Dhaka ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে তারাগঞ্জে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত নাগরপুরে দপ্তিয়র ইউপি চেয়ারম্যান পদে গণসংযোগে ব্যস্ত যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নবী একরাতে দশ খড়ের পালায় আগুন আতঙ্কে দিনাজপুরের তিন গ্রাম মথুরার কাঁচরাস্তা যেন এক মরণফাঁদ: চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী সৈয়দা রওশন আরা বেগম মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র পবিত্র বার্ষিক ওরশ শরীফ অনুষ্ঠিত গাজীপুরের কাশিমপুরে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে মানহানি করার অভিযোগ দশটি মসজিদে ৩০ লাখ টাকার অনুদান দিলেন এমপি অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম হাকিমপুরে মাদক সেবনের দায়ে নারীসহ চারজনের ছয় মাসের কারাদণ্ড প্রশ্ন ফাঁসের গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা হুঁশিয়ারি: জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের কুলিয়ারচরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম

২৪ ঘণ্টায় ১২৮.২ মিমি বৃষ্টি, তবু চট্টগ্রাম নগরে উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা নেই

তানবীরুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম:
টানা ভারী বর্ষণে গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসে ১২৮ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে অতি ভারী বৃষ্টির পরও নগরের কোথাও উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়নি। এতে বৃষ্টিজনিত কিছু দুর্ভোগ থাকলেও তীব্র গরম থেকে স্বস্তি পেয়েছেন নগরবাসী।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ সুমন সাহা জানান, সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর ১২টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ১২৮ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। একই সঙ্গে সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রয়েছে। ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কাও রয়েছে বলে জানান তিনি।
এদিকে, টানা বৃষ্টির মধ্যেও জলাবদ্ধতা এড়াতে রাতভর কাজ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। জলজটপ্রবণ এলাকাগুলোতে পানি দ্রুত নেমে যাওয়ার জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিশ্চিত করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  কুলাউড়ায় আসছেন এনসিপির নাহিদ, হাসনাত ও সজিব ভুঁইয়া

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় জানান, বৃষ্টির কারণে প্রকল্প এলাকায় যাতে পানি জমে না থাকে, সে লক্ষ্যে প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মাইন উদ্দিনকে সার্বক্ষণিক তদারকির নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে তিনি সেনাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত নিম্নাঞ্চলের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও পানি চলাচল পর্যবেক্ষণ করেন।
অন্যদিকে, চসিকের জনসংযোগ বিভাগ জানায়, টানা বৃষ্টির পরও নগরের কোথাও উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি রাতে নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করে পানি নিষ্কাশন পরিস্থিতি, খাল-নালা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার কার্যকারিতা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন।
চসিকের তথ্য অনুযায়ী, বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ফলে নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচল বজায় ছিল।
পরিদর্শন শেষে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্ত রাখতে চসিকের পরিচ্ছন্নতা ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরলসভাবে কাজ করছেন। খাল, নালা ও ড্রেন নিয়মিত পরিষ্কার এবং পানি প্রবাহ সচল রাখার ফলে সারাদিনের বৃষ্টির পরও নগরীতে কোনো উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়নি। এ অর্জন ধরে রাখতে নিয়মিত মনিটরিং ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।”

আরও পড়ুনঃ  নীলফামারীতে প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লীগের বিজয়ীদের সম্মাননা প্রদান

তিনি আরও বলেন, কোথাও যাতে পানি জমে মানুষের দুর্ভোগ না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি বর্ষাকালে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রামে ১২ ঘন্টায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আনসার ভিডিপি কর্মকর্তাসহ নিহত ৩
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে তারাগঞ্জে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত

২৪ ঘণ্টায় ১২৮.২ মিমি বৃষ্টি, তবু চট্টগ্রাম নগরে উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা নেই

আপডেটের সময়: ০১:১১:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

তানবীরুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম:
টানা ভারী বর্ষণে গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসে ১২৮ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে অতি ভারী বৃষ্টির পরও নগরের কোথাও উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়নি। এতে বৃষ্টিজনিত কিছু দুর্ভোগ থাকলেও তীব্র গরম থেকে স্বস্তি পেয়েছেন নগরবাসী।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ সুমন সাহা জানান, সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর ১২টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ১২৮ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। একই সঙ্গে সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রয়েছে। ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কাও রয়েছে বলে জানান তিনি।
এদিকে, টানা বৃষ্টির মধ্যেও জলাবদ্ধতা এড়াতে রাতভর কাজ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। জলজটপ্রবণ এলাকাগুলোতে পানি দ্রুত নেমে যাওয়ার জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিশ্চিত করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  ফরিদপুরে ৪ কেজি গাঁজাসহ সাগর আহমেদ নামের এক যুবক গ্রেফতার

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় জানান, বৃষ্টির কারণে প্রকল্প এলাকায় যাতে পানি জমে না থাকে, সে লক্ষ্যে প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মাইন উদ্দিনকে সার্বক্ষণিক তদারকির নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে তিনি সেনাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত নিম্নাঞ্চলের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও পানি চলাচল পর্যবেক্ষণ করেন।
অন্যদিকে, চসিকের জনসংযোগ বিভাগ জানায়, টানা বৃষ্টির পরও নগরের কোথাও উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি রাতে নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করে পানি নিষ্কাশন পরিস্থিতি, খাল-নালা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার কার্যকারিতা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন।
চসিকের তথ্য অনুযায়ী, বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ফলে নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচল বজায় ছিল।
পরিদর্শন শেষে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্ত রাখতে চসিকের পরিচ্ছন্নতা ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরলসভাবে কাজ করছেন। খাল, নালা ও ড্রেন নিয়মিত পরিষ্কার এবং পানি প্রবাহ সচল রাখার ফলে সারাদিনের বৃষ্টির পরও নগরীতে কোনো উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়নি। এ অর্জন ধরে রাখতে নিয়মিত মনিটরিং ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।”

আরও পড়ুনঃ  কাউনিয়ায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৪০

তিনি আরও বলেন, কোথাও যাতে পানি জমে মানুষের দুর্ভোগ না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি বর্ষাকালে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  নীলফামারীতে প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লীগের বিজয়ীদের সম্মাননা প্রদান