Dhaka ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চট্টগ্রামে ২ কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানে হামলা, ৩৫ লাখ টাকা লুট ভোলায় সমাজসেবার প্রশিক্ষণে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি ও ঘুস-বাণিজ্যের অভিযোগ বদলগাছীতে এনসিপির জুলাই পদযাত্রা জনগণ সংস্কার চায় প্রতীকী প্রচারণা নয়: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শিবগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান, ড্রেজার ও পাইপ পুড়িয়ে ধ্বংস যাত্রাবাড়ীতে প্রাইভেটকারে ৪৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ৩ লালমোহনে কাঁচা সড়কে যাতায়াতে চরম ঝুঁকি একতা এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হয়ে ঢাকার সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের সব যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে মাগুরার শ্রীপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে উপবৃত্তি বাইসাইকেল ও সেলাই মেশিন বিতরণ ডিমলায় আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে বুড়ি তিস্তায় গোসলে নেমে ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রীর মৃত্যু মাধবপুরে শতভাগ ছানিমুক্ত নোয়াপাড়া ইউনিয়ন বাস্তবায়নের পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত

লালমোহনে কাঁচা সড়কে যাতায়াতে চরম ঝুঁকি

মোঃ শরিফ হোসেন,ভোলা জেলা, প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলার চরভুতা ইউনিয়নের ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝামাঝি অবস্থিত বারু হাওলাদার কান্দি এলাকার আজ ১৩ জুলাই সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ কাঁচা সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার বা পাকাকরণের অভাবে এলাকাবাসীর জন্য চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে কোনো রকমে চলাচল করা গেলেও বর্ষা এলেই কাদায় সড়কটি কার্যত চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কটির উভয় প্রান্তেই আধাপাকা ও পাকা সড়কের সংযোগ থাকলেও মাঝখানের গুরুত্বপূর্ণ অংশটি বছরের পর বছর কাঁচাই রয়ে গেছে। গ্রামের উত্তর প্রান্তে প্রবেশমুখে এই সড়কটি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত। একটি সড়ক জনতা বাজারের দিকে, অন্যটি আমজাদ বাড়ি হয়ে চম্পার মোড়ের পাকা সড়কে এবং আরেকটি লালমোহন-তালপাতা বাজার হয়ে ছিদ্দিক মিয়ার পুলের পাকা সড়কের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণ প্রান্তে বারু হাওলাদার কান্দি সমাজের ঈদগাহ সংলগ্ন সেতু পার হয়ে খালের দক্ষিণ পাড় দিয়ে ছিদ্দিক মিয়ার পুলের প্রধান পাকা সড়কের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেছে। এছাড়া ঈদগাহ থেকে আরেকটি সংযোগ সড়কও ছিদ্দিক মিয়ার পুলের আগের মোড়ে পাকা সড়কের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। এতগুলো গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ থাকা সত্ত্বেও মাঝখানের কাঁচা অংশটি আজও উন্নয়নের ছোঁয়া পায়নি।

আরও পড়ুনঃ  সামান্য বৃষ্টিতেই ডুবছে রোহিতপুর বডিং থেকে তালিপুর সড়ক: চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

 

এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শতাধিক শিক্ষার্থী বিভিন্ন স্কুল-কলেজে যাতায়াত করে। পাশাপাশি কৃষক, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন পেশার শত শত মানুষ তাদের দৈনন্দিন প্রয়োজনে এ পথ ব্যবহার করেন। কিন্তু বর্ষা মৌসুমে সড়কটি কাদায় পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। প্রায়ই পথচারী ও শিক্ষার্থীরা পা পিছলে পড়ে আহত হন। অনেক শিক্ষার্থীর বই-খাতা কাদায় নষ্ট হয়ে যায়, এমনকি দুর্ভোগের কারণে অনেক সময় তারা বিদ্যালয়েও উপস্থিত হতে পারেন না। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগের আওয়ামী সরকারের সময় সড়কটি পাকাকরণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা শোনা গেলেও তা আর বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি। ফলে বছরের পর বছর ধরে এলাকাবাসী একই ভোগান্তি নিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন। এলাকাবাসীর দাবি, জনস্বার্থ বিবেচনায় দ্রুত সড়কটি পাকাকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। তাদের মতে, এই সড়কটি পাকা হলে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ হাজারো মানুষের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত হবে, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে এবং দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।

আরও পড়ুনঃ  পাহাড়ি ঢলের স্রোতে ভেসে বাঁশখালীতে দুই শিশুর মৃত্যু
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

চট্টগ্রামে ২ কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানে হামলা, ৩৫ লাখ টাকা লুট

লালমোহনে কাঁচা সড়কে যাতায়াতে চরম ঝুঁকি

আপডেটের সময়: ০৯:০৮:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

মোঃ শরিফ হোসেন,ভোলা জেলা, প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলার চরভুতা ইউনিয়নের ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝামাঝি অবস্থিত বারু হাওলাদার কান্দি এলাকার আজ ১৩ জুলাই সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ কাঁচা সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার বা পাকাকরণের অভাবে এলাকাবাসীর জন্য চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে কোনো রকমে চলাচল করা গেলেও বর্ষা এলেই কাদায় সড়কটি কার্যত চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কটির উভয় প্রান্তেই আধাপাকা ও পাকা সড়কের সংযোগ থাকলেও মাঝখানের গুরুত্বপূর্ণ অংশটি বছরের পর বছর কাঁচাই রয়ে গেছে। গ্রামের উত্তর প্রান্তে প্রবেশমুখে এই সড়কটি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত। একটি সড়ক জনতা বাজারের দিকে, অন্যটি আমজাদ বাড়ি হয়ে চম্পার মোড়ের পাকা সড়কে এবং আরেকটি লালমোহন-তালপাতা বাজার হয়ে ছিদ্দিক মিয়ার পুলের পাকা সড়কের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণ প্রান্তে বারু হাওলাদার কান্দি সমাজের ঈদগাহ সংলগ্ন সেতু পার হয়ে খালের দক্ষিণ পাড় দিয়ে ছিদ্দিক মিয়ার পুলের প্রধান পাকা সড়কের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেছে। এছাড়া ঈদগাহ থেকে আরেকটি সংযোগ সড়কও ছিদ্দিক মিয়ার পুলের আগের মোড়ে পাকা সড়কের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। এতগুলো গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ থাকা সত্ত্বেও মাঝখানের কাঁচা অংশটি আজও উন্নয়নের ছোঁয়া পায়নি।

আরও পড়ুনঃ  পানি, হাহাকার আর দীর্ঘশ্বাস: ছয় দিনের টানা বর্ষণে বিপর্যস্ত বাঁশখালী

 

এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শতাধিক শিক্ষার্থী বিভিন্ন স্কুল-কলেজে যাতায়াত করে। পাশাপাশি কৃষক, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন পেশার শত শত মানুষ তাদের দৈনন্দিন প্রয়োজনে এ পথ ব্যবহার করেন। কিন্তু বর্ষা মৌসুমে সড়কটি কাদায় পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। প্রায়ই পথচারী ও শিক্ষার্থীরা পা পিছলে পড়ে আহত হন। অনেক শিক্ষার্থীর বই-খাতা কাদায় নষ্ট হয়ে যায়, এমনকি দুর্ভোগের কারণে অনেক সময় তারা বিদ্যালয়েও উপস্থিত হতে পারেন না। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগের আওয়ামী সরকারের সময় সড়কটি পাকাকরণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা শোনা গেলেও তা আর বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি। ফলে বছরের পর বছর ধরে এলাকাবাসী একই ভোগান্তি নিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন। এলাকাবাসীর দাবি, জনস্বার্থ বিবেচনায় দ্রুত সড়কটি পাকাকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। তাদের মতে, এই সড়কটি পাকা হলে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ হাজারো মানুষের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত হবে, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে এবং দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।

আরও পড়ুনঃ  দেবিদ্বারে অবৈধ ড্রেজার বিরোধী অভিযানে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, ২টি ড্রেজার -পাইপ ধ্বংস