Dhaka ১০:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চট্টগ্রামে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান ক্রীড়া উৎসব ফুটবল টুর্ণামেন্টে চ্যাম্পিয়ন গোসাইলডাঙ্গা যুবক গোষ্ঠী গণতন্ত্র রক্ষায় সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান: সমাজকল্যাণমন্ত্রী চট্টগ্রামে এস আলম গ্রুপের সব কারখানা বন্ধ ঘোষণা ভেদরগঞ্জে এমপি বরাদ্দের অফিস উদ্বোধন করলেন জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু সরিষাবাড়িতে পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরির সন্দেহে দুই জন আটক দেশে ধর্মের নামে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল ঈশ্বরদীতে পরিত্যক্ত অবস্থায় একনলা বন্দুক ও হাসুয়া উদ্ধার ভেদরগঞ্জে সরকারি দপ্তর প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা নিত্যবাজারে অস্থিরতা: বেড়েছে সবজি, মাছ ও মুরগির দাম পদযাত্রায় বাধা হামলা এনসিপির সংকট না সম্ভাবনা

চট্টগ্রামে এস আলম গ্রুপের সব কারখানা বন্ধ ঘোষণা

মোঃ সৈয়দ মিয়া : চট্টগ্রাম ব্যুরো: কাঁচামালের সংকট, এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) জটিলতা ও আর্থিক সংকটের কারণে চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে এস আলম গ্রুপের সবকটি কারখানা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। গতকাল বৃহস্পতিবার এসব কারখানার শ্রমিকদের ছাঁটাই করা হয় এবং আজ শুক্রবার (৩১ জুলাই) থেকে কারখানাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। সারা দেশে এস আলমের অন্যান্য কারখানাতেও শ্রমিক ছাঁটাই করা হয়েছে বলে জানা গেছে কর্ণফুলীতে বন্ধ হওয়া কারখানাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো চিনি প্রক্রিয়াজাত কারখানা এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ, ইস্পাতের পাত প্রক্রিয়াজাত কারখানা এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস ও ইনফিনিটি সি আর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ, ঢেউটিনসহ ইস্পাতপণ্য তৈরির কারখানা এস আলম স্টিল, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস নফ, চেমন ইস্পাত ও গ্যালকো স্টিল, ব্যাগ তৈরির কারখানা এস আলম ব্যাগ লিমিটেড, এস আলম সিমেন্ট এবং এস আলম ভেজিটেবল অয়েল।

আরও পড়ুনঃ  সলঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় আম ব্যবসায়ীর মৃত্যু, চালক পলাতক

 

এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ এক কর্মকর্তা জানান, কর্ণফুলীতে বন্ধ হয়ে যাওয়া ১১টি কারখানার মধ্যে চিনি প্রক্রিয়াজাত কারখানা এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজে স্থায়ী শ্রমিক-কর্মচারী রয়েছেন ৫০০ জন, আর অস্থায়ী শ্রমিক-কর্মচারী প্রায় ২০০। অন্যান্য কারখানায় সবমিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার শ্রমিক-কর্মচারী নিয়োজিত ছিল। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ব্যাংকের সহযোগিতা না পাওয়া এবং কাঁচামাল আমদানি করতে না পারায় একের পর এক শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটে। এসব কারখানায় আগে থেকে কিছু শ্রমিক ছাঁটাই করা হলেও কার্যক্রম একেবারে বন্ধ ছিল না। তবে এবারই শ্রমিক-কর্মচারী ছাঁটাইয়ের পর সবগুলো প্রতিষ্ঠান একেবারে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। জানতে চাইলে এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের ডিজিএম রফিকুল ইসলাম বলেন, কারখানায় সব ধরনের উৎপাদন বন্ধ। তাই কর্তৃপক্ষ চাইছেন কর্মরতরা ফিরে যাক।

আরও পড়ুনঃ  ফরিদপুর মধুখালী উপজেলাতে ১০৩ পিঢ ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

চট্টগ্রামে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান ক্রীড়া উৎসব ফুটবল টুর্ণামেন্টে চ্যাম্পিয়ন গোসাইলডাঙ্গা যুবক গোষ্ঠী

চট্টগ্রামে এস আলম গ্রুপের সব কারখানা বন্ধ ঘোষণা

আপডেটের সময়: ০৯:১১:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

মোঃ সৈয়দ মিয়া : চট্টগ্রাম ব্যুরো: কাঁচামালের সংকট, এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) জটিলতা ও আর্থিক সংকটের কারণে চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে এস আলম গ্রুপের সবকটি কারখানা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। গতকাল বৃহস্পতিবার এসব কারখানার শ্রমিকদের ছাঁটাই করা হয় এবং আজ শুক্রবার (৩১ জুলাই) থেকে কারখানাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। সারা দেশে এস আলমের অন্যান্য কারখানাতেও শ্রমিক ছাঁটাই করা হয়েছে বলে জানা গেছে কর্ণফুলীতে বন্ধ হওয়া কারখানাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো চিনি প্রক্রিয়াজাত কারখানা এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ, ইস্পাতের পাত প্রক্রিয়াজাত কারখানা এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস ও ইনফিনিটি সি আর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ, ঢেউটিনসহ ইস্পাতপণ্য তৈরির কারখানা এস আলম স্টিল, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস নফ, চেমন ইস্পাত ও গ্যালকো স্টিল, ব্যাগ তৈরির কারখানা এস আলম ব্যাগ লিমিটেড, এস আলম সিমেন্ট এবং এস আলম ভেজিটেবল অয়েল।

আরও পড়ুনঃ  আটোয়ারীতে ৪৫ দিনের ফ্যামিলি কার্ড শুমারির নিয়োগ ঘিরে তরুণদের দীর্ঘশ্বাস।

 

এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ এক কর্মকর্তা জানান, কর্ণফুলীতে বন্ধ হয়ে যাওয়া ১১টি কারখানার মধ্যে চিনি প্রক্রিয়াজাত কারখানা এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজে স্থায়ী শ্রমিক-কর্মচারী রয়েছেন ৫০০ জন, আর অস্থায়ী শ্রমিক-কর্মচারী প্রায় ২০০। অন্যান্য কারখানায় সবমিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার শ্রমিক-কর্মচারী নিয়োজিত ছিল। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ব্যাংকের সহযোগিতা না পাওয়া এবং কাঁচামাল আমদানি করতে না পারায় একের পর এক শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটে। এসব কারখানায় আগে থেকে কিছু শ্রমিক ছাঁটাই করা হলেও কার্যক্রম একেবারে বন্ধ ছিল না। তবে এবারই শ্রমিক-কর্মচারী ছাঁটাইয়ের পর সবগুলো প্রতিষ্ঠান একেবারে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। জানতে চাইলে এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের ডিজিএম রফিকুল ইসলাম বলেন, কারখানায় সব ধরনের উৎপাদন বন্ধ। তাই কর্তৃপক্ষ চাইছেন কর্মরতরা ফিরে যাক।

আরও পড়ুনঃ  শিশুদের মেধা বিকাশে শিল্পচর্চার কোনো বিকল্প নেই: চসিক মেয়র ডা: শাহাদাত হোসেন