যের পরপরই দাঁড়িয়ে তিনি এ প্রতিবাদ জানান। এ সময় নিজের রাজনৈতিক অধিকার এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হিসেবে তার পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, “শ্রদ্ধা রেখেই বলতে চাই, মাননীয় সংসদ সদস্য বয়সে আমার বড়, তিনি মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান সবকিছুই বলেছেন। কিন্তু নিজের অবদান বলতে গিয়ে আরেকজনের অবদানের ওপর হাতুড়ি পেটানোর অধিকার কাউকে দেওয়া হয়নি।

আরও পড়ুনঃ  মাদক ও অস্ত্র প্রবেশ রোধে ব্যর্থ বর্তমান সরকার:  দাবি বিরোধীদলীয় নেতা ডা.শফিকুর রহমানের

 

শফিকুর রহমান বলেন, তিনি পার্সোনালি আমাকে অ্যাটাক করেছেন। তিনি বলেছেন, আমি বলে থাকি, আমি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য। উনি এটাকে চ্যালেঞ্জ করছেন। দুই নম্বর উনি বলেছেন, কোনও মুক্তিযোদ্ধা কিংবা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াত ইসলামী করতে পারে না। তাহলে কি উনাকে জিজ্ঞেস করা লাগবে। এটি আমার নাগরিক অধিকার। আমি কোন দল করবো, কোন আদর্শ অনুসরণ করবো? এর ওপর হস্তক্ষেপ করার ন্যুনতম কোনও অধিকার রাষ্ট্র কিংবা সংবিধান কাউকে দেয়নি। আমি এটার তীব্র নিন্দা জানাই। আমার আইডেন্টিটি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে, এটা গুরুতর অপরাধ করেছেন। আবার আমার আদর্শ সিলেকশনের ব্যাপারে উনি কথা বলেছেন, এটা বাড়তি অপরাধ করেছেন। তিনি আরও বলেন, “আমি অনুরোধ করবো মাননীয় স্পিকার, তার এই অসংসদীয় অংশটা এখান থেকে যেন এক্সপাঞ্জ করা হয়। শেষে গিয়ে উনি, সংসদকে ফাংশনিং করার জন্য বর্তমান জ্বালানি অব্যবস্থাপনা সংকট যেটাই বলি, সেইটার ক্ষেত্রে আমরা এগিয়ে এসেছিলাম, কথা বলেছি, নোটিশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং পরের দিন এসে প্রধানমন্ত্রী একটা প্রস্তাব দিয়েছে, আমরা সঙ্গে সঙ্গে এটা গ্রহণ করেছি। তিনি এটাকে শেষ পর্যন্ত কনক্লুশন কী দিয়েছেন? যার মগজ যেরকম তার কনক্লুশনও হবে তার মতো। একজন প্রবীণ ব্যক্তি ও রাজনীতিবিদের কাছ থেকে আমি এই ধরনের আচরণ আশা করিনি।

আরও পড়ুনঃ  নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে: মামুনুল হক

 

জামায়াতের আমির বলেন, “আমরা প্রথম দিনই বলেছি, ভালো কিছু শিখতে এসেছি। কাউকে হিট করা, গালি দেওয়ার মাধ্যমে বড় কিছু অর্জন করা যাবে না। কিছু গলাবাজি হতে পারে বড় জোর, কিন্তু তার চাইতে বেশি কিছু হবে না। আর সাধারণত যুক্তি যখন ফুরিয়ে যায়, মাথা তখন গরম হয়ে যায়। একটা প্রবাদ আছে রেগে গেলেন তো হেরেই গেলেন। আমরা সবাই মিলে হাঁটতে চাই না, আমরা সবাই মিলে জিততে চাই। এজন্য সবাই যেন মাথাটা একটু ঠাণ্ডা রেখে যুক্তির সঙ্গে সত্যনির্ভর কথাগুলো বলি। তাতে অবশ্যই দেশবাসী উজ্জীবিত হবে। এই সংসদের প্রতি মানুষের আস্থা তৈরি হবে এবং দেশটাকে নিয়ে সবাই মিলে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে পারবো। শফিকুর রহমানের বক্তব্য শেষে স্পিকার বলেন, “সংসদ সদস্যদের বক্তব্যে যদি কোনও অসংসদীয় শব্দ বা অংশ থাকে, তবে তা কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী এক্সপাঞ্জ করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  দক্ষিণ গফরগাঁওয়ে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

বাঁশখালীতে অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, জব্দ ৬৮ ড্রেজার পাইপ

সংসদে ফজলুর রহমানের করা মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ: ড. শফিকুর রহমান

আপডেটের সময়: ০৭:২২:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় সংসদে নিজের পারিবারিক পরিচয় ও রাজনৈতিক আদর্শ নিয়ে করা মন্তব্যের জেরে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৩তম দিনে ফজলুর রহমানের বক্তব্যের পরপরই দাঁড়িয়ে তিনি এ প্রতিবাদ জানান। এ সময় নিজের রাজনৈতিক অধিকার এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হিসেবে তার পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, “শ্রদ্ধা রেখেই বলতে চাই, মাননীয় সংসদ সদস্য বয়সে আমার বড়, তিনি মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান সবকিছুই বলেছেন। কিন্তু নিজের অবদান বলতে গিয়ে আরেকজনের অবদানের ওপর হাতুড়ি পেটানোর অধিকার কাউকে দেওয়া হয়নি।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় ৭ মাসের পরোয়ানাভুক্ত মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপের মূল হোতা ‘মালা ভাবি’ গ্রেপ্তার

 

শফিকুর রহমান বলেন, তিনি পার্সোনালি আমাকে অ্যাটাক করেছেন। তিনি বলেছেন, আমি বলে থাকি, আমি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য। উনি এটাকে চ্যালেঞ্জ করছেন। দুই নম্বর উনি বলেছেন, কোনও মুক্তিযোদ্ধা কিংবা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াত ইসলামী করতে পারে না। তাহলে কি উনাকে জিজ্ঞেস করা লাগবে। এটি আমার নাগরিক অধিকার। আমি কোন দল করবো, কোন আদর্শ অনুসরণ করবো? এর ওপর হস্তক্ষেপ করার ন্যুনতম কোনও অধিকার রাষ্ট্র কিংবা সংবিধান কাউকে দেয়নি। আমি এটার তীব্র নিন্দা জানাই। আমার আইডেন্টিটি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে, এটা গুরুতর অপরাধ করেছেন। আবার আমার আদর্শ সিলেকশনের ব্যাপারে উনি কথা বলেছেন, এটা বাড়তি অপরাধ করেছেন। তিনি আরও বলেন, “আমি অনুরোধ করবো মাননীয় স্পিকার, তার এই অসংসদীয় অংশটা এখান থেকে যেন এক্সপাঞ্জ করা হয়। শেষে গিয়ে উনি, সংসদকে ফাংশনিং করার জন্য বর্তমান জ্বালানি অব্যবস্থাপনা সংকট যেটাই বলি, সেইটার ক্ষেত্রে আমরা এগিয়ে এসেছিলাম, কথা বলেছি, নোটিশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং পরের দিন এসে প্রধানমন্ত্রী একটা প্রস্তাব দিয়েছে, আমরা সঙ্গে সঙ্গে এটা গ্রহণ করেছি। তিনি এটাকে শেষ পর্যন্ত কনক্লুশন কী দিয়েছেন? যার মগজ যেরকম তার কনক্লুশনও হবে তার মতো। একজন প্রবীণ ব্যক্তি ও রাজনীতিবিদের কাছ থেকে আমি এই ধরনের আচরণ আশা করিনি।

আরও পড়ুনঃ  মাদক ও অস্ত্র প্রবেশ রোধে ব্যর্থ বর্তমান সরকার:  দাবি বিরোধীদলীয় নেতা ডা.শফিকুর রহমানের

 

জামায়াতের আমির বলেন, “আমরা প্রথম দিনই বলেছি, ভালো কিছু শিখতে এসেছি। কাউকে হিট করা, গালি দেওয়ার মাধ্যমে বড় কিছু অর্জন করা যাবে না। কিছু গলাবাজি হতে পারে বড় জোর, কিন্তু তার চাইতে বেশি কিছু হবে না। আর সাধারণত যুক্তি যখন ফুরিয়ে যায়, মাথা তখন গরম হয়ে যায়। একটা প্রবাদ আছে রেগে গেলেন তো হেরেই গেলেন। আমরা সবাই মিলে হাঁটতে চাই না, আমরা সবাই মিলে জিততে চাই। এজন্য সবাই যেন মাথাটা একটু ঠাণ্ডা রেখে যুক্তির সঙ্গে সত্যনির্ভর কথাগুলো বলি। তাতে অবশ্যই দেশবাসী উজ্জীবিত হবে। এই সংসদের প্রতি মানুষের আস্থা তৈরি হবে এবং দেশটাকে নিয়ে সবাই মিলে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে পারবো। শফিকুর রহমানের বক্তব্য শেষে স্পিকার বলেন, “সংসদ সদস্যদের বক্তব্যে যদি কোনও অসংসদীয় শব্দ বা অংশ থাকে, তবে তা কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী এক্সপাঞ্জ করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  বর্ণাঢ্য আয়োজনে চিলমারী উপজেলা যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন