Dhaka ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বান্দরবানে উন্নয়ন ও সমন্বয় জোরদারে বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দ্রুতই প্রাথমিকে ৬০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী মার্কিন নৌ-অবরোধ না তুললে লোহিত সাগরের বাণিজ্য পথ বন্ধের হুমকি ইরানের উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী এসএসসি ও এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষা নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে হোসেনপুরে মতবিনিময় সভা ডলুপাড়ায় সাংগ্রাইয়ের জলকেলি: মন্ত্রী-এমপির উপস্থিতিতে সম্প্রীতির মহোৎসব লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকা থেকে ৬৪৭৬ ‘ভুয়া’ মুক্তিযোদ্ধা বাদ ধামইরহাটে স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এলজিইডি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ: নীরব দপ্তর, ক্ষোভে ফুঁসছে স্থানীয়রা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫

পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে দাফন

জিহাদুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার:  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অজ্ঞাত এক যুবকের পচাগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব না হওয়ায় বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। মানবিক এই কার্যক্রমটি পরিচালনা করেছে Brahmanbaria Batighar – ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়নের শ্যামলীঘাট সংলগ্ন একটি ডোবায় আনুমানিক ২৫ বছর বয়সী এক যুবকের মরদেহ ভেসে ওঠে। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে বিজয়নগর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

আরও পড়ুনঃ  নিজের বিল্ডিংয়ের প্লাস্টার নির্মাণে বাধা ও হুমকির প্রতিবাদে হোসেনপুরে সংবাদ সম্মেলন

পুলিশ জানায়, মরদেহটির মুখমণ্ডল, শরীর এবং হাত-পা মারাত্মকভাবে পচে যাওয়ায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করতে পারেনি। ফলে মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, মৃত যু বকটি প্রায় তিন বছর ধরে চান্দুরা এলাকায় ভাসমানভাবে বসবাস করতেন। তিনি বাকপ্রতিবন্ধী ও শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন এবং মানুষের সহায়তায় জীবিকা নির্বাহ করতেন। মানসিক ও সামাজিক অসহায়ত্বের কারণে তাকে প্রায়ই রাস্তায় অসহায় অবস্থায় ঘুরে বেড়াতে দেখা যেত।

আরও পড়ুনঃ  ফেনীতে হজ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

দীর্ঘ সময় পানিতে থাকার কারণে মরদেহটি অতিরিক্ত পচে ও ফুলে যাওয়ায় হাসপাতালের মর্গের ফ্রিজে সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়নি। এতে মর্গ এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এ অবস্থায় আত্মীয়-স্বজনের কোনো খোঁজ না মেলায় মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে Brahmanbaria Batighar – ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর এর উদ্যোগে মরদেহটি বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  বান্দরবানে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান: এমপি জেরীর অংশগ্রহণে জনসম্পৃক্ততার নবদৃষ্টান্ত

বিজয়নগর থানার জিডি নং-৫২৯, তারিখ ১২ মার্চ ২০২৬ অনুযায়ী এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. আজহার উদ্দিন জানান, “এখন পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের উদ্যোগে মোট ২৪৭টি বেওয়ারিশ লাশ দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।”

তিনি মানবিক এই কার্যক্রমে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

বান্দরবানে উন্নয়ন ও সমন্বয় জোরদারে বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে দাফন

আপডেটের সময়: ০২:২৪:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

জিহাদুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার:  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অজ্ঞাত এক যুবকের পচাগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব না হওয়ায় বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। মানবিক এই কার্যক্রমটি পরিচালনা করেছে Brahmanbaria Batighar – ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়নের শ্যামলীঘাট সংলগ্ন একটি ডোবায় আনুমানিক ২৫ বছর বয়সী এক যুবকের মরদেহ ভেসে ওঠে। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে বিজয়নগর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

আরও পড়ুনঃ  ধামইরহাটে স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

পুলিশ জানায়, মরদেহটির মুখমণ্ডল, শরীর এবং হাত-পা মারাত্মকভাবে পচে যাওয়ায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করতে পারেনি। ফলে মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, মৃত যু বকটি প্রায় তিন বছর ধরে চান্দুরা এলাকায় ভাসমানভাবে বসবাস করতেন। তিনি বাকপ্রতিবন্ধী ও শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন এবং মানুষের সহায়তায় জীবিকা নির্বাহ করতেন। মানসিক ও সামাজিক অসহায়ত্বের কারণে তাকে প্রায়ই রাস্তায় অসহায় অবস্থায় ঘুরে বেড়াতে দেখা যেত।

আরও পড়ুনঃ  নলসিটিতে বিদ্যুৎপৃষ্টে আহত ফাতেমার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

দীর্ঘ সময় পানিতে থাকার কারণে মরদেহটি অতিরিক্ত পচে ও ফুলে যাওয়ায় হাসপাতালের মর্গের ফ্রিজে সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়নি। এতে মর্গ এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এ অবস্থায় আত্মীয়-স্বজনের কোনো খোঁজ না মেলায় মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে Brahmanbaria Batighar – ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর এর উদ্যোগে মরদেহটি বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সুফলভোগীদের মাঝে ছাগল বিতরণ

বিজয়নগর থানার জিডি নং-৫২৯, তারিখ ১২ মার্চ ২০২৬ অনুযায়ী এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. আজহার উদ্দিন জানান, “এখন পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের উদ্যোগে মোট ২৪৭টি বেওয়ারিশ লাশ দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।”

তিনি মানবিক এই কার্যক্রমে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।