Dhaka ১০:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
জীবিকার সন্ধানে ঢাকায় গিয়ে ফিরলেন লাশ হয়ে, কাঁদছে নবাবগঞ্জ ১০৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা ডিবি দক্ষিণ পুলিশ ভেদরগঞ্জে সচেতন মা, আপনি সেরা মা—শ্রেষ্ঠ অভিভাবক পুরস্কার ২০২৬ ধামইরহাটে মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আল-কুরআনবিরোধী সংবিধানই সমাজ ও রাষ্ট্রের মূল সমস্যা: ইসলামী সমাজ লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত ভয়ে থমকে আছে গাজীপুরে বন উদ্ধার পত্নীতলায় মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে পুলিশ পলাশবাড়ীতে পুকুরে বিষ প্রয়োগে ৩ লক্ষ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার ভারতের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে

কোনাবাড়ীর জরুনে প্রকাশ্যে দেহ ব্যবসার অভিযোগ, পুলিশের নীরবতায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের কোনাবাড়ী মেট্রো থানার আওতাধীন জরুন বাজার এলাকার জমিদারের ইটখোলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে দেহ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, পারভীন সুলতানা ওরফে শাহানাজ নামের এক নারী কিছু অসাধু ব্যক্তির ছত্রছায়ায় এলাকায় রমরমা দেহ ব্যবসার সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। অথচ বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতা এখন জনমনে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ভাড়া বাসাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে অসামাজিক কার্যকলাপের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক। এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে সেখানে নিয়মিতভাবে ৫ থেকে ৭ জন নারীকে দিয়ে অবৈধ দেহ ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, প্রশাসনের নাকের ডগায় বছরের পর বছর এমন কর্মকাণ্ড চললেও দৃশ্যমান কোনো অভিযান বা কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয়। এমনকি কিছু সাংবাদিককে ফোন করে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, ওই এলাকার আশপাশেই রয়েছে স্কুল, মাদরাসা, মসজিদ ও ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকা। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এমন পরিবেশে প্রকাশ্যে দেহ ব্যবসা চলতে থাকায় যুব সমাজ বিপথগামী হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অভিভাবকরাও সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয়দের দাবি, একাধিকবার মৌখিক ও লিখিতভাবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে প্রশ্ন উঠেছে—কোন শক্তির প্রভাবে শাহানাজ দীর্ঘদিন ধরে এমন অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে এবং কেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নীরব ভূমিকা পালন করছে।
সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, শিল্পাঞ্চল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ গাজীপুর অঞ্চলে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে সামাজিক অবক্ষয়ের পাশাপাশি মাদক, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অপরাধও বৃদ্ধি পেতে পারে। তারা দ্রুত তদন্ত করে অভিযুক্ত শাহানাজ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে এলাকার সামাজিক পরিবেশ রক্ষা ও জনমনে আস্থা ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।এ বিষয়ে কোনাবাড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ খন্দকার জালাল উদ্দিন মাহমুদ কাছে জানতে চাইলে তুমি বলেন নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তোর আইনগত ব্যবস্থা নিবে বলে জানিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  দিনাজপুরে পিকআপ-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে ১ জন নিহত
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

জীবিকার সন্ধানে ঢাকায় গিয়ে ফিরলেন লাশ হয়ে, কাঁদছে নবাবগঞ্জ

কোনাবাড়ীর জরুনে প্রকাশ্যে দেহ ব্যবসার অভিযোগ, পুলিশের নীরবতায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

আপডেটের সময়: ০২:৫৩:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের কোনাবাড়ী মেট্রো থানার আওতাধীন জরুন বাজার এলাকার জমিদারের ইটখোলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে দেহ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, পারভীন সুলতানা ওরফে শাহানাজ নামের এক নারী কিছু অসাধু ব্যক্তির ছত্রছায়ায় এলাকায় রমরমা দেহ ব্যবসার সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। অথচ বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরবতা এখন জনমনে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ভাড়া বাসাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে অসামাজিক কার্যকলাপের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক। এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে সেখানে নিয়মিতভাবে ৫ থেকে ৭ জন নারীকে দিয়ে অবৈধ দেহ ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, প্রশাসনের নাকের ডগায় বছরের পর বছর এমন কর্মকাণ্ড চললেও দৃশ্যমান কোনো অভিযান বা কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয়। এমনকি কিছু সাংবাদিককে ফোন করে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, ওই এলাকার আশপাশেই রয়েছে স্কুল, মাদরাসা, মসজিদ ও ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকা। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এমন পরিবেশে প্রকাশ্যে দেহ ব্যবসা চলতে থাকায় যুব সমাজ বিপথগামী হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অভিভাবকরাও সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয়দের দাবি, একাধিকবার মৌখিক ও লিখিতভাবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে প্রশ্ন উঠেছে—কোন শক্তির প্রভাবে শাহানাজ দীর্ঘদিন ধরে এমন অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে এবং কেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নীরব ভূমিকা পালন করছে।
সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, শিল্পাঞ্চল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ গাজীপুর অঞ্চলে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে সামাজিক অবক্ষয়ের পাশাপাশি মাদক, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অপরাধও বৃদ্ধি পেতে পারে। তারা দ্রুত তদন্ত করে অভিযুক্ত শাহানাজ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে এলাকার সামাজিক পরিবেশ রক্ষা ও জনমনে আস্থা ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।এ বিষয়ে কোনাবাড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ খন্দকার জালাল উদ্দিন মাহমুদ কাছে জানতে চাইলে তুমি বলেন নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তোর আইনগত ব্যবস্থা নিবে বলে জানিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  আটোয়ারীতে ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন