Dhaka ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চট্টগ্রামে ৩০০ বছরের পুরোনো পূজামণ্ডপে প্রথমবার একসঙ্গে ডিসি-এসপি লামা পৌরসভা এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন মাইজভাণ্ডার শরীফে ২৭শে আশ্বিন খোশরোজ শরীফ পালিত স্বচ্ছতা ও সুশৃঙ্খলভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে আটোয়ারীতে প্রেস কনফারেন্স ধামরাইয়ে ছেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ বাবা, প্রশাসনকে খবর; যুবকের ২ মাসের কারাদণ্ড মির্জাপুরে অবৈধ কাভার্ডভ্যানে গ্যাস বিক্রি, মা সিএনজি স্টেশনের মালিকের ১ লাখ টাকা জরিমানা চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ডে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার, ৭ টন ইলিশ জব্দ কন্যাশিশুর স্বপ্নপূরণে সুযোগ দিন টাঙ্গাইলের সার্বিক উন্নয়নে  ডিসি আবু সাঈদের সাথে গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত এনসিটি: ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের দাবিতে বন্দর রক্ষা কমিটির অনশন

ছেলের জন্য পাত্রী দেখতে গিয়ে হানিট্র্যাপের শিকার বৃদ্ধ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দায় ছেলের জন্য পাত্রী দেখার কথা বলে এক বৃদ্ধকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ধারণ এবং সেগুলো প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি মো. জাকারিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মান্দা থানায় মামলা দায়েরের পরপরই অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মীর মো. আনোয়ার হোসেন (৬২) রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার বালিয়াপুকুর এলাকার বাসিন্দা। ছেলের জন্য পাত্রী দেখার কথা বলে পূর্বপরিচিত এক নারীর মাধ্যমে তাঁকে নওগাঁর মান্দা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের একটি বাড়িতে নেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেড পরিদর্শন করলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

 

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ওই বাড়িতে যাওয়ার পর জাকারিয়ার পরিকল্পনায় অন্য আসামিরা আনোয়ার হোসেনকে মারধর করেন। একপর্যায়ে এক নারী আসামির সঙ্গে তাঁকে জোরপূর্বক অশ্লীল ও নগ্ন ছবি-ভিডিও ধারণ করতে বাধ্য করা হয়। পরে ধারণ করা ছবি ও ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে তাঁর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। এ সময় ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এজাহার অনুযায়ী, চাঁদা দেওয়ার কথা বলে ভুক্তভোগীর স্বজনেরা ঘটনার দিন দুপুরে তাঁকে উদ্ধার করেন। পরে তাঁকে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। ঘটনার চার দিন পর রোববার ভুক্তভোগী মান্দা থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন।

আরও পড়ুনঃ  ফরিদগঞ্জ গৃদকালিন্দিয়া বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৪ দোকান পুড়ে ছাঁই

 

এর ভিত্তিতে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(১) ও ৮(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩৪২, ৩২৩, ৩৮৫, ৫০৬ ও ৩৪ ধারায় মামলা করা হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি জাকারিয়াকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার জাকারিয়ার বিরুদ্ধে এর আগে নওগাঁর মান্দা ও রাজশাহীর মোহনপুর থানায় আরও তিনটি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি জাকারিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই জালিয়াতি ও ব্ল্যাকমেলিং চক্রের অন্য সহযোগীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের জোর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

আরও পড়ুনঃ  দেবিদ্বারে পরিবেশ সুরক্ষায় আদর্শ সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে কৃষ্ণচূড়া গাছের চারা রোপণ
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

চট্টগ্রামে ৩০০ বছরের পুরোনো পূজামণ্ডপে প্রথমবার একসঙ্গে ডিসি-এসপি

ছেলের জন্য পাত্রী দেখতে গিয়ে হানিট্র্যাপের শিকার বৃদ্ধ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

আপডেটের সময়: ১০:১৮:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দায় ছেলের জন্য পাত্রী দেখার কথা বলে এক বৃদ্ধকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ধারণ এবং সেগুলো প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি মো. জাকারিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মান্দা থানায় মামলা দায়েরের পরপরই অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মীর মো. আনোয়ার হোসেন (৬২) রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার বালিয়াপুকুর এলাকার বাসিন্দা। ছেলের জন্য পাত্রী দেখার কথা বলে পূর্বপরিচিত এক নারীর মাধ্যমে তাঁকে নওগাঁর মান্দা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের একটি বাড়িতে নেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ  কাউনিয়ায় কাব স্কাউট ইউনিট লিডার বেসিক কোর্সের উদ্বোধন

 

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ওই বাড়িতে যাওয়ার পর জাকারিয়ার পরিকল্পনায় অন্য আসামিরা আনোয়ার হোসেনকে মারধর করেন। একপর্যায়ে এক নারী আসামির সঙ্গে তাঁকে জোরপূর্বক অশ্লীল ও নগ্ন ছবি-ভিডিও ধারণ করতে বাধ্য করা হয়। পরে ধারণ করা ছবি ও ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে তাঁর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। এ সময় ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এজাহার অনুযায়ী, চাঁদা দেওয়ার কথা বলে ভুক্তভোগীর স্বজনেরা ঘটনার দিন দুপুরে তাঁকে উদ্ধার করেন। পরে তাঁকে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। ঘটনার চার দিন পর রোববার ভুক্তভোগী মান্দা থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন।

আরও পড়ুনঃ  সাদুল্যাপুরে জমি নিয়ে বিরোধ, আসামি গ্রেপ্তার ও পরিবারের নিরাপত্তা দাবি বাদশা মিয়ার

 

এর ভিত্তিতে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(১) ও ৮(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩৪২, ৩২৩, ৩৮৫, ৫০৬ ও ৩৪ ধারায় মামলা করা হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি জাকারিয়াকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার জাকারিয়ার বিরুদ্ধে এর আগে নওগাঁর মান্দা ও রাজশাহীর মোহনপুর থানায় আরও তিনটি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি জাকারিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই জালিয়াতি ও ব্ল্যাকমেলিং চক্রের অন্য সহযোগীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের জোর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

আরও পড়ুনঃ  গাইবান্ধায় কন্যাশিশু দিবস-২০২৬ উদযাপন