Dhaka ১২:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
তোড়িয়া বারোঘাটিতে নসিমন (ভটভটি) ধাক্কায় মৃত্যু ধুনটে ব্রাদার উইলিয়ামের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত শার্শায় পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ দক্ষিণ গফরগাঁও কান্দিপাড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ভৈরবে আকবরনগর-মিরারচর সংঘর্ষ বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলার তদন্ত পিবিআই’র হাতে ভাঙ্গুড়ায় পারিবারিক বিরোধের জেরে মারামারি, আহত ২ ধামরাইয়ে মসজিদের ইমামদের সড়ক নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ ধুনটে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত উলিপুরে অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে ১ লাখ টাকা জরিমানা কাউনিয়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

নিত্যবাজারে অস্থিরতা: বেড়েছে সবজি, মাছ ও মুরগির দাম

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:৫৩:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • ১৩০ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। টানা বৃষ্টির প্রভাবে সরবরাহ কমে যাওয়ায় প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি মাছ, মুরগি, ডিম ও কাঁচা মরিচেরও দাম বেড়েছে। ফলে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ। আজ শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর কাপ্তান বাজার, রায়সাহেব বাজার ও কাওরান বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। ব্যবসায়ীরা জানান, অধিকাংশ সবজির দাম এখন ১০০ টাকার আশপাশে বা তারও বেশি। বরবটি ৯০ থেকে ১০০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বেগুন ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, কচুরলতি ৮০ টাকা, কাঁকরোল ১২০ টাকা, গাজর ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি শসা ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, টমেটো ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি এবং আকারভেদে লাউ ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। তারা জানান, সবচেয়ে বেশি দাম কাঁচা মরিচের। বাজারভেদে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ২৪০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বৃষ্টিতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং সরবরাহ কমে যাওয়ায় মরিচের দাম দ্রুত বেড়েছে। মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই।

আরও পড়ুনঃ  বগুড়ার উন্নয়নে হাজার কোটি টাকার একাধিক প্রকল্প: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

 

মাঝারি আকারের রুই মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, কাতল ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা, চাষের শিং মাছ ৪৫০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং পাঙাশ ২২০ থেকে ২৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। চাষের চিংড়ি আকারভেদে ৯০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। রায়সাহেব বাজারের মাছ ব্যবসায়ী আজিজুল হক জানান, বিভিন্ন মোকাম থেকে মাছের সরবরাহ কমে যাওয়ায় গত এক সপ্তাহে বেশিরভাগ মাছের দাম ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। মুরগির বাজারেও বেড়েছে দাম। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফার্মের ডিমের ডজন ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সপ্তাহখানেক আগের তুলনায় ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি। অন্যদিকে, আলু ও দেশি পেঁয়াজের দামে তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি। জাতভেদে আলু ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। রায়সাহেব বাজারে বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী মো. মিনহাজুল ইসলাম বলেন, “প্রতিবার বাজারে এলেই নতুন দামের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সবজি, মাছ, ডিম সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় মাসের বাজেট ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। কাপ্তান বাজারে কেনাকাটা করতে আসা গৃহিণী রাবেয়া আক্তার বলেন, “আগে মাছের দাম বেশি থাকলে সবজি কিনে সংসার চালানো যেত। এখন সবজির দামও অনেক বেড়েছে। প্রয়োজনের সবকিছু কেনা সম্ভব হচ্ছে না।” একই বাজারের সবজি বিক্রেতা মো. আলমগীর বলেন, “টানা বৃষ্টিতে অনেক এলাকার সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আবার বিভিন্ন জেলা থেকে আগের মতো সবজি আসছে না। পাইকারি বাজারেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দামও কমে আসবে।

আরও পড়ুনঃ  চকবাজারের ঐতিহাসিক ‘জাহাজবাড়ি’: সংরক্ষণের অভাবে বিলীন পুরান ঢাকার স্থাপত্য ঐতিহ্য
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

তোড়িয়া বারোঘাটিতে নসিমন (ভটভটি) ধাক্কায় মৃত্যু

নিত্যবাজারে অস্থিরতা: বেড়েছে সবজি, মাছ ও মুরগির দাম

আপডেটের সময়: ০৬:৫৩:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। টানা বৃষ্টির প্রভাবে সরবরাহ কমে যাওয়ায় প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি মাছ, মুরগি, ডিম ও কাঁচা মরিচেরও দাম বেড়েছে। ফলে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ। আজ শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর কাপ্তান বাজার, রায়সাহেব বাজার ও কাওরান বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। ব্যবসায়ীরা জানান, অধিকাংশ সবজির দাম এখন ১০০ টাকার আশপাশে বা তারও বেশি। বরবটি ৯০ থেকে ১০০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বেগুন ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, কচুরলতি ৮০ টাকা, কাঁকরোল ১২০ টাকা, গাজর ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি শসা ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, টমেটো ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি এবং আকারভেদে লাউ ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। তারা জানান, সবচেয়ে বেশি দাম কাঁচা মরিচের। বাজারভেদে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ২৪০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বৃষ্টিতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং সরবরাহ কমে যাওয়ায় মরিচের দাম দ্রুত বেড়েছে। মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই।

আরও পড়ুনঃ  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ফাঁদে পড়লেন ইশরাক: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

 

মাঝারি আকারের রুই মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, কাতল ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা, চাষের শিং মাছ ৪৫০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং পাঙাশ ২২০ থেকে ২৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। চাষের চিংড়ি আকারভেদে ৯০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। রায়সাহেব বাজারের মাছ ব্যবসায়ী আজিজুল হক জানান, বিভিন্ন মোকাম থেকে মাছের সরবরাহ কমে যাওয়ায় গত এক সপ্তাহে বেশিরভাগ মাছের দাম ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। মুরগির বাজারেও বেড়েছে দাম। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফার্মের ডিমের ডজন ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সপ্তাহখানেক আগের তুলনায় ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি। অন্যদিকে, আলু ও দেশি পেঁয়াজের দামে তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি। জাতভেদে আলু ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। রায়সাহেব বাজারে বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী মো. মিনহাজুল ইসলাম বলেন, “প্রতিবার বাজারে এলেই নতুন দামের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সবজি, মাছ, ডিম সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় মাসের বাজেট ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। কাপ্তান বাজারে কেনাকাটা করতে আসা গৃহিণী রাবেয়া আক্তার বলেন, “আগে মাছের দাম বেশি থাকলে সবজি কিনে সংসার চালানো যেত। এখন সবজির দামও অনেক বেড়েছে। প্রয়োজনের সবকিছু কেনা সম্ভব হচ্ছে না।” একই বাজারের সবজি বিক্রেতা মো. আলমগীর বলেন, “টানা বৃষ্টিতে অনেক এলাকার সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আবার বিভিন্ন জেলা থেকে আগের মতো সবজি আসছে না। পাইকারি বাজারেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দামও কমে আসবে।

আরও পড়ুনঃ  নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী