Dhaka ১২:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
১৪ই আগষ্ট থেকে শুরু হচ্ছে শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃ ফুটবল টুর্নামেন্ট জুলাই অভ্যুত্থান উপলক্ষে জেলা জামায়াতের গণমিছিল পূর্ব সমাবেশে জেলা আমীর আনোয়ারী ফরিদপুরে র‍্যাবেরর্অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র সহ অস্ত্রধারী যুবক গ্রেপ্তার সন্ত্রাসী হামলার বিচার দাবিতে মান্দায় বিএনপির মানববন্ধন বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়ায় র‍্যালি ও আলোচনা সভা শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলায় আকস্মিক পরিদর্শন ও অভিযান পরিচালনা করেছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী সরদার শাখাওয়াত হোসেন ফরিদপুর জুলাই দ্বিতীয় বার্ষিকীতে জামায়াতের গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত গণতন্ত্র শক্তিশালী হলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিও শক্তিশালী হবে: নাহিদ ইসলাম বাউফলে হানিট্র্যাপ চক্রের মূলহোতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ফটিকছড়িতে হতদরিদ্রদের মাঝে সবজি বীজ ও শুকনা খাবার বিতরণ

চট্টগ্রামে এস আলম গ্রুপের সব কারখানা বন্ধ ঘোষণা

মোঃ সৈয়দ মিয়া : চট্টগ্রাম ব্যুরো: কাঁচামালের সংকট, এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) জটিলতা ও আর্থিক সংকটের কারণে চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে এস আলম গ্রুপের সবকটি কারখানা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। গতকাল বৃহস্পতিবার এসব কারখানার শ্রমিকদের ছাঁটাই করা হয় এবং আজ শুক্রবার (৩১ জুলাই) থেকে কারখানাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। সারা দেশে এস আলমের অন্যান্য কারখানাতেও শ্রমিক ছাঁটাই করা হয়েছে বলে জানা গেছে কর্ণফুলীতে বন্ধ হওয়া কারখানাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো চিনি প্রক্রিয়াজাত কারখানা এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ, ইস্পাতের পাত প্রক্রিয়াজাত কারখানা এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস ও ইনফিনিটি সি আর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ, ঢেউটিনসহ ইস্পাতপণ্য তৈরির কারখানা এস আলম স্টিল, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস নফ, চেমন ইস্পাত ও গ্যালকো স্টিল, ব্যাগ তৈরির কারখানা এস আলম ব্যাগ লিমিটেড, এস আলম সিমেন্ট এবং এস আলম ভেজিটেবল অয়েল।

আরও পড়ুনঃ  রাজনৈতিক মামলায় শিবগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক মণ্ডল গ্রেপ্তার

 

এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ এক কর্মকর্তা জানান, কর্ণফুলীতে বন্ধ হয়ে যাওয়া ১১টি কারখানার মধ্যে চিনি প্রক্রিয়াজাত কারখানা এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজে স্থায়ী শ্রমিক-কর্মচারী রয়েছেন ৫০০ জন, আর অস্থায়ী শ্রমিক-কর্মচারী প্রায় ২০০। অন্যান্য কারখানায় সবমিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার শ্রমিক-কর্মচারী নিয়োজিত ছিল। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ব্যাংকের সহযোগিতা না পাওয়া এবং কাঁচামাল আমদানি করতে না পারায় একের পর এক শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটে। এসব কারখানায় আগে থেকে কিছু শ্রমিক ছাঁটাই করা হলেও কার্যক্রম একেবারে বন্ধ ছিল না। তবে এবারই শ্রমিক-কর্মচারী ছাঁটাইয়ের পর সবগুলো প্রতিষ্ঠান একেবারে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। জানতে চাইলে এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের ডিজিএম রফিকুল ইসলাম বলেন, কারখানায় সব ধরনের উৎপাদন বন্ধ। তাই কর্তৃপক্ষ চাইছেন কর্মরতরা ফিরে যাক।

আরও পড়ুনঃ  ১৪ই আগষ্ট থেকে শুরু হচ্ছে শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃ ফুটবল টুর্নামেন্ট
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

১৪ই আগষ্ট থেকে শুরু হচ্ছে শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃ ফুটবল টুর্নামেন্ট

চট্টগ্রামে এস আলম গ্রুপের সব কারখানা বন্ধ ঘোষণা

আপডেটের সময়: ০৯:১১:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

মোঃ সৈয়দ মিয়া : চট্টগ্রাম ব্যুরো: কাঁচামালের সংকট, এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) জটিলতা ও আর্থিক সংকটের কারণে চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে এস আলম গ্রুপের সবকটি কারখানা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। গতকাল বৃহস্পতিবার এসব কারখানার শ্রমিকদের ছাঁটাই করা হয় এবং আজ শুক্রবার (৩১ জুলাই) থেকে কারখানাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। সারা দেশে এস আলমের অন্যান্য কারখানাতেও শ্রমিক ছাঁটাই করা হয়েছে বলে জানা গেছে কর্ণফুলীতে বন্ধ হওয়া কারখানাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো চিনি প্রক্রিয়াজাত কারখানা এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ, ইস্পাতের পাত প্রক্রিয়াজাত কারখানা এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস ও ইনফিনিটি সি আর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ, ঢেউটিনসহ ইস্পাতপণ্য তৈরির কারখানা এস আলম স্টিল, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস নফ, চেমন ইস্পাত ও গ্যালকো স্টিল, ব্যাগ তৈরির কারখানা এস আলম ব্যাগ লিমিটেড, এস আলম সিমেন্ট এবং এস আলম ভেজিটেবল অয়েল।

আরও পড়ুনঃ  ভেদরগঞ্জে সরকারি দপ্তর প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা

 

এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ এক কর্মকর্তা জানান, কর্ণফুলীতে বন্ধ হয়ে যাওয়া ১১টি কারখানার মধ্যে চিনি প্রক্রিয়াজাত কারখানা এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজে স্থায়ী শ্রমিক-কর্মচারী রয়েছেন ৫০০ জন, আর অস্থায়ী শ্রমিক-কর্মচারী প্রায় ২০০। অন্যান্য কারখানায় সবমিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার শ্রমিক-কর্মচারী নিয়োজিত ছিল। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ব্যাংকের সহযোগিতা না পাওয়া এবং কাঁচামাল আমদানি করতে না পারায় একের পর এক শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটে। এসব কারখানায় আগে থেকে কিছু শ্রমিক ছাঁটাই করা হলেও কার্যক্রম একেবারে বন্ধ ছিল না। তবে এবারই শ্রমিক-কর্মচারী ছাঁটাইয়ের পর সবগুলো প্রতিষ্ঠান একেবারে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। জানতে চাইলে এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের ডিজিএম রফিকুল ইসলাম বলেন, কারখানায় সব ধরনের উৎপাদন বন্ধ। তাই কর্তৃপক্ষ চাইছেন কর্মরতরা ফিরে যাক।

আরও পড়ুনঃ  চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে আহত জুলাইযোদ্ধা সুজনের পরিবারের সাথে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ