
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত বিতর্কিত নৌ-অবরোধের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেনি দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাজ্য। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিবিসি রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সাফ জানিয়ে দেন, আমরা এই অবরোধ সমর্থন করছি না। ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে ব্রিটেন কোনোভাবেই জড়িয়ে পড়বে না। বিশ্বের মোট তেলের ২০ শতাংশ পরিবাহিত হওয়া এই কৌশলগত জলপথটি উন্মুক্ত রাখা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অপরিহার্য উল্লেখ করে স্টারমার বলেন, হরমুজ প্রণালী পূর্ণাঙ্গভাবে সচল রাখা আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আমরা সেই লক্ষ্যেই কাজ করছি।
শুধু ব্রিটেনই নয়, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে ওয়াশিংটনের অন্য মিত্ররাও। স্পেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্গারিটা রোবেলস এই অবরোধকে ‘অর্থহীন’ বলে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে, ন্যাটোর সদস্য দেশ তুরস্ক আলোচনার মাধ্যমে এই সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে। তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, অবরোধ নয় বরং আলোচনার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালী দ্রুত উন্মুক্ত করা উচিত। মার্কিন আধিপত্যের বাইরে গিয়ে জলপথে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন। তিনি ঘোষণা করেছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ব্রিটেন ও ফ্রান্স যৌথভাবে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করবে। কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমেই এই যুদ্ধের স্থায়ী অবসান ঘটাতে হবে।
ইরানি তেলের অন্যতম বড় ক্রেতা ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী চীনও এই অবরোধের কড়া সমালোচনা করেছে। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, হরমুজ প্রণালী আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট। এর স্থিতিশীলতা বজায় রাখা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাধারণ স্বার্থের পরিপন্থী।
প্রতিবেদকের নাম 






















