Dhaka ১০:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চিলমারীতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন। চকরিয়ায় বাস-প্রাইভেট কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২ মান্দায় ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ ধামইরহাটে লগি বৈঠা দিয়ে হত্যকারীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত। পত্নীতলায় ডিজিটাল লেনদেনের সচেতনতা বাড়াতে এসিবি ব্যাংকের মত বিনিময় সভা ফরিদগঞ্জে সাংবাদিক লাঞ্ছিত ॥ বিএনপির সংবাদ বর্জনের ঘোষণা রাজশাহীর পুঠিয়ায় আলোচিত হত্যা মামলার পলাতক আসামি স্বাধীনকে কুষ্টিয়া থেকে গ্রেপ্তার রক্তাত্ত ২৮ এ অক্টোবর পালিত হয়, জামায়াত ইসলামী কক্সবাজার শহর শাখা কুলাউড়ায় জামায়াতের পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস পালিত, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ লালপুরে অনলাইন জুয়া ও আইডি হ্যাকিং চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার, ৫টি মোবাইল জব্দ

ক্রেতা নেই নতুন টাকার আছে বিক্রেতা

জিহাদুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার: সারি সারি সাজানো রয়েছে নতুন টাকার বান্ডিল তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী ক্রেতা পাচ্ছেন না দোকানিরা। এদিকে মাঝে মধ্যে দুই-একজন ক্রেতা এলেও নতুন নোটের বান্ডিলের উচ্চমূল্যে আগ্রহ হারাচ্ছেন অনেকেই। আজ (সোমবার) রাজধানীর গুলিস্তানের সুন্দরবন স্কয়ার মার্কেটের সামনে দোকান মালিক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র দেখা গেছে সরেজমিন দেখা গেছে, গুলিস্তান সুন্দরবন স্কয়ার মার্কেটের সামনে সারি সারি বসেছে নতুন টাকা বিক্রির দোকান। একজন ক্রেতা গেলেই হাঁকডাক করছেন সব বিক্রেতা। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছেন দোকানিরা। দেখা গেছে, প্রতিটি পাঁচ টাকার বান্ডিলে রয়েছে পাঁচশত টাকা। এর প্রতিটি বান্ডিল নিতে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা অবধি। দশ টাকার প্রতিটি বান্ডিল বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৪০০ টাকা করে। ২০ টাকার বান্ডিলে ২ হাজার টাকা থাকলেও অতিরিক্ত ৪০০ টাকা গুনতে হচ্ছে। ৫০ টাকার বান্ডিলে ৫ হাজার টাকা থাকলেও ৫ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ১০০ টাকার নোটের বান্ডিল নিতেও দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। নতুন নোট বিক্রেতা রজব আলী বলেন, অন্য সময় ভালো বিক্রি হতো কিন্তু এবার ঈদে ক্রেতাই নেই। কেউ এলেও দাম শুনে চলে যাচ্ছে। বেচা-বিক্রি নেই একদম। সামনে বিক্রি হওয়ার খুব একটা সম্ভাবনাও নেই।

আরও পড়ুনঃ  এই সংসদের মূল্য দুই আনাও নেই ৫ বছর টিকবে কি না সন্দেহ: নাহিদ ইসলাম

লোকমান হোসেন নামের আরেক বিক্রেতা বলেন, সবাই আসে আর চলে যায়। বিক্রি তেমন হয় না। আমরাও তো কিনে আনি। বেশি দামে কিনতে হয় আমাদের। তাই বেচাও লাগে বেশি দামে। কিছুই করার নেই। এই করেই তো আমাদের সংসার চালাতে হয়। বউ-বাচ্চার মুখে খাবার যায়। নতুন নোট কিনতে আসা জুবায়ের আহমেদ বলেন, বাড়িতে বাচ্চাদের জন্য নতুন নোট কিনতে এসেছিলাম কিন্তু দাম অনেক। ১ হাজার টাকা নিলে কীভাবে অতিরিক্ত চারশত থেকে পাঁচশত টাকা নেয় বুঝে আসে না। এটা অন্যায্য। সুমন নামের আরেক ক্রেতা বলেন, নতুন নোট কিনতে এসেছিলাম। কিন্তু যে দাম তাতে কেনা হবে না। গলা কাটার মতো টাকা নিচ্ছে এরা।

আরও পড়ুনঃ  সালাহউদ্দিন সাহেব সব মন্ত্রণালয়ের পারদর্শী লোক: বিরোধীদলীয় নেতা
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

চিলমারীতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন।

ক্রেতা নেই নতুন টাকার আছে বিক্রেতা

আপডেটের সময়: ০৭:০৮:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

জিহাদুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার: সারি সারি সাজানো রয়েছে নতুন টাকার বান্ডিল তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী ক্রেতা পাচ্ছেন না দোকানিরা। এদিকে মাঝে মধ্যে দুই-একজন ক্রেতা এলেও নতুন নোটের বান্ডিলের উচ্চমূল্যে আগ্রহ হারাচ্ছেন অনেকেই। আজ (সোমবার) রাজধানীর গুলিস্তানের সুন্দরবন স্কয়ার মার্কেটের সামনে দোকান মালিক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র দেখা গেছে সরেজমিন দেখা গেছে, গুলিস্তান সুন্দরবন স্কয়ার মার্কেটের সামনে সারি সারি বসেছে নতুন টাকা বিক্রির দোকান। একজন ক্রেতা গেলেই হাঁকডাক করছেন সব বিক্রেতা। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছেন দোকানিরা। দেখা গেছে, প্রতিটি পাঁচ টাকার বান্ডিলে রয়েছে পাঁচশত টাকা। এর প্রতিটি বান্ডিল নিতে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা অবধি। দশ টাকার প্রতিটি বান্ডিল বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৪০০ টাকা করে। ২০ টাকার বান্ডিলে ২ হাজার টাকা থাকলেও অতিরিক্ত ৪০০ টাকা গুনতে হচ্ছে। ৫০ টাকার বান্ডিলে ৫ হাজার টাকা থাকলেও ৫ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ১০০ টাকার নোটের বান্ডিল নিতেও দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। নতুন নোট বিক্রেতা রজব আলী বলেন, অন্য সময় ভালো বিক্রি হতো কিন্তু এবার ঈদে ক্রেতাই নেই। কেউ এলেও দাম শুনে চলে যাচ্ছে। বেচা-বিক্রি নেই একদম। সামনে বিক্রি হওয়ার খুব একটা সম্ভাবনাও নেই।

আরও পড়ুনঃ  কেরানীগঞ্জে স্কুলশিক্ষিকা ডালিয়া আক্তার হত্যা: ৩ জন গ্রেফতার, ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন ​

লোকমান হোসেন নামের আরেক বিক্রেতা বলেন, সবাই আসে আর চলে যায়। বিক্রি তেমন হয় না। আমরাও তো কিনে আনি। বেশি দামে কিনতে হয় আমাদের। তাই বেচাও লাগে বেশি দামে। কিছুই করার নেই। এই করেই তো আমাদের সংসার চালাতে হয়। বউ-বাচ্চার মুখে খাবার যায়। নতুন নোট কিনতে আসা জুবায়ের আহমেদ বলেন, বাড়িতে বাচ্চাদের জন্য নতুন নোট কিনতে এসেছিলাম কিন্তু দাম অনেক। ১ হাজার টাকা নিলে কীভাবে অতিরিক্ত চারশত থেকে পাঁচশত টাকা নেয় বুঝে আসে না। এটা অন্যায্য। সুমন নামের আরেক ক্রেতা বলেন, নতুন নোট কিনতে এসেছিলাম। কিন্তু যে দাম তাতে কেনা হবে না। গলা কাটার মতো টাকা নিচ্ছে এরা।

আরও পড়ুনঃ  ধামরাইয়ে সরকারি খাল দখল করে ভূমি বাণিজ্য: এসিল্যান্ডের ১ দিনের আলটিমেটাম