
হোসাইন মোহাম্মদ সবুজ, স্টাফ রিপোর্টার
কক্সবাজারের চকরিয়ায় সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে মুরগির খামারসহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। বন বিভাগের একাধিক অভিযানের পরও দখলদারিত্ব বন্ধ হচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের চুনতি রেঞ্জের আওতাধীন চকরিয়া হারবাং বনবিটের উত্তর হারবাং সেগুনবাগান সংলগ্ন বনভূমি ও সামাজিক বনায়নের জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখল চলছে। সেখানে বসতি, মুরগির খামারসহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক স্থাপনা গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, উত্তর হারবাংয়ের ভান্ডারির ডেবা এলাকায় কামাল ফকিরের ছেলে মোজাহের আহমদ সেগুনবাগান সংলগ্ন সংরক্ষিত বনভূমিতে বড় আকারের ঘর নির্মাণ করে মুরগির খামার স্থাপনের চেষ্টা করছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বন বিভাগের কার্যকর নজরদারির অভাবে বনভূমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের প্রবণতা বাড়ছে। এর পেছনে একটি দখলদার চক্র সক্রিয় রয়েছে বলেও দাবি তাদের। প্রতিবাদ করতে গেলে হামলা ও হয়রানির আশঙ্কায় অনেকে মুখ খুলতে সাহস পান না।
সচেতন মহলের আশঙ্কা, অবৈধ দখল ও স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ করা না গেলে সংরক্ষিত বনভূমি সংকুচিত হবে। এতে বনজ সম্পদ, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।
এ বিষয়ে চুনতি রেঞ্জ কর্মকর্তা আবির হাসান বলেন, “ওই এলাকায় একাধিকবার অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। বন বিভাগের লোকজন চলে আসার পর দখলদাররা আবারও স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করে। সেখানে দুটি গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বনকর্মীদের ওপর হামলার চেষ্টাও করে।”
তিনি আরও বলেন, “অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
প্রতিবেদকের নাম 



















