Dhaka ০১:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দৈনিক আজকের জনবানীতে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে পৌর কর্তৃপক্ষ, অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করার নির্দেশ টেকনাফে র‌্যাবের অভিযান, মালয়েশিয়া পাচারের আগে ৫ ভিকটিম উদ্ধার রাজশাহীর বাঘায় গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে ১ জনের মৃত্যু, গুরুতর আহত ১ জীবিকার সন্ধানে ঢাকায় গিয়ে ফিরলেন লাশ হয়ে, কাঁদছে নবাবগঞ্জ ১০৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা ডিবি দক্ষিণ পুলিশ ভেদরগঞ্জে সচেতন মা, আপনি সেরা মা—শ্রেষ্ঠ অভিভাবক পুরস্কার ২০২৬ ধামইরহাটে মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আল-কুরআনবিরোধী সংবিধানই সমাজ ও রাষ্ট্রের মূল সমস্যা: ইসলামী সমাজ লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত ভয়ে থমকে আছে গাজীপুরে বন উদ্ধার

রুমায় এলিম-ছাংদালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কারে অনিয়ম: ৯ ইউপি মেম্বারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৭:১৬:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • ১২৭ সময় দেখুন

মাসুদ রানা মাসুম পার্বত্য ব্যুরো: বান্দরবানের রুমা উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ সংস্কারের বরাদ্দকৃত টাকা নামমাত্র খরচ করে বাকি সিংহভাগ অর্থ আত্মসাতের চেষ্টার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের (মেম্বার) বিরুদ্ধে। উপজেলার ১নং পাইন্দু ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার ও প্রকল্প সভাপতি অংথাইসা মারমার বিরুদ্ধে এই অনিয়মের অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয় পাড়াবাসীরা। আজ ২৫ জুন ২০২৬ তারিখে রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করা ওই লিখিত অভিযোগে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে জেলা প্রশাসক, উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার বিভাগ), উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এবং পাইন্দু ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকেও। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে রুমা উপজেলা প্রশাসনের ত্রাণ শাখার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ১নং পাইন্দু ইউনিয়নের ‘এলিম-ছাংদলা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’ খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য ২,৫০,০০০/- (দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পের সভাপতি ও স্থানীয় ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার অংথাইসা মারমা প্রকল্প বাস্তবায়নের শুরুতেই বরাদ্দকৃত অর্থের অর্ধেক টাকা উত্তোলন করে নেন। কিন্তু মাঠে কোনো কাজ না করায়

আরও পড়ুনঃ  গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আল-কুরআনবিরোধী সংবিধানই সমাজ ও রাষ্ট্রের মূল সমস্যা: ইসলামী সমাজ

 

গত ২২ জুন ২০২৬ তারিখে রুমা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন পাড়াবাসী। ওইদিনই বিকেলে মেম্বার অংথাইসা ও কয়েকজন অফিস থেকে পাড়াবাসীদের অভিযোগ পত্রটি কৌশলে তুলে নেন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়। ​আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, অভিযোগ তুলে নেওয়ার পরদিন অর্থাৎ ২৩ জুন ২০২৬ তারিখে সকাল ৯টায় রুমা বাজার থেকে ৫ জন শ্রমিক নিয়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন মেম্বার অংথাইসা মারমা। এরপর সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মাত্র দুই ঘণ্টা নামমাত্র কোপ-ঝাড় পরিষ্কারের কাজ করানো হয়। ওই সময় মেম্বার পাড়াবাসীদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, দৈনিক ১০০০ টাকা হারে ৫ জন শ্রমিকের মজুরি বাবদ মোট ৫০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা দেওয়া হয়েছে এবং এর বাইরে আর কোনো কাজ করা হবে না। ক্ষুব্ধ পাড়াবাসীদের দাবি, আড়াই লক্ষ টাকার বরাদ্দের বিপরীতে মাত্র ৫ হাজার টাকা খরচ করে বাকি ২,৪৫,০০০/- (দুই লক্ষ পঁয়তাল্লিশ হাজার) টাকা প্রকল্প সভাপতি ও মেম্বার অংথাইসা মারমা সম্পূর্ণ আত্মসাতের পাঁয়তারা করছেন। ​এ বিষয়ে এলিম-ছাংদলা পাড়ার পক্ষে মংথুইচিং মারমা, ক্যশানু, ক্যসিং ও মংথোয়াই মারমাসহ স্থানীয় বাসিন্দারা স্বাক্ষর করে মাঠ সংস্কারের কাজটি সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন। ​এ বিষয়ে জানতে চাইলে রুমা উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, অভিযোগটি আমলে নেওয়া হয়েছে এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে তদন্তপূর্বক দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  বান্দরবানে শিক্ষা সামগ্রী, পাওয়ার টিলার ও সেলাই মেশিন বিতরণ
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

দৈনিক আজকের জনবানীতে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে পৌর কর্তৃপক্ষ, অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করার নির্দেশ

রুমায় এলিম-ছাংদালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কারে অনিয়ম: ৯ ইউপি মেম্বারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেটের সময়: ০৭:১৬:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

মাসুদ রানা মাসুম পার্বত্য ব্যুরো: বান্দরবানের রুমা উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ সংস্কারের বরাদ্দকৃত টাকা নামমাত্র খরচ করে বাকি সিংহভাগ অর্থ আত্মসাতের চেষ্টার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের (মেম্বার) বিরুদ্ধে। উপজেলার ১নং পাইন্দু ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার ও প্রকল্প সভাপতি অংথাইসা মারমার বিরুদ্ধে এই অনিয়মের অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয় পাড়াবাসীরা। আজ ২৫ জুন ২০২৬ তারিখে রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করা ওই লিখিত অভিযোগে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে জেলা প্রশাসক, উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার বিভাগ), উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এবং পাইন্দু ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকেও। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে রুমা উপজেলা প্রশাসনের ত্রাণ শাখার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ১নং পাইন্দু ইউনিয়নের ‘এলিম-ছাংদলা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’ খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য ২,৫০,০০০/- (দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পের সভাপতি ও স্থানীয় ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার অংথাইসা মারমা প্রকল্প বাস্তবায়নের শুরুতেই বরাদ্দকৃত অর্থের অর্ধেক টাকা উত্তোলন করে নেন। কিন্তু মাঠে কোনো কাজ না করায়

আরও পড়ুনঃ  ২শত টাকার জন্য হত্যা পুলিশের অভিযানে পাঁচজন আসামি গ্রেপ্তার

 

গত ২২ জুন ২০২৬ তারিখে রুমা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন পাড়াবাসী। ওইদিনই বিকেলে মেম্বার অংথাইসা ও কয়েকজন অফিস থেকে পাড়াবাসীদের অভিযোগ পত্রটি কৌশলে তুলে নেন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়। ​আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, অভিযোগ তুলে নেওয়ার পরদিন অর্থাৎ ২৩ জুন ২০২৬ তারিখে সকাল ৯টায় রুমা বাজার থেকে ৫ জন শ্রমিক নিয়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন মেম্বার অংথাইসা মারমা। এরপর সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মাত্র দুই ঘণ্টা নামমাত্র কোপ-ঝাড় পরিষ্কারের কাজ করানো হয়। ওই সময় মেম্বার পাড়াবাসীদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, দৈনিক ১০০০ টাকা হারে ৫ জন শ্রমিকের মজুরি বাবদ মোট ৫০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা দেওয়া হয়েছে এবং এর বাইরে আর কোনো কাজ করা হবে না। ক্ষুব্ধ পাড়াবাসীদের দাবি, আড়াই লক্ষ টাকার বরাদ্দের বিপরীতে মাত্র ৫ হাজার টাকা খরচ করে বাকি ২,৪৫,০০০/- (দুই লক্ষ পঁয়তাল্লিশ হাজার) টাকা প্রকল্প সভাপতি ও মেম্বার অংথাইসা মারমা সম্পূর্ণ আত্মসাতের পাঁয়তারা করছেন। ​এ বিষয়ে এলিম-ছাংদলা পাড়ার পক্ষে মংথুইচিং মারমা, ক্যশানু, ক্যসিং ও মংথোয়াই মারমাসহ স্থানীয় বাসিন্দারা স্বাক্ষর করে মাঠ সংস্কারের কাজটি সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন। ​এ বিষয়ে জানতে চাইলে রুমা উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, অভিযোগটি আমলে নেওয়া হয়েছে এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে তদন্তপূর্বক দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  ধামইরহাটে মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন