Dhaka ১০:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
১০ দিন হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকবে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুমার পলিকা পাড়ায় সাংগ্রাই উৎসবে জলকেলির আনন্দে মুখর পাহাড় গাইবান্ধায় অর্থ আত্মসাতের মিথ্যা অপবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন গ্রামাঞ্চলে তীব্র লোডশেডিং গরমে মানুষের হাঁসফাঁস বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ দেখতে গ্যালারিতে জাইমা রহমান সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার স্থায়ী যুদ্ধের অবসান চায় ইরান: উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী জনগণকে গর্জে উঠতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা মহিলা দলের সম্পাদিকা রওশন আরা  পাঁচ গ্রামের মানুষের ভরসা ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের কালবার্ট,

নলসিটিতে বিদ্যুৎপৃষ্টে আহত ফাতেমার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

বিশেষ প্রতিনিধিঃ দীর্ঘ সাতাশ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লরে আজ রবিবার বিকাল অনুঃ ৫:৪০ মিনিটে বিদ্যুৎপৃষ্ট ফাতেমার ঢাকা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে আই সি ইউ তে তার মৃত্যু হয়, গত ১৭ মার্চ মঙ্গলবার বিকেল ৫ঃ৩০ মিনিটে ইউনুস মিরার প্রথম কন্যা ফাতেমা বয়স ১০, বাড়ির পাশে ফুফা সাইদুল খান এর বাড়িতে ইফতারের দাওয়াতে অংশগ্রহণ করতে যায়, বিকালে ফুফার বাড়ির ছাদে শুকাতে দেয়া কাপর আনতে গিয়ে, ছাদের উপর থেকে যাওয়া হাইভোল্টেজ কাভার বিহীন পল্লী বিদ্যুতের তারে বিদ্যুৎ স্পর্শ হয়ে বামহাত, পিঠ ও কোমরের নিচে মারাত্মকভাবে পুড়ে ঝলসে যায়। ওই বাড়িতে থাকা ফুফু নার্গিস বেগম ফুফা সাইদুল খান সহ অন্যান্যরা দ্রুত বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায় কর্তব্যরত ডাক্তার ফাতেমার অবস্থা বেগতিক দেখে তাৎক্ষণিক তাদের ন্যাশনাল বার্ড ইনস্টিটিউট ঢাকায় রেফার করে।

আরও পড়ুনঃ  মুছাপুরে ছাত্রদলের শিক্ষা উপকরণ বিতরন

 

২২ মার্চ রবিবার সকাল ৯টায় কর্তব্যরত ডাক্তারদের সিদ্ধান্ত মতে ফাতেমার বাম হাতের কনুইয়ে উপরের অংশ হইতে নিচ পর্যন্ত কেটে ফেলা হয়।
ফাতেমার পিতা ইউনুস মিরা বরিশালে বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যাল এর সিকিউরিটি গার্ড হিসাবে কর্মরত ছিলেন মেয়ে ফাতেমার চিকিৎসার কারনে ঢাকায় হাসপাতালে থাকার কারনে তার সিকিউরিটি গার্ড এর চাকরিটা ও চলে যায়,
এদিকে গ্রামবাসীর প্রবল উত্তেজনার পরে নলসিটি জোনের পল্লী বিদ্যুতের এজিএম ঘটনাস্থলে যায় এবং পরবর্তীতে গত বুধবার ৮ ই এপ্রিল ২৬ ই তারিখে সাইদুল খানের বাড়ির ছাদের উপর থেকে একটি খাম্বার মাধ্যমে তার সরিয়ে দেয়, হাই ভোল্টেজ এর বিদ্যুৎ লাইন এবং বিদ্যুতের কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণে আজকে একটি শিশু বাচ্চার জীবন শেষ হয়ে গেল অসহায় ইউনুস মিরার চাকরি ও হারালো গরিব অসহায় ইউনুস মিরা দীর্ঘ এক মাস চিকিৎসার জন্য অনেক অর্থ ঋণ করে চিকিৎসা করিয়ে ও মেয়ে ফাতেমা কে বাচাতে পারলো না, আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হল, এলাকাবাসীর দাবী পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ ভুক্তভোগী ইউনুস মিরাকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুনঃ  মোংলার বৈদ্যমারী বাজারের নতুন ইজারাদার হিসেবে কার্যক্রম শুরু করলেন বাবুল হাওলাদার
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

১০ দিন হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকবে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নলসিটিতে বিদ্যুৎপৃষ্টে আহত ফাতেমার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

আপডেটের সময়: ০৭:৫০:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধিঃ দীর্ঘ সাতাশ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লরে আজ রবিবার বিকাল অনুঃ ৫:৪০ মিনিটে বিদ্যুৎপৃষ্ট ফাতেমার ঢাকা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে আই সি ইউ তে তার মৃত্যু হয়, গত ১৭ মার্চ মঙ্গলবার বিকেল ৫ঃ৩০ মিনিটে ইউনুস মিরার প্রথম কন্যা ফাতেমা বয়স ১০, বাড়ির পাশে ফুফা সাইদুল খান এর বাড়িতে ইফতারের দাওয়াতে অংশগ্রহণ করতে যায়, বিকালে ফুফার বাড়ির ছাদে শুকাতে দেয়া কাপর আনতে গিয়ে, ছাদের উপর থেকে যাওয়া হাইভোল্টেজ কাভার বিহীন পল্লী বিদ্যুতের তারে বিদ্যুৎ স্পর্শ হয়ে বামহাত, পিঠ ও কোমরের নিচে মারাত্মকভাবে পুড়ে ঝলসে যায়। ওই বাড়িতে থাকা ফুফু নার্গিস বেগম ফুফা সাইদুল খান সহ অন্যান্যরা দ্রুত বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায় কর্তব্যরত ডাক্তার ফাতেমার অবস্থা বেগতিক দেখে তাৎক্ষণিক তাদের ন্যাশনাল বার্ড ইনস্টিটিউট ঢাকায় রেফার করে।

আরও পড়ুনঃ  বরিশালের হিজলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে মা ছেলেসহ তিন জন আহ

 

২২ মার্চ রবিবার সকাল ৯টায় কর্তব্যরত ডাক্তারদের সিদ্ধান্ত মতে ফাতেমার বাম হাতের কনুইয়ে উপরের অংশ হইতে নিচ পর্যন্ত কেটে ফেলা হয়।
ফাতেমার পিতা ইউনুস মিরা বরিশালে বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যাল এর সিকিউরিটি গার্ড হিসাবে কর্মরত ছিলেন মেয়ে ফাতেমার চিকিৎসার কারনে ঢাকায় হাসপাতালে থাকার কারনে তার সিকিউরিটি গার্ড এর চাকরিটা ও চলে যায়,
এদিকে গ্রামবাসীর প্রবল উত্তেজনার পরে নলসিটি জোনের পল্লী বিদ্যুতের এজিএম ঘটনাস্থলে যায় এবং পরবর্তীতে গত বুধবার ৮ ই এপ্রিল ২৬ ই তারিখে সাইদুল খানের বাড়ির ছাদের উপর থেকে একটি খাম্বার মাধ্যমে তার সরিয়ে দেয়, হাই ভোল্টেজ এর বিদ্যুৎ লাইন এবং বিদ্যুতের কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণে আজকে একটি শিশু বাচ্চার জীবন শেষ হয়ে গেল অসহায় ইউনুস মিরার চাকরি ও হারালো গরিব অসহায় ইউনুস মিরা দীর্ঘ এক মাস চিকিৎসার জন্য অনেক অর্থ ঋণ করে চিকিৎসা করিয়ে ও মেয়ে ফাতেমা কে বাচাতে পারলো না, আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হল, এলাকাবাসীর দাবী পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ ভুক্তভোগী ইউনুস মিরাকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুনঃ  ‘পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়ার আগ পর্যন্ত মৌলভীবাজর শহরে পূর্বের ভাড়াই বহাল’