
এহসানুল আসিফ (মাসুম) লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি)অফিসও ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাদের অফিসগুলো এখন দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে।নামজারি (জমাখারিজ)ও নামজারির সইমোহর,মিস কেস,খাজনা সহ ভূমি সংক্রান্ত যে কোনো সমস্যা সমাধানে ঘুষ ছাড়া মেলে না কোনো সেবা।উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)নিগার সুলতানার নাম ভাঙিয়ে সিন্ডিকেট করে প্রতিনিয়ত টাকা নেন নাজির,নকিব হোসেন শান্ত।একই কর্মস্থলে ৩ বছরের বেশি থাকায় ডালপালা মেলেছে তার।ভূমি মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী একই কর্মস্থলে তিন বছর পূর্ণ হলেও এই নাজির-কাম-সার্টিফিকেট পেশকারসহ লক্ষ্মীপুর জেলার বিভিন্ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি হওয়ার কোনো লক্ষণ নেই।ঘুষের টাকা হাতানোর তাঁরা দালাল সিন্ডিকেট গঠন করেছেন বলে সরেজমিন ঘুরে এসে আমাদের এপ্রতিবেদক জানান।আরো জানা যায় দালালদের মাধ্যমে ঘুষের টাকা না দিলে মাসের পর মাস ফাইল পড়ে থাকে।আর দালালদের দায়িত্ব দিলে হরহামেশাই কাজ হয়ে যায়।একাধিক ভুক্তভোগী বলেন,অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে কারা প্রতিদিন অফিসে আসেন এবং নামজারি নথি করেন।নিজের নামজারি নিজে করতে গেলে হয় না।
অভিযোগ উঠেছে রায়পুর উপজেলার বিভিন্ন ভূমি অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সিন্ডিকেট তৈরি করে সরাসরি টাকা নিয়ে প্রায় ৭০% নামজারি সম্পন্ন করছেন।বাকি ২০% কাজ সম্পন্ন হচ্ছে বাইরের দালাল চক্রের মাধ্যমে।ফলে সাধারণ মানুষ চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং মাত্র ১০% ভুক্তভোগী নিজে উপস্থিত থেকে অনেক ভোগান্তি পেরিয়ে নিজেদের জমির কাজ করাতে পারছেন।অবৈধ উপায়ে নাজির কাম অফিস সহায়ক মনির চর আবাবিল ইউনিয়নের সফিউল্লাহর পুত্র আব্দুল মান্নান থেকে এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর করতে ডিসিআর ফি সহ ৩৭০০ টাকা এসিল্যান্ড নিগার সুলতানার কথা বলে টাকা নিয়েছেন তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের জানান।আরো একজন চর বংশীর নুর মোহাম্মদের পুত্র আবুল কালাম বলেন,তার কাছ থেকে ডিসিআর ফি সহ ৩৬০০ টাকা এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর করতে এসিল্যান্ড নিগার সুলতানার কথা টাকা নেয় মনির।এই টাকা নেওয়ার দুই জনের দুটি ভিডিও।গত ১০ মাস আগে ফেসবুকের একাধিক পেজে ভিডিওটি ভাইরাল হয়।এতে বদলি করা হয় মনিরকে।মনির জানান,আমি প্রতিটি ফাইলে ২০০ টাকা করে কমিশন পাই, আর বাকি টাকা এসিল্যান্ডসহ অফিসের সবাই ভাগ পায়।তার এই অপকর্মের জন্য অফিস সহায়ক মনির ১০ মাস আগে বদলি হওয়ার পর নাজিরের দায়িত্ব পান ২০২৩ সালে ১৩ আগস্ট যোগদানকারী সার্টিফিকেট পেশকার মো:নকিব হোসেন শান্ত।নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ভুক্তভোগী বলেন এতে কিছুদিন এই শান্ত ৩৭০০ টাকা করে এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর নেওয়া বাবদ হাতিয়ে নেন।এতে একাধিক পত্রিকায় রায়পুর ভূমি অফিসের কর্ম কর্তা -কর্মচারীদের দুর্নীতির নিউজ আসায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিগার সুলতানা ২৫ নভেম্বর ২০২৫ উপজেলা মাসিক সভায় CHANNEL HD24 দেখা যায় তিনি বলেন আজকে থেকে কোন ডিসিআর ফি ও ভূমি অফিসে কাটা হবেনা আবেদনকারী যেকোন কম্পিউটার দোকান থেকে ডিসিআর ফি জমা দিতে পারবে।এরপর থেকে ২৫০০ টাকা করে নেন কখনো ৩৭০০ টাকা কখনো এর চেয়েও বেশি টাকা ও নিয়ে থাকেন নকিব।এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে দক্ষিণ চর আবাবিল ইউনিয়ন এলাকার মো:হানিফ মিয়ার পুত্র আলমগীর হোসেন বলেন,আমি নামজারির জন্য এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর নিতে গেলে নাজির নকিব হোসেন শান্তের কাছে ফাইল থাকে এতে তিনি বলেন এসিল্যান্ড টাকা ছাড়া স্বাক্ষর করেন না।পরে কোনো উপায় না থাকায় নকিব হোসেন শান্তকে আমি ২৫০০ টাকা দিয়েছি পরে আমার নামজারি হয়েছে।উত্তর চর আবাবিল ইউনিয়নের বাসিন্দা রাজা মিয়ার ছেলে আমির হোসাইন বলেন তার জমি নামজারি করতে গেলে তহসিলদার,সার্ভেয়ারকে টাকা দিয়ে স্বাক্ষর করিয়ে নকিব হোসেন শান্ত কাছে গেলে তিনি বলেন টাকা ছাড়া এসিল্যান্ড স্বাক্ষর করে না।২৫০০ টাকা চান টাকা না দেওয়ায় উপরের বর্ণিত কারণে মিউটেশনের আবেদনটি নামঞ্জুর করা হলো এসিল্যান্ড নামজারিটি নামঞ্জুর করেন।চর বংশী ইউনিয়নে খলিল মিয়া বলেন আমি আমার নামজারি জমাখারিজের বিষয়ে এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর করতে গেলে ২৫০০ টাকা চান নকিব হোসেন শান্ত,টাকা না দেওয়ায় আমার নামজারি করেননি এবং আমার সঙ্গে রাগ হয়ে কথা বলেন।আমাকে হয়রানি করেছেন।নাম প্রকাশ না করার শর্তে অফিস সূত্রে জানা যায়,এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর করতে ৯৫% নামজারি আবেদন মঞ্জুর হওয়া ফাইল থেকে নকিব হোসেন শান্তের টেবিলে সর্বনিম্ন ২,৫০০ টাকা ঘুষ জমা না হলে,তা এসিল্যান্ড নিগার সুলতানার টেবিলে যায় না।এতে বিভিন্ন অজুহাতে নামজারি আবেদন নামঞ্জুর করে দেন এসিল্যান্ড।এর আগে কয়েকবার পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হওয়ায়, তিনি গণহারে নামজারি আবেদন নামঞ্জুর করে দিয়েছিলেন জানায় ভুক্তভোগীরা।একাধিক ভুক্তভোগী বলেন নকিব নাজিরের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে তার রাজত্ব ও দৌরাত্ম্য জনগণের জীবন দুর্বিষহ পর্যায়ে পৌঁছেছে।এতেকরে ভুক্তভোগীরা একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে অভিযোগ জানালেও কোনো কাজ হয়নি।পত্রিকায় নিউজ আসার পরেও নকিব হোসেন শান্তের ও সার্ভেয়ার সাজেদুলের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।ভূমি অফিসে প্রতিটি নামজারি (জমাখারিজ ) ফাইলে ২৫০০ টাকার কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই অফিসেরই একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য জানা গেছে।সূত্রমতে, প্রতিটি নামজারি ফাইল থেকে নির্দিষ্ট হারে মোট ২,৫০০ টাকা কমিশন আদায় করা হয়।আদায়কৃত এই অর্থ অফিসের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সাধারণ কর্মচারী পর্যন্ত একটি সুনির্দিষ্ট চেইন বা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ভাগবাটোয়ারা হয়।নথিপত্র ও সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী,এই অবৈধ কমিশনের টাকা যেভাবে বণ্টন করা হয় এসিল্যান্ড পান প্রতিটি ফাইল থেকে সিংহভাগ অর্থাৎ১,৫০০ টাকা।সার্ভেয়ার সাজেদুল পান ৫০০ টাকা।নকিব হোসেন শান্ত ফাইলের তদারকি ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য নকিব হোসেন শান্ত পান ২০০ টাকা।অন্যান্য কর্মচারী অবশিষ্ট ৩০০ টাকা অফিসের অন্য ৬ জন কর্মচারীর মধ্যে ৫০ টাকা করে সমান ভাগে বণ্টন করা হয় বলে জানা যায়।এবংনামজারি করতে গেলে সাবেক দাগে খাস আছে বলে এবং একই হাল দাগে সরকারি জমি থাকলে ১৫০০ হাজার থেকে ৫০হাজার টাকা হাতিয়ে নেন নকিব হোসেন শান্ত।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ভুক্তভোগী বলেন এসিল্যান্ডের কথা বলে নকিব হোসেন শান্ত তাঁর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।এই সংক্রান্ত একটি ভয়েস রেকর্ড তাঁর কাছে সংরক্ষিত আছে।এ ছাড়া নামজারি সইমোহর নিতে নেন ১,৫০০ থেকে ২,০০০ টাকা, মিস কেসে নেয় ১০ হাজার টাকা এই নকিব।আরও দেখা যায় একটি ভিডিও চিত্রে সার্ভেয়ার সাজেদুল ইসলাম একজন ভুক্তভোগীকে বলেন আমি আমার কাজ করে দিব কিন্তু স্যার টাকা ছাড়া স্বাক্ষর করবেন না এভাবে এসিল্যান্ড নিগার সুলতানার নাম ব্যবহার করে প্রতিনিয়ত টাকা নেন সার্ভেয়ার সাজেদুল।এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে উত্তর চর আবাবিল ইউনিয়নের তোফায়েল আহমেদের ছেলে সবুজ হোসেন বলেন, অভিযোগের পর সার্ভেয়ার সাজেদুল যখন নালিশি ভূমি তদন্তে আসেন তখন তিনি আমার কাছে টাকা দাবি করেন। তদন্তে আসায় প্রথমে তাকে ২,০০০ টাকা দিই। তখন সাজেদুল বলেন কী দিয়েছেন? টাকা আরও লাগবে।আমি টাকা নেই জানালে, তিনি আমাকে অফিসে এসে দেখা করতে বলেন।পরে আমি অফিসে গিয়ে সাজেদুলকে আরও ৫,০০০ টাকা দিই।এরপরেও তিনি আরও টাকা দাবি করেন। চাহিদামতো টাকা না দেওয়ায় তিনি কাজটি সমাধান করে দেননি।একাধিক ভুক্তভোগীর অভিযোগ,নামজারির (জমাখারিজ ) ফাইলে স্বাক্ষর করার জন্য সার্ভেয়ার সাজেদুল ইসলাম প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ থেকে ১,০০০ টাকা করে নিচ্ছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতিটি নামজারির ফাইলে স্বাক্ষর করাতে সর্বনিম্ন ৫০০ থেকে ১,০০০ টাকা জমা না দিলে ফাইল নাজিরের টেবিলে যায় না। দুর্নীতির মূল হোতা হিসেবে অভিযুক্ত এই সার্ভেয়ারকে গত ৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ঢাকা বিভাগে বদলি করা হলেও তিনি এখনো পূর্বের কর্মস্থলে বহাল তবিয়তে রয়েছেন এবং অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন।সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অফিস সময় নির্ধারিত থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসে। সম্প্রতি একটি ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে, নকিব হোসেন শান্তসহ ভূমি অফিসের একটি দালাল চক্র গভীর রাত পর্যন্ত সেখানে নিয়মিত অবস্থান করেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,নকিবসহ অফিসের প্রায় সব কর্মচারী রাত ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত সরকারি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে অবৈধ লেনদেন ও ঘুষ-বাণিজ্য চালিয়ে যান। এমনকি সরকারি ছুটির দিন শুক্র ও শনিবারেও অফিসে বসে এই সিন্ডিকেটের কার্যক্রম চলে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।রায়পুর উপজেলার একাধিক সেবা প্রত্যাশী এ প্রতিবেদকে জানান নামজারি করতে সরকারি খরচ ১১৭০ টাকা।কিন্তু বাড়তি ঘুষের টাকা না দিলে কাজ হয় না।নামজারি করতে প্রায় প্রতিটি ঘাটে ঘাটে ঘুষ দিতে হয়।উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি অফিস থেকে নামজারি করতে ৬-৮ হাজার টাকা নেয়।কিছু কিছু নামজারি করার ক্ষেত্রে লাখ টাকা ও আদায় করা হয়।অথচ সরকারি খাতে জমা হয় এক হাজার ১৭০ টাকা বাকি টাকা চলে যায় অসৎ কর্মকর্তা – কর্মচারীদের পকেটে।তারা এসিল্যান্ডের নাম ব্যবহার করে এই টাকা গ্রহণ করেন।নামজারি করতে হলে সরকারি খরচের টাকা বিকাশের মাধ্যমে জমা দেওয়ার কথা থাকলেও অফিস সহায়ক,সার্ভেয়ার,নাজির তহসিলদার সহ দায়িত্বপ্রাপ্তরা সিন্ডিকেট করে নিজের হাতে টাকা নেন।নিয়ম অনুযায়ী অফিসের কোনো কর্মচারীর হাতে টাকা সরাসরি টাকা নেয়ার সুযোগ নেই।রায়পুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে গরিব ও অসহায় মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।এই সিন্ডিকেটের হয়রানি ও অনিয়ম কবে বন্ধ হবে—তা জানতে চান চরম দুর্ভোগে থাকা সাধারণ জনগণ।ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের দাবি, প্রতিটি নামজারি (মিউটেশন) ফাইলেই আবেদনকারীর মোবাইল নম্বর দেওয়া থাকে। কর্তৃপক্ষ যদি সততার সাথে তদন্ত করতে চায়,তবে আবেদনকারীদের সরাসরি ফোন করলেই প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।নামজারি করতে গিয়ে কার কত টাকা অতিরিক্ত খরচ হয়েছে এবং তারা কতটা হয়রানির শিকার হয়েছেন,তা সহজেই জানা সম্ভব।অনুসন্ধানে জানা গেছে,নামজারির প্রতিটি ফাইলের নিচে ‘M, B, C, D’ সহ বিভিন্ন গোপন সংকেত এবং নাম লেখা থাকে।সচেতন মহলের অভিযোগ,এই সংকেতযুক্ত ফাইলগুলো মূলত ভূমি অফিসের দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং দালাল চক্রের মধ্যকার গোপন সমঝোতার প্রমাণ।সাধারণ মানুষ আরও অভিযোগ করেন,কার্যালয়ের বাইরে ক্যামেরা থাকলেও ভেতরের কক্ষগুলোতে কোনো সিসি ক্যামেরা নেই।ফলে আড়ালে বসেই চলছে সব অনিয়ম ও ঘুষের লেনদেন।ভূমি অফিসের সেবা ও কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে প্রতিটি কক্ষে দ্রুত সিসি ক্যামেরা স্থাপনের জোর দাবি জানিয়েছেন সাধারণ জনগণ।এই বিষয়ে অভিযুক্ত নকিব হোসেন শান্তর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলুন।এই বিষয়ে অভিযুক্ত সার্ভেয়ার সাজেদুলের কাছে উপরোক্ত অভিযোগগুলোর ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি পরে ফোন দেব এই বলে তিনি মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।উক্ত অভিযোগের বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিগার সুলতানা ছুটিতে থাকায় তাঁর কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।এদিকে,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহবুব হাসান বলেন টাকা নেওয়ার বিষয়ের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।উপরোক্ত বিষয়ে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার বলেন,আমি লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসককে বলবো তদন্ত করে যেন যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।এ বিষয়ে ভূমি সংস্কার বোর্ডের সচিব আমাদের প্রতিবেদককে জানান, ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রতিবেদকের নাম 


















