Dhaka ০৬:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
স্থায়ী যুদ্ধের অবসান চায় ইরান: উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী জনগণকে গর্জে উঠতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা মহিলা দলের সম্পাদিকা রওশন আরা  পাঁচ গ্রামের মানুষের ভরসা ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের কালবার্ট, শতবর্ষের ঐতিহ্য ধুঁকছে অব্যবস্থাপনায়: হোসেনপুর সরকারি পাইল্ট স্কুলের সোনালি দিন কি অতীত? গাইবান্ধায় মাদকের অভয়ারণ্য রুখতে প্রশাসনের চরম ব্যর্থতা: মৌলভীবাজারে আগ্নেয়াস্ত্র পাইপগান ও কুখ্যাত ডাকাত রুবেল সহ গ্রেফতার ৩ নড়িয়ায় জ’ন’দু’র্ভো’গ এড়াতে ইজারামুক্ত খেয়াঘাট মুছাপুরে ছাত্রদলের শিক্ষা উপকরণ বিতরন ইটাখোলা ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়ার অনুষ্ঠান

নলসিটিতে বিদ্যুৎপৃষ্টে আহত ফাতেমার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

বিশেষ প্রতিনিধিঃ দীর্ঘ সাতাশ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লরে আজ রবিবার বিকাল অনুঃ ৫:৪০ মিনিটে বিদ্যুৎপৃষ্ট ফাতেমার ঢাকা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে আই সি ইউ তে তার মৃত্যু হয়, গত ১৭ মার্চ মঙ্গলবার বিকেল ৫ঃ৩০ মিনিটে ইউনুস মিরার প্রথম কন্যা ফাতেমা বয়স ১০, বাড়ির পাশে ফুফা সাইদুল খান এর বাড়িতে ইফতারের দাওয়াতে অংশগ্রহণ করতে যায়, বিকালে ফুফার বাড়ির ছাদে শুকাতে দেয়া কাপর আনতে গিয়ে, ছাদের উপর থেকে যাওয়া হাইভোল্টেজ কাভার বিহীন পল্লী বিদ্যুতের তারে বিদ্যুৎ স্পর্শ হয়ে বামহাত, পিঠ ও কোমরের নিচে মারাত্মকভাবে পুড়ে ঝলসে যায়। ওই বাড়িতে থাকা ফুফু নার্গিস বেগম ফুফা সাইদুল খান সহ অন্যান্যরা দ্রুত বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায় কর্তব্যরত ডাক্তার ফাতেমার অবস্থা বেগতিক দেখে তাৎক্ষণিক তাদের ন্যাশনাল বার্ড ইনস্টিটিউট ঢাকায় রেফার করে।

আরও পড়ুনঃ  গাইবান্ধা সরকারি কলেজে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ বরণ

 

২২ মার্চ রবিবার সকাল ৯টায় কর্তব্যরত ডাক্তারদের সিদ্ধান্ত মতে ফাতেমার বাম হাতের কনুইয়ে উপরের অংশ হইতে নিচ পর্যন্ত কেটে ফেলা হয়।
ফাতেমার পিতা ইউনুস মিরা বরিশালে বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যাল এর সিকিউরিটি গার্ড হিসাবে কর্মরত ছিলেন মেয়ে ফাতেমার চিকিৎসার কারনে ঢাকায় হাসপাতালে থাকার কারনে তার সিকিউরিটি গার্ড এর চাকরিটা ও চলে যায়,
এদিকে গ্রামবাসীর প্রবল উত্তেজনার পরে নলসিটি জোনের পল্লী বিদ্যুতের এজিএম ঘটনাস্থলে যায় এবং পরবর্তীতে গত বুধবার ৮ ই এপ্রিল ২৬ ই তারিখে সাইদুল খানের বাড়ির ছাদের উপর থেকে একটি খাম্বার মাধ্যমে তার সরিয়ে দেয়, হাই ভোল্টেজ এর বিদ্যুৎ লাইন এবং বিদ্যুতের কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণে আজকে একটি শিশু বাচ্চার জীবন শেষ হয়ে গেল অসহায় ইউনুস মিরার চাকরি ও হারালো গরিব অসহায় ইউনুস মিরা দীর্ঘ এক মাস চিকিৎসার জন্য অনেক অর্থ ঋণ করে চিকিৎসা করিয়ে ও মেয়ে ফাতেমা কে বাচাতে পারলো না, আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হল, এলাকাবাসীর দাবী পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ ভুক্তভোগী ইউনুস মিরাকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুনঃ  ধামইরহাটে স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

স্থায়ী যুদ্ধের অবসান চায় ইরান: উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী

নলসিটিতে বিদ্যুৎপৃষ্টে আহত ফাতেমার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

আপডেটের সময়: ০৭:৫০:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধিঃ দীর্ঘ সাতাশ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লরে আজ রবিবার বিকাল অনুঃ ৫:৪০ মিনিটে বিদ্যুৎপৃষ্ট ফাতেমার ঢাকা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে আই সি ইউ তে তার মৃত্যু হয়, গত ১৭ মার্চ মঙ্গলবার বিকেল ৫ঃ৩০ মিনিটে ইউনুস মিরার প্রথম কন্যা ফাতেমা বয়স ১০, বাড়ির পাশে ফুফা সাইদুল খান এর বাড়িতে ইফতারের দাওয়াতে অংশগ্রহণ করতে যায়, বিকালে ফুফার বাড়ির ছাদে শুকাতে দেয়া কাপর আনতে গিয়ে, ছাদের উপর থেকে যাওয়া হাইভোল্টেজ কাভার বিহীন পল্লী বিদ্যুতের তারে বিদ্যুৎ স্পর্শ হয়ে বামহাত, পিঠ ও কোমরের নিচে মারাত্মকভাবে পুড়ে ঝলসে যায়। ওই বাড়িতে থাকা ফুফু নার্গিস বেগম ফুফা সাইদুল খান সহ অন্যান্যরা দ্রুত বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায় কর্তব্যরত ডাক্তার ফাতেমার অবস্থা বেগতিক দেখে তাৎক্ষণিক তাদের ন্যাশনাল বার্ড ইনস্টিটিউট ঢাকায় রেফার করে।

আরও পড়ুনঃ  বরিশালের হিজলায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ। 

 

২২ মার্চ রবিবার সকাল ৯টায় কর্তব্যরত ডাক্তারদের সিদ্ধান্ত মতে ফাতেমার বাম হাতের কনুইয়ে উপরের অংশ হইতে নিচ পর্যন্ত কেটে ফেলা হয়।
ফাতেমার পিতা ইউনুস মিরা বরিশালে বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যাল এর সিকিউরিটি গার্ড হিসাবে কর্মরত ছিলেন মেয়ে ফাতেমার চিকিৎসার কারনে ঢাকায় হাসপাতালে থাকার কারনে তার সিকিউরিটি গার্ড এর চাকরিটা ও চলে যায়,
এদিকে গ্রামবাসীর প্রবল উত্তেজনার পরে নলসিটি জোনের পল্লী বিদ্যুতের এজিএম ঘটনাস্থলে যায় এবং পরবর্তীতে গত বুধবার ৮ ই এপ্রিল ২৬ ই তারিখে সাইদুল খানের বাড়ির ছাদের উপর থেকে একটি খাম্বার মাধ্যমে তার সরিয়ে দেয়, হাই ভোল্টেজ এর বিদ্যুৎ লাইন এবং বিদ্যুতের কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণে আজকে একটি শিশু বাচ্চার জীবন শেষ হয়ে গেল অসহায় ইউনুস মিরার চাকরি ও হারালো গরিব অসহায় ইউনুস মিরা দীর্ঘ এক মাস চিকিৎসার জন্য অনেক অর্থ ঋণ করে চিকিৎসা করিয়ে ও মেয়ে ফাতেমা কে বাচাতে পারলো না, আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হল, এলাকাবাসীর দাবী পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ ভুক্তভোগী ইউনুস মিরাকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুনঃ  কক্সবাজারে টমটম গাড়ির মালিক ও চালকদের প্রতিবাদ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত