Dhaka ১০:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সন্ত্রাসী হামলার বিচার দাবিতে মান্দায় বিএনপির মানববন্ধন বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়ায় র‍্যালি ও আলোচনা সভা শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলায় আকস্মিক পরিদর্শন ও অভিযান পরিচালনা করেছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী সরদার শাখাওয়াত হোসেন ফরিদপুর জুলাই দ্বিতীয় বার্ষিকীতে জামায়াতের গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত গণতন্ত্র শক্তিশালী হলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিও শক্তিশালী হবে: নাহিদ ইসলাম বাউফলে হানিট্র্যাপ চক্রের মূলহোতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ফটিকছড়িতে হতদরিদ্রদের মাঝে সবজি বীজ ও শুকনা খাবার বিতরণ টঙ্গীবাড়ি মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের পেছনের সরকারি জমি দখল হতে দেব নাঃ অ্যাডভোকেট মহসিন মিয়া বগুড়ায় গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের গণমিছিল ও সমাবেশ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া মুসলিমনগর এলাকায় চরম জলাবদ্ধতা ও ড্রেনেজ অব্যবস্থাপনা

নিত্যবাজারে অস্থিরতা: বেড়েছে সবজি, মাছ ও মুরগির দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। টানা বৃষ্টির প্রভাবে সরবরাহ কমে যাওয়ায় প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি মাছ, মুরগি, ডিম ও কাঁচা মরিচেরও দাম বেড়েছে। ফলে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ। আজ শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর কাপ্তান বাজার, রায়সাহেব বাজার ও কাওরান বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। ব্যবসায়ীরা জানান, অধিকাংশ সবজির দাম এখন ১০০ টাকার আশপাশে বা তারও বেশি। বরবটি ৯০ থেকে ১০০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বেগুন ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, কচুরলতি ৮০ টাকা, কাঁকরোল ১২০ টাকা, গাজর ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি শসা ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, টমেটো ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি এবং আকারভেদে লাউ ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। তারা জানান, সবচেয়ে বেশি দাম কাঁচা মরিচের। বাজারভেদে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ২৪০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বৃষ্টিতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং সরবরাহ কমে যাওয়ায় মরিচের দাম দ্রুত বেড়েছে। মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই।

আরও পড়ুনঃ  জুলাই সবার, কারও একার নয়: ডা. শফিকুর রহমান

 

মাঝারি আকারের রুই মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, কাতল ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা, চাষের শিং মাছ ৪৫০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং পাঙাশ ২২০ থেকে ২৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। চাষের চিংড়ি আকারভেদে ৯০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। রায়সাহেব বাজারের মাছ ব্যবসায়ী আজিজুল হক জানান, বিভিন্ন মোকাম থেকে মাছের সরবরাহ কমে যাওয়ায় গত এক সপ্তাহে বেশিরভাগ মাছের দাম ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। মুরগির বাজারেও বেড়েছে দাম। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফার্মের ডিমের ডজন ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সপ্তাহখানেক আগের তুলনায় ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি। অন্যদিকে, আলু ও দেশি পেঁয়াজের দামে তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি। জাতভেদে আলু ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। রায়সাহেব বাজারে বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী মো. মিনহাজুল ইসলাম বলেন, “প্রতিবার বাজারে এলেই নতুন দামের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সবজি, মাছ, ডিম সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় মাসের বাজেট ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। কাপ্তান বাজারে কেনাকাটা করতে আসা গৃহিণী রাবেয়া আক্তার বলেন, “আগে মাছের দাম বেশি থাকলে সবজি কিনে সংসার চালানো যেত। এখন সবজির দামও অনেক বেড়েছে। প্রয়োজনের সবকিছু কেনা সম্ভব হচ্ছে না।” একই বাজারের সবজি বিক্রেতা মো. আলমগীর বলেন, “টানা বৃষ্টিতে অনেক এলাকার সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আবার বিভিন্ন জেলা থেকে আগের মতো সবজি আসছে না। পাইকারি বাজারেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দামও কমে আসবে।

আরও পড়ুনঃ  ছাত্রদল ও যুবদলের চালানো হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি: সারজিস আলম
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সন্ত্রাসী হামলার বিচার দাবিতে মান্দায় বিএনপির মানববন্ধন

নিত্যবাজারে অস্থিরতা: বেড়েছে সবজি, মাছ ও মুরগির দাম

আপডেটের সময়: ০৬:৫৩:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। টানা বৃষ্টির প্রভাবে সরবরাহ কমে যাওয়ায় প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি মাছ, মুরগি, ডিম ও কাঁচা মরিচেরও দাম বেড়েছে। ফলে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ। আজ শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর কাপ্তান বাজার, রায়সাহেব বাজার ও কাওরান বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। ব্যবসায়ীরা জানান, অধিকাংশ সবজির দাম এখন ১০০ টাকার আশপাশে বা তারও বেশি। বরবটি ৯০ থেকে ১০০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বেগুন ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, কচুরলতি ৮০ টাকা, কাঁকরোল ১২০ টাকা, গাজর ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি শসা ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, টমেটো ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি এবং আকারভেদে লাউ ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। তারা জানান, সবচেয়ে বেশি দাম কাঁচা মরিচের। বাজারভেদে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ২৪০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বৃষ্টিতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং সরবরাহ কমে যাওয়ায় মরিচের দাম দ্রুত বেড়েছে। মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই।

আরও পড়ুনঃ  অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া নূরের চোখে আলো ফেরাতে জেলা প্রশাসক ফরিদার মানবিক সহায়তা

 

মাঝারি আকারের রুই মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, কাতল ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা, চাষের শিং মাছ ৪৫০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং পাঙাশ ২২০ থেকে ২৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। চাষের চিংড়ি আকারভেদে ৯০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। রায়সাহেব বাজারের মাছ ব্যবসায়ী আজিজুল হক জানান, বিভিন্ন মোকাম থেকে মাছের সরবরাহ কমে যাওয়ায় গত এক সপ্তাহে বেশিরভাগ মাছের দাম ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। মুরগির বাজারেও বেড়েছে দাম। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফার্মের ডিমের ডজন ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সপ্তাহখানেক আগের তুলনায় ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি। অন্যদিকে, আলু ও দেশি পেঁয়াজের দামে তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি। জাতভেদে আলু ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। রায়সাহেব বাজারে বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী মো. মিনহাজুল ইসলাম বলেন, “প্রতিবার বাজারে এলেই নতুন দামের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সবজি, মাছ, ডিম সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় মাসের বাজেট ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। কাপ্তান বাজারে কেনাকাটা করতে আসা গৃহিণী রাবেয়া আক্তার বলেন, “আগে মাছের দাম বেশি থাকলে সবজি কিনে সংসার চালানো যেত। এখন সবজির দামও অনেক বেড়েছে। প্রয়োজনের সবকিছু কেনা সম্ভব হচ্ছে না।” একই বাজারের সবজি বিক্রেতা মো. আলমগীর বলেন, “টানা বৃষ্টিতে অনেক এলাকার সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আবার বিভিন্ন জেলা থেকে আগের মতো সবজি আসছে না। পাইকারি বাজারেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দামও কমে আসবে।

আরও পড়ুনঃ  সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নে সরকারের বিলম্ব উচিত নয়: আহমেদ আবু জাফর