Dhaka ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বান্দরবানে উন্নয়ন ও সমন্বয় জোরদারে বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দ্রুতই প্রাথমিকে ৬০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী মার্কিন নৌ-অবরোধ না তুললে লোহিত সাগরের বাণিজ্য পথ বন্ধের হুমকি ইরানের উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী এসএসসি ও এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষা নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে হোসেনপুরে মতবিনিময় সভা ডলুপাড়ায় সাংগ্রাইয়ের জলকেলি: মন্ত্রী-এমপির উপস্থিতিতে সম্প্রীতির মহোৎসব লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকা থেকে ৬৪৭৬ ‘ভুয়া’ মুক্তিযোদ্ধা বাদ ধামইরহাটে স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এলজিইডি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ: নীরব দপ্তর, ক্ষোভে ফুঁসছে স্থানীয়রা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫

নিজের বিল্ডিংয়ের প্লাস্টার নির্মাণে বাধা ও হুমকির প্রতিবাদে হোসেনপুরে সংবাদ সম্মেলন

নিজের বিল্ডিংয়ের প্লাস্টার নির্মাণে বাধা ও হুমকির প্রতিবাদে হোসেনপুরে সংবাদ সম্মেল

​হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে নিজের বিল্ডিং এর কাজ নির্মাণ ও প্লাস্টারের কাজে প্রতিবেশী কর্তৃক বাধা প্রদান, নির্মাণ সামগ্রী নষ্ট এবং প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মুহাম্মদ রুহুল আমিন।

​আজ (১৩ এপ্রিল, ২০২৬) হোসেনপুর পৌর এলাকার ৫নং ওয়ার্ডের ঢেকিয়া এলাকায় এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মুহাম্মদ রুহুল আমিন (৫০)।

​লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, হোসেনপুর থানাধীন ঢেকিয়া সাকিনস্থ হনুমান তলা খাজা স্টুডিওর সামনে রাস্তার পশ্চিম পাশে নিজের ক্রয়কৃত জায়গায় তিন তলা ফাউন্ডেশনের বিল্ডিং নির্মাণ করছেন তিনি। নির্মাণের একপর্যায়ে প্রতিবেশীর টিনের চালে সামান্য বালু পড়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশি বৈঠক হয়।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, চালে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হলে রুহুল আমিন তা নতুন টিন দিয়ে মেরামত করে দেবেন।
এই সিদ্ধান্তে উভয় পক্ষ একমত হলেও পরবর্তীতে কাজ শুরু করলে প্রতিবেশী মোঃ আশরাফুল আলম (৪০) ও তার পুত্র মোঃ অনিক মিয়া কাজে বাধা প্রদান করেন।

​ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, গত ০১/০২/২০২৫ তারিখ থেকে বিবাদী পক্ষ প্লাস্টারের কাজে চরম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে আসছে। এতে দীর্ঘ সময় কাজ বন্ধ থাকায় প্রায় ১,২০,০০০ (এক লক্ষ বিশ হাজার) টাকার নির্মাণ সামগ্রী নষ্ট হয়েছে। বর্তমানে বৃষ্টির পানি প্লাস্টারবিহীন দেওয়াল দিয়ে বৈদ্যুতিক লাইনের ভেতরে প্রবেশ করায় শর্ট সার্কিট হয়ে যেকোনো সময় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড বা জানমালের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ‘পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়ার আগ পর্যন্ত মৌলভীবাজর শহরে পূর্বের ভাড়াই বহাল’

​সংবাদ সম্মেলনে রুহুল আমিন আরও জানান, গত ২৫/০৩/২০২৬ তারিখে কাজ করার অনুরোধ জানালে বিবাদী পক্ষ তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং কাজ শুরু করলে দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি প্রদান করে। এ বিষয়ে স্থানীয় মেম্বারসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ একাধিকবার চেষ্টা করেও কোনো সমাধান করতে পারেননি।

​​সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে মুহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন,

​”আমি আমার নিজ কেনা সম্পত্তিতে বৈধভাবে ভবন নির্মাণ করছি। কিন্তু বিবাদী পক্ষের অযৌক্তিক বাধা ও হুমকির কারণে আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি এবং আমার আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। আমি প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি, যেন দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে আমাকে আমার ভবনের প্লাস্টারের কাজ সম্পন্ন করার পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া হয়।”
​এ সময় স্থানীয় সাক্ষী মোঃ সোহাগ মিয়া, আবু সাহিদ মেম্বার ও মোঃ শওকত আহমেদসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  অনলাইন জুয়ায় মাদরাসার টাকা হারিয়ে লোহাগাড়ায় শিক্ষকের আত্মহত্যা

​হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে নিজের বিল্ডিং এর কাজ নির্মাণ ও প্লাস্টারের কাজে প্রতিবেশী কর্তৃক বাধা প্রদান, নির্মাণ সামগ্রী নষ্ট এবং প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মুহাম্মদ রুহুল আমিন।

​আজ (১৩ এপ্রিল, ২০২৬) হোসেনপুর পৌর এলাকার ৫নং ওয়ার্ডের ঢেকিয়া এলাকায় এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মুহাম্মদ রুহুল আমিন (৫০)।

​লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, হোসেনপুর থানাধীন ঢেকিয়া সাকিনস্থ হনুমান তলা খাজা স্টুডিওর সামনে রাস্তার পশ্চিম পাশে নিজের ক্রয়কৃত জায়গায় তিন তলা ফাউন্ডেশনের বিল্ডিং নির্মাণ করছেন তিনি। নির্মাণের একপর্যায়ে প্রতিবেশীর টিনের চালে সামান্য বালু পড়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশি বৈঠক হয়।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, চালে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হলে রুহুল আমিন তা নতুন টিন দিয়ে মেরামত করে দেবেন।
এই সিদ্ধান্তে উভয় পক্ষ একমত হলেও পরবর্তীতে কাজ শুরু করলে প্রতিবেশী মোঃ আশরাফুল আলম (৪০) ও তার পুত্র মোঃ অনিক মিয়া কাজে বাধা প্রদান করেন।

​ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, গত ০১/০২/২০২৫ তারিখ থেকে বিবাদী পক্ষ প্লাস্টারের কাজে চরম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে আসছে। এতে দীর্ঘ সময় কাজ বন্ধ থাকায় প্রায় ১,২০,০০০ (এক লক্ষ বিশ হাজার) টাকার নির্মাণ সামগ্রী নষ্ট হয়েছে। বর্তমানে বৃষ্টির পানি প্লাস্টারবিহীন দেওয়াল দিয়ে বৈদ্যুতিক লাইনের ভেতরে প্রবেশ করায় শর্ট সার্কিট হয়ে যেকোনো সময় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড বা জানমালের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  গাইবান্ধায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা: মাদক, যানজট ও অপরাধ দমনে কঠোর সিদ্ধান্ত

​সংবাদ সম্মেলনে রুহুল আমিন আরও জানান, গত ২৫/০৩/২০২৬ তারিখে কাজ করার অনুরোধ জানালে বিবাদী পক্ষ তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং কাজ শুরু করলে দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি প্রদান করে। এ বিষয়ে স্থানীয় মেম্বারসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ একাধিকবার চেষ্টা করেও কোনো সমাধান করতে পারেননি।

​​সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে মুহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন,

​”আমি আমার নিজ কেনা সম্পত্তিতে বৈধভাবে ভবন নির্মাণ করছি। কিন্তু বিবাদী পক্ষের অযৌক্তিক বাধা ও হুমকির কারণে আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি এবং আমার আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। আমি প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি, যেন দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে আমাকে আমার ভবনের প্লাস্টারের কাজ সম্পন্ন করার পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া হয়।”
​এ সময় স্থানীয় সাক্ষী মোঃ সোহাগ মিয়া, আবু সাহিদ মেম্বার ও মোঃ শওকত আহমেদসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

বান্দরবানে উন্নয়ন ও সমন্বয় জোরদারে বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নিজের বিল্ডিংয়ের প্লাস্টার নির্মাণে বাধা ও হুমকির প্রতিবাদে হোসেনপুরে সংবাদ সম্মেলন

আপডেটের সময়: ০৫:৩৯:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

নিজের বিল্ডিংয়ের প্লাস্টার নির্মাণে বাধা ও হুমকির প্রতিবাদে হোসেনপুরে সংবাদ সম্মেল

​হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে নিজের বিল্ডিং এর কাজ নির্মাণ ও প্লাস্টারের কাজে প্রতিবেশী কর্তৃক বাধা প্রদান, নির্মাণ সামগ্রী নষ্ট এবং প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মুহাম্মদ রুহুল আমিন।

​আজ (১৩ এপ্রিল, ২০২৬) হোসেনপুর পৌর এলাকার ৫নং ওয়ার্ডের ঢেকিয়া এলাকায় এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মুহাম্মদ রুহুল আমিন (৫০)।

​লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, হোসেনপুর থানাধীন ঢেকিয়া সাকিনস্থ হনুমান তলা খাজা স্টুডিওর সামনে রাস্তার পশ্চিম পাশে নিজের ক্রয়কৃত জায়গায় তিন তলা ফাউন্ডেশনের বিল্ডিং নির্মাণ করছেন তিনি। নির্মাণের একপর্যায়ে প্রতিবেশীর টিনের চালে সামান্য বালু পড়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশি বৈঠক হয়।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, চালে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হলে রুহুল আমিন তা নতুন টিন দিয়ে মেরামত করে দেবেন।
এই সিদ্ধান্তে উভয় পক্ষ একমত হলেও পরবর্তীতে কাজ শুরু করলে প্রতিবেশী মোঃ আশরাফুল আলম (৪০) ও তার পুত্র মোঃ অনিক মিয়া কাজে বাধা প্রদান করেন।

​ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, গত ০১/০২/২০২৫ তারিখ থেকে বিবাদী পক্ষ প্লাস্টারের কাজে চরম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে আসছে। এতে দীর্ঘ সময় কাজ বন্ধ থাকায় প্রায় ১,২০,০০০ (এক লক্ষ বিশ হাজার) টাকার নির্মাণ সামগ্রী নষ্ট হয়েছে। বর্তমানে বৃষ্টির পানি প্লাস্টারবিহীন দেওয়াল দিয়ে বৈদ্যুতিক লাইনের ভেতরে প্রবেশ করায় শর্ট সার্কিট হয়ে যেকোনো সময় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড বা জানমালের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সিলেটের তামাবিল স্থল বন্দর এখনো ডেভিলদের নিয়ন্ত্রণে চলছে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি

​সংবাদ সম্মেলনে রুহুল আমিন আরও জানান, গত ২৫/০৩/২০২৬ তারিখে কাজ করার অনুরোধ জানালে বিবাদী পক্ষ তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং কাজ শুরু করলে দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি প্রদান করে। এ বিষয়ে স্থানীয় মেম্বারসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ একাধিকবার চেষ্টা করেও কোনো সমাধান করতে পারেননি।

​​সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে মুহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন,

​”আমি আমার নিজ কেনা সম্পত্তিতে বৈধভাবে ভবন নির্মাণ করছি। কিন্তু বিবাদী পক্ষের অযৌক্তিক বাধা ও হুমকির কারণে আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি এবং আমার আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। আমি প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি, যেন দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে আমাকে আমার ভবনের প্লাস্টারের কাজ সম্পন্ন করার পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া হয়।”
​এ সময় স্থানীয় সাক্ষী মোঃ সোহাগ মিয়া, আবু সাহিদ মেম্বার ও মোঃ শওকত আহমেদসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  পাঁচবিবিতে পূর্ব শত্রুতার জেরে নৃশংস হামলা, মৃত্যুর সাথে লড়ছেন কৃষক

​হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে নিজের বিল্ডিং এর কাজ নির্মাণ ও প্লাস্টারের কাজে প্রতিবেশী কর্তৃক বাধা প্রদান, নির্মাণ সামগ্রী নষ্ট এবং প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মুহাম্মদ রুহুল আমিন।

​আজ (১৩ এপ্রিল, ২০২৬) হোসেনপুর পৌর এলাকার ৫নং ওয়ার্ডের ঢেকিয়া এলাকায় এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মুহাম্মদ রুহুল আমিন (৫০)।

​লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, হোসেনপুর থানাধীন ঢেকিয়া সাকিনস্থ হনুমান তলা খাজা স্টুডিওর সামনে রাস্তার পশ্চিম পাশে নিজের ক্রয়কৃত জায়গায় তিন তলা ফাউন্ডেশনের বিল্ডিং নির্মাণ করছেন তিনি। নির্মাণের একপর্যায়ে প্রতিবেশীর টিনের চালে সামান্য বালু পড়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশি বৈঠক হয়।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, চালে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হলে রুহুল আমিন তা নতুন টিন দিয়ে মেরামত করে দেবেন।
এই সিদ্ধান্তে উভয় পক্ষ একমত হলেও পরবর্তীতে কাজ শুরু করলে প্রতিবেশী মোঃ আশরাফুল আলম (৪০) ও তার পুত্র মোঃ অনিক মিয়া কাজে বাধা প্রদান করেন।

​ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, গত ০১/০২/২০২৫ তারিখ থেকে বিবাদী পক্ষ প্লাস্টারের কাজে চরম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে আসছে। এতে দীর্ঘ সময় কাজ বন্ধ থাকায় প্রায় ১,২০,০০০ (এক লক্ষ বিশ হাজার) টাকার নির্মাণ সামগ্রী নষ্ট হয়েছে। বর্তমানে বৃষ্টির পানি প্লাস্টারবিহীন দেওয়াল দিয়ে বৈদ্যুতিক লাইনের ভেতরে প্রবেশ করায় শর্ট সার্কিট হয়ে যেকোনো সময় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড বা জানমালের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সুফলভোগীদের মাঝে ছাগল বিতরণ

​সংবাদ সম্মেলনে রুহুল আমিন আরও জানান, গত ২৫/০৩/২০২৬ তারিখে কাজ করার অনুরোধ জানালে বিবাদী পক্ষ তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং কাজ শুরু করলে দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি প্রদান করে। এ বিষয়ে স্থানীয় মেম্বারসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ একাধিকবার চেষ্টা করেও কোনো সমাধান করতে পারেননি।

​​সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে মুহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন,

​”আমি আমার নিজ কেনা সম্পত্তিতে বৈধভাবে ভবন নির্মাণ করছি। কিন্তু বিবাদী পক্ষের অযৌক্তিক বাধা ও হুমকির কারণে আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি এবং আমার আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। আমি প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি, যেন দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে আমাকে আমার ভবনের প্লাস্টারের কাজ সম্পন্ন করার পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া হয়।”
​এ সময় স্থানীয় সাক্ষী মোঃ সোহাগ মিয়া, আবু সাহিদ মেম্বার ও মোঃ শওকত আহমেদসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।