
নিজস্ব প্রতিবেদক, জৈন্তাপুর: জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের রুপচেং ও গোয়াবাড়ী এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে ফসলি জমি ধ্বংস, নদীর নাব্যতা হ্রাস এবং পরিবেশ বিপর্যয়ের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, বড়গাং নদী সংলগ্ন বিস্তীর্ণ আবাদি জমি ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বড়গাংয়ের ইজারাদারের পক্ষে পর্দার আড়ালে ‘অদৃশ্য ম্যানেজার’ হিসেবে কাজ করছেন সহকারী ইজারাদার ছিদ্দিক আহমদ। তাঁর নেতৃত্বেই নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন চলছে বলে এলাকাবাসীর ভাষ্য। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং পাশের ফসলি জমিতে ভাঙন ও বালুচাপা পড়ার ঘটনা ঘটছে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, বছরের পর বছর চাষাবাদ করা জমি এখন বালুর স্তূপে পরিণত হচ্ছে। বোরো ও সবজি চাষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নদী হারাচ্ছে তার স্বাভাবিক গভীরতা ও গতিপথ, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের পরিবেশগত ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্থানীয় গণমাধ্যম একাধিকবার সংবাদ প্রকাশ করলেও প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ চোখে পড়েনি। বরং তদন্তকাজে গেলে এক সাংবাদিকের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। আরও জানা যায়, সাবেক এক ওয়ার্ড সদস্যের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগিতায় আত্মীয়স্বজনের মাধ্যমে বালু উত্তোলনের কাজ পরিচালিত হচ্ছে—এমন অভিযোগও উঠেছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্থানীয়দের দাবি—অবিলম্বে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করতে হবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে নদীর স্বাভাবিক নাব্যতা ও পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা করছেন সচেতন
প্রতিবেদকের নাম 



















