Dhaka ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ভেদরগঞ্জে সরকারি দপ্তর প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা নিত্যবাজারে অস্থিরতা: বেড়েছে সবজি, মাছ ও মুরগির দাম পদযাত্রায় বাধা হামলা এনসিপির সংকট না সম্ভাবনা সংস্কারের বিপক্ষে দাঁড়ালে বিএনপির পতন হবে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও আইন-শৃঙ্খলার অবনতির প্রতিবাদে চট্টগ্রামে এনসিপির জনসভা মান্দায় প্রমিলা প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত উত্তরবঙ্গে সাশ্রয়ী বাহনের নতুন ঠিকানা আটোয়ারীতে জমজমাট মোটরসাইকেলের হাট জুলাই সবার, কারও একার নয়: ডা. শফিকুর রহমান রাজধানীতে অভিযানে ৪৬৪ ধারালো অস্ত্র উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনা অংশে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

জুলাই সবার, কারও একার নয়: ডা. শফিকুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জুলাই গণ-আন্দোলনের কৃতিত্ব কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের একার নয়, বরং এটি দেশের ১৮ কোটি মানুষের সম্মিলিত অর্জন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জুলাইয়ের শহীদরা কোনো দলের সম্পত্তি নন, তারা পুরো জাতির সম্পদ। তাই শহীদ ও আহতদের যথাযথ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, পুনর্বাসন এবং সম্মান নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আজ শুক্রবার (৩১ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলে বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ১ আগস্ট তৎকালীন সরকার অন্যায়ভাবে জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। তবে কয়েকদিনের মধ্যেই সেই সরকার ক্ষমতা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। জনগণের আন্দোলন এবং আল্লাহর ইচ্ছার কারণেই তা সম্ভব হয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ  হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলা, আহত সারজিস-নাসীরুদ্দীন

শফিকুর রহমান দাবি করেন, ২০২৪ সালের আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছে শ্রমিক সমাজ। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় এক হাজার ৪০০ শহীদের মধ্যে পেশাভিত্তিক হিসেবে শ্রমিকের সংখ্যাই বেশি। এরপর রয়েছেন ছাত্র ও সাধারণ জনগণ।
জামায়াত আমির বলেন, দেশে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি কমেনি, বরং বেড়েছে। পরিবহন শ্রমিকরা এখনও চাঁদাবাজদের নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মারধর, গাড়ি ভাঙচুরসহ নানা হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে। সরকারের একজন জ্যেষ্ঠ নেতাও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার কথা স্বীকার করেছেন। ব্যর্থতার দায় স্বীকারের পরও সরকারের ক্ষমতায় থাকার নৈতিক ভিত্তি থাকে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পরিবহন শ্রমিকদের ১২ দফা দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় এসব দাবি উত্থাপন করতে হচ্ছে। জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে জামায়াতে ইসলামী শ্রমিকদের পাশে থাকবে। জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব নিয়ে একক দাবি না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এটি কোনো একক দলের আন্দোলন ছিল না, পুরো জাতির আন্দোলন। আহত ও পঙ্গু হয়ে যাওয়া জুলাইযোদ্ধাদের পুনর্বাসন এবং সম্মান নিশ্চিত করতে হবে। গণভোটের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ যে রায় দিয়েছে, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী হলে সেই রায় মেনে নিতে হবে। জনগণের রায় অস্বীকার করা মানে জনগণকে অপমান করা। জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তার বিরোধিতা করা হবে। সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান, বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি কবির আহমদসহ অন্যান্য নেতারা।

আরও পড়ুনঃ  শেখ হাসিনা-আজিজ-বেনজীরসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ভেদরগঞ্জে সরকারি দপ্তর প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা

জুলাই সবার, কারও একার নয়: ডা. শফিকুর রহমান

আপডেটের সময়: ০৬:২২:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জুলাই গণ-আন্দোলনের কৃতিত্ব কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের একার নয়, বরং এটি দেশের ১৮ কোটি মানুষের সম্মিলিত অর্জন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জুলাইয়ের শহীদরা কোনো দলের সম্পত্তি নন, তারা পুরো জাতির সম্পদ। তাই শহীদ ও আহতদের যথাযথ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, পুনর্বাসন এবং সম্মান নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আজ শুক্রবার (৩১ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলে বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ১ আগস্ট তৎকালীন সরকার অন্যায়ভাবে জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। তবে কয়েকদিনের মধ্যেই সেই সরকার ক্ষমতা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। জনগণের আন্দোলন এবং আল্লাহর ইচ্ছার কারণেই তা সম্ভব হয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ  তাহিরপুরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশন, প্রেমিক পলাতক

শফিকুর রহমান দাবি করেন, ২০২৪ সালের আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছে শ্রমিক সমাজ। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় এক হাজার ৪০০ শহীদের মধ্যে পেশাভিত্তিক হিসেবে শ্রমিকের সংখ্যাই বেশি। এরপর রয়েছেন ছাত্র ও সাধারণ জনগণ।
জামায়াত আমির বলেন, দেশে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি কমেনি, বরং বেড়েছে। পরিবহন শ্রমিকরা এখনও চাঁদাবাজদের নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মারধর, গাড়ি ভাঙচুরসহ নানা হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে। সরকারের একজন জ্যেষ্ঠ নেতাও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার কথা স্বীকার করেছেন। ব্যর্থতার দায় স্বীকারের পরও সরকারের ক্ষমতায় থাকার নৈতিক ভিত্তি থাকে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পরিবহন শ্রমিকদের ১২ দফা দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় এসব দাবি উত্থাপন করতে হচ্ছে। জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে জামায়াতে ইসলামী শ্রমিকদের পাশে থাকবে। জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব নিয়ে একক দাবি না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এটি কোনো একক দলের আন্দোলন ছিল না, পুরো জাতির আন্দোলন। আহত ও পঙ্গু হয়ে যাওয়া জুলাইযোদ্ধাদের পুনর্বাসন এবং সম্মান নিশ্চিত করতে হবে। গণভোটের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ যে রায় দিয়েছে, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী হলে সেই রায় মেনে নিতে হবে। জনগণের রায় অস্বীকার করা মানে জনগণকে অপমান করা। জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তার বিরোধিতা করা হবে। সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান, বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি কবির আহমদসহ অন্যান্য নেতারা।

আরও পড়ুনঃ  ডিসির মানবিক ছোঁয়ায় হাসলেন শারীরিক প্রতিবন্ধী মারিয়া