Dhaka ০৪:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
গোবিন্দগঞ্জে হেরোইন-ইয়াবাসহ আবারও গ্রেপ্তার মাদক ব্যবসায়ী রাসেল ফরিদপুরে পল্লী বিদ্যুতের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযান, সংযোগ বিচ্ছিন্ন ১ কুলাউড়ায় বিদ্যুৎ চুরি করে চলছিলো অটোরিকশা চার্জিং স্টেশন, বড় অঙ্কের মামলা *চকরিয়া সরকারি কলেজের যাত্রী ছাউনির পিছন থেকে দেশীয় একনলা বন্দুক উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১৫ লামায় ৩ দিনে পাহাড় কাটা বন্ধের আলটিমেটাম হাইকোর্টের, প্রয়োজনে নামবে সেনাবাহিনী নগরকান্দায় প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছেন ওসি রাসুল সামদানী আজাদ রাজশাহীতে চুরি হওয়া ব্যাটারিচালিত ভ্যান ৭২ ঘণ্টায় উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ নজিপুরে ওষুধ বিক্রয়ে সচেতনতা বাড়াতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধুনটে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ধর্ষণ মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ১২, ইয়াবা উদ্ধার ভালোবেসে বিয়ে দেড় বছর পরে গৃহবধূর আত্মহত্যা

ওষুধের ৩ কোটি টাকা গায়েব? বান্দরবানে স্বাস্থ্য খাতে অর্থ লোপাটের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে

মাসুদ রানা মাসুম পার্বত্য ব্যুরো:  বান্দরবান পার্বত্য জেলার স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দকৃত ওষুধের সরকারি টাকা নিয়ে এক বিশাল অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। জেলা সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে বরাদ্দকৃত ৪ কোটি টাকার বিপরীতে মাত্র ১ কোটি টাকার ওষুধ ক্রয় করে, অবশিষ্ট ৩ কোটি টাকা বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের মাধ্যমে ভুয়া বা নিয়মবহির্ভূতভাবে উত্তোলন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এই মহা-অনিয়মের সত্যতা যাচাইয়ে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ। ১জুলাই (বুধবার) সকাল ১১টা থেকে সিভিল সার্জন কার্যালয় ও সদর হাসপাতালে এই তদন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হবে।​অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ২৯ জুন ২০২৬ তারিখে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে একটি জরুরি চিঠির (স্মারক নং- ২৯.০০.০০০০.২১৪.০৮.২২.১৫২) মাধ্যমে এই গুরুতর অনিয়মের বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরই প্রেক্ষিতে ৩০ জুন ২০২৬ (১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি দাপ্তরিক চিঠি (স্মারক নং- ২৯.৩৫.০৩০০.০০০.০৩.৪৪.০৩৭.২৪.১০৫০) সরাসরি বান্দরবানের সিভিল সার্জন কাম তত্ত্বাবধায়ক বরাবর পাঠানো হয়েছে। ​চিঠির বিবরণ অনুযায়ী, বান্দরবান পার্বত্য জেলার সিভিল সার্জন কর্তৃক ৪ কোটি টাকার ওষুধ ক্রয়ের বিপরীতে ১ কোটি টাকার ওষুধ ক্রয় করে অবশিষ্ট ৩ কোটি টাকা জেলা পরিষদের মাধ্যমে উত্তোলনের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ৫ সদস্যের এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও সিভিল সার্জনকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। ​

আরও পড়ুনঃ  নবাবগঞ্জে আনসার-ভিডিপির তালগাছ রোপণ কর্মসূচি

 

এই চিঠির অনুলিপি কার্যার্থে ও জ্ঞাতার্থে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা, পরিবার পরিকল্পনার উপপরিচালক, জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী, হিসাব ও নিরীক্ষা কর্মকর্তা এবং জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সিএ-সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়েছে।এ বিষয়ে নাম মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম জেলা পরিষদের মূখানির্বাহী কর্মকর্তা কর্মকর্তা জানান, “ওষুধ ক্রয়ের মতো সংবেদনশীল খাতে এত বড় অঙ্কের টাকা লোপাটের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। মন্ত্রণালয়ের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে, তাই তদন্ত কমিটি অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে পুরো নথিপত্র এবং গুদামের ওষুধের স্টক যাচাই করবে। কোনো ধরনের অনিয়ম প্রমাণিত হলে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” ​এদিকে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার জন্য বরাদ্দকৃত ওষুধের টাকা এভাবে নয়ছয় করার খবরে স্থানীয় সচেতন মহল সোশ্যাল মিডিয়াতেও চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। আজ সকাল ১১টায় তদন্ত কমিটির হাসপাতাল পরিদর্শনের দিকেই এখন সবার নজর।

আরও পড়ুনঃ  কুলাউড়ায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও এম সাইফুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে আলোচনা সভা
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

গোবিন্দগঞ্জে হেরোইন-ইয়াবাসহ আবারও গ্রেপ্তার মাদক ব্যবসায়ী রাসেল

ওষুধের ৩ কোটি টাকা গায়েব? বান্দরবানে স্বাস্থ্য খাতে অর্থ লোপাটের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে

আপডেটের সময়: ১১:২০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

মাসুদ রানা মাসুম পার্বত্য ব্যুরো:  বান্দরবান পার্বত্য জেলার স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দকৃত ওষুধের সরকারি টাকা নিয়ে এক বিশাল অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। জেলা সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে বরাদ্দকৃত ৪ কোটি টাকার বিপরীতে মাত্র ১ কোটি টাকার ওষুধ ক্রয় করে, অবশিষ্ট ৩ কোটি টাকা বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের মাধ্যমে ভুয়া বা নিয়মবহির্ভূতভাবে উত্তোলন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এই মহা-অনিয়মের সত্যতা যাচাইয়ে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ। ১জুলাই (বুধবার) সকাল ১১টা থেকে সিভিল সার্জন কার্যালয় ও সদর হাসপাতালে এই তদন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হবে।​অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ২৯ জুন ২০২৬ তারিখে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে একটি জরুরি চিঠির (স্মারক নং- ২৯.০০.০০০০.২১৪.০৮.২২.১৫২) মাধ্যমে এই গুরুতর অনিয়মের বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরই প্রেক্ষিতে ৩০ জুন ২০২৬ (১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি দাপ্তরিক চিঠি (স্মারক নং- ২৯.৩৫.০৩০০.০০০.০৩.৪৪.০৩৭.২৪.১০৫০) সরাসরি বান্দরবানের সিভিল সার্জন কাম তত্ত্বাবধায়ক বরাবর পাঠানো হয়েছে। ​চিঠির বিবরণ অনুযায়ী, বান্দরবান পার্বত্য জেলার সিভিল সার্জন কর্তৃক ৪ কোটি টাকার ওষুধ ক্রয়ের বিপরীতে ১ কোটি টাকার ওষুধ ক্রয় করে অবশিষ্ট ৩ কোটি টাকা জেলা পরিষদের মাধ্যমে উত্তোলনের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ৫ সদস্যের এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও সিভিল সার্জনকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। ​

আরও পড়ুনঃ  লন্ডন ইংলিশ স্কুলের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব: সন্ত্রাসী হামলা, আতঙ্কিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা

 

এই চিঠির অনুলিপি কার্যার্থে ও জ্ঞাতার্থে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা, পরিবার পরিকল্পনার উপপরিচালক, জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী, হিসাব ও নিরীক্ষা কর্মকর্তা এবং জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সিএ-সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়েছে।এ বিষয়ে নাম মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম জেলা পরিষদের মূখানির্বাহী কর্মকর্তা কর্মকর্তা জানান, “ওষুধ ক্রয়ের মতো সংবেদনশীল খাতে এত বড় অঙ্কের টাকা লোপাটের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। মন্ত্রণালয়ের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে, তাই তদন্ত কমিটি অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে পুরো নথিপত্র এবং গুদামের ওষুধের স্টক যাচাই করবে। কোনো ধরনের অনিয়ম প্রমাণিত হলে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” ​এদিকে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার জন্য বরাদ্দকৃত ওষুধের টাকা এভাবে নয়ছয় করার খবরে স্থানীয় সচেতন মহল সোশ্যাল মিডিয়াতেও চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। আজ সকাল ১১টায় তদন্ত কমিটির হাসপাতাল পরিদর্শনের দিকেই এখন সবার নজর।

আরও পড়ুনঃ  রাজধানী ঢাকা ঘিরে অবৈধ ৭৫০ ইটভাটা