Dhaka ০৪:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
তারাগঞ্জে ডিবি পুলিশের জোরদার অভিযান, হেরোইন ও ট্যাপেনটাডলসহ গ্রেপ্তার ২ বন্যাকবলিত সাতকানিয়ায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জামায়াত আমীর, ত্রাণ ও নগদ সহায়তা বিতরণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় বন্যা, ঘর-বাড়ি, কৃষির ব্যাপক ক্ষতি  সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোনের তত্ত্বাবধানে সাজেকে আটকে পড়া অবশিষ্ট সাড়ে ৪শত পর্যটক নিরাপদে ফিরল সাজেকে আটকে পড়া ৪২১ পর্যটক সেনাবাহিনী ও পুলিশের স্কটে নিরাপদে খাগড়াছড়ির পথে বাউফলে যাত্রীবাহী বাস খাদে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ইউএনও পানি, হাহাকার আর দীর্ঘশ্বাস: ছয় দিনের টানা বর্ষণে বিপর্যস্ত বাঁশখালী শ্রীপুরে দুই শিশুসন্তানকে বিষ পান করিয়ে মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা সমুদ্রে অসীম সাহসিকতার স্বীকৃতি: মর্যাদাপূর্ণ ‘আইএমও বীরত্ব পুরস্কার’ পাচ্ছেন চট্টগ্রাম বন্দরের ক্যাপ্টেন আসিফ মাছের প্রকল্পে স্লুইস গেইট বন্ধ, পানির নিচে গন্ডামারার কৃষকের স্বপ্ন ও ফসল

চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় বন্যা, ঘর-বাড়ি, কৃষির ব্যাপক ক্ষতি 

মোঃ সৈয়দ মিয়া, চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামে প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া, বাঁশখালী, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ উপজেলা। এর মধ্যে সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলায় প্রায় ৫০ শতাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে লাখ মানুষ। একই সাথে কৃষির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  নীলফামারীতে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের সমাপনী, প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদ ও ৫০ হাজার টাকার অনুদান

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপরিচালক আপ্রু মারমা জানিয়েছেন, এবারের বন্যায় প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রামে জেলায় আউশ আবাদ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ৬,৫৯১ হেক্টর, আমন বীজতলা নষ্ট হয়েছে ৫৬৫ হেক্টর এবং গ্রীষ্মকালীন সবজি নষ্ট হয়েছে ৪,১৬৭ হেক্টর।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাতকানিয়া আদালত, সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পৌরসভা ও থানায় বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। সাঙ্গু ও ডলুনদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  হাকিমপুরে মাদক সেবনের দায়ে নারীসহ চারজনের ছয় মাসের কারাদণ্ড

বন্যার কারণে উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ডলুনদী দিয়ে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের স্রোতের তোড়ে পৌরসভার রামপুর এলাকায় কয়েক শত ফুট বাঁধ ভেঙ্গে গেছে। বন্যা কবলিত এলাকার সব রাস্তা–ঘাট এখন পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

একই অবস্থা বাঁশখালী উপজেলাতেও। পানির কারণে এখানে অনেক কাঁচা ঘরবাড়ী ধসে পড়েছে। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে মানুষ। চন্দনাইশে উপজেলার ২টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল ডুবে অন্তত ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পাহাড়ি ঢলের পানিতে শঙ্খনদীর পানি বিপদ সীমা অতিক্রম করে উপজেলার বিভিন্ন অংশে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের অধীন সব কর্মকর্তা–কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  গাইবান্ধায় জলাবদ্ধতা, শহরবাসী চরম দুর্ভোগে
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

তারাগঞ্জে ডিবি পুলিশের জোরদার অভিযান, হেরোইন ও ট্যাপেনটাডলসহ গ্রেপ্তার ২

চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় বন্যা, ঘর-বাড়ি, কৃষির ব্যাপক ক্ষতি 

আপডেটের সময়: ০২:০৯:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

মোঃ সৈয়দ মিয়া, চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামে প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া, বাঁশখালী, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ উপজেলা। এর মধ্যে সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলায় প্রায় ৫০ শতাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে লাখ মানুষ। একই সাথে কৃষির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  চিলমারীতে নিয়মিত ভূমি নামজারী না হওয়ায় দলীল সম্পাদনে জনগনের ভোগান্তি

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপরিচালক আপ্রু মারমা জানিয়েছেন, এবারের বন্যায় প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রামে জেলায় আউশ আবাদ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ৬,৫৯১ হেক্টর, আমন বীজতলা নষ্ট হয়েছে ৫৬৫ হেক্টর এবং গ্রীষ্মকালীন সবজি নষ্ট হয়েছে ৪,১৬৭ হেক্টর।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাতকানিয়া আদালত, সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পৌরসভা ও থানায় বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। সাঙ্গু ও ডলুনদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোনের তত্ত্বাবধানে সাজেকে আটকে পড়া অবশিষ্ট সাড়ে ৪শত পর্যটক নিরাপদে ফিরল

বন্যার কারণে উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ডলুনদী দিয়ে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের স্রোতের তোড়ে পৌরসভার রামপুর এলাকায় কয়েক শত ফুট বাঁধ ভেঙ্গে গেছে। বন্যা কবলিত এলাকার সব রাস্তা–ঘাট এখন পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

একই অবস্থা বাঁশখালী উপজেলাতেও। পানির কারণে এখানে অনেক কাঁচা ঘরবাড়ী ধসে পড়েছে। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে মানুষ। চন্দনাইশে উপজেলার ২টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল ডুবে অন্তত ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পাহাড়ি ঢলের পানিতে শঙ্খনদীর পানি বিপদ সীমা অতিক্রম করে উপজেলার বিভিন্ন অংশে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের অধীন সব কর্মকর্তা–কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বৃষ্টির পানিতে ঈদগাঁওর অলিগলির সড়ক প্লাবিত জনদূভোগ চরমে