Dhaka ১০:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কাউনিয়ায় জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে যুব সেমিনার মনপুরায় মিয়ানমারে পাচারের সময় সিমেন্ট-সার বোঝাই ট্রলার জব্দ, আটক ১ শাহরাস্তি চিতোষী পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে, সোহেল আহাম্মেদ পাটোয়ারীর সকলের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা গাজীপুরের কালিয়াকৈরে সরকারি জমি ও সড়কের অবৈধ দখল উচ্ছেদে অভিযান শুরু ধামইরহাটে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি অভিযোগে যুবকসহ গ্রেফতার-৩ চিলমারীতে সাবরেজিস্টার অফিস কর্মকর্তা-কমর্চারী শুন্য বৃষ্টির পানিতে ঈদগাঁওর অলিগলির সড়ক প্লাবিত জনদূভোগ চরমে দেবিদ্বারে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মানববন্ধন ভ্রান্তি বান্দরবানে মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে ১.৫ কোটি টাকার শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ

ধামইরহাটে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি অভিযোগে যুবকসহ গ্রেফতার-৩

গোলজার রহমান ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর ধামইরহাটে নবম শ্রেণীর এক মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানী ও পরিবারের সদস্যদের মেরে গুরুতর আহত করার অভিযোগে তাকমিম হোসেন (২২), জিন্নাতুন বেগম (৪৫) ও মরিয়ম (২২) বেগম নামের তিনজনকে গ্রেফতার করেছে ধামইরহাট থানা পুলিশ। শনিবার (৪ জুন) ধামইরহাট ইউনিয়নের শিবরামপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। গ্রেফতারকৃতরা উপজেলার ধামইরহাট ইউনিয়নের শিবরামপুর এলাকার আলম হোসেনের স্ত্রী জিন্নাতুন বেগম, ছেলে তাকমিম হোসেন ও বড় ছেলের স্ত্রী মরিয়ম বেগম। রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে ধামইরহাট থানা-পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী জগদল ফারাজিয়া দাখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। সে মাদ্রাসায় যাওয়া আসার সময় অভিযুক্ত তাকমিম হোসেন প্রায় সময় শিক্ষার্থীকে রাস্তাঘাটে একা পেয়ে আপত্তিকর কথাবার্তা বলতো বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার দিন শনিবার ভুক্তভোগীর পিতা আনোয়ার হোসেন (৪৮) বাদি হয়ে ধামইরহাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে ওই শিক্ষার্থী মাঠে ছাগল বেঁধে বাড়ি ফিরছিল। এসময় আবু হেনা মোস্তফা কামালের মালটা বাগানের কাছে ওত পেতে থাকা ওই যুবক যৌন কামনা চরিতার্থ করার জন্য ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর হাত ধরে টেনে হেঁচড়ে মালটার বাগানের ভিতরে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর মা প্রতিবাদ করায়, অভিযুক্তরা বাড়ি এসে শিক্ষার্থীসহ তার মা ও ছোট ভাইকে মেরে গুরুতর আহত করে।

আরও পড়ুনঃ  উপ-সংঘরাজ কর্মবীর শ্রদ্ধা লংকার মহাথেরোর ৭৫ তম শুভ জন্মদিন উদযাপিত

 

আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন বলেও অভিযোগে জানানো হয়। অভিযোগ অস্বীকার করে তাকমিম বলেন, ’সকালের দিকে বাইসাইকেল নিয়ে যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে ওই শিক্ষার্থীর মা আমাকে থামিয়ে বেদম মারপিট করে আহত করে। তারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা আদায় করেছে। অভিযুক্ত তাকমিমের মা জিন্নাতুন বেগম বলেন, ’মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে ছেলেকে মারার বিষয়টি জানার পর প্রতিবাদ করতে যাই। এরপর কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তাদের লোকজ আমাদের মেরে গুরুতর আহত করে।‘ চক্রান্ত করে ছেলেসহ তাদেরকে ফাঁসানো হয়েছে বলে জানান। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিন্টু রহমান সময়ের আলোকে বলেন, ’ওই শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগের ভিত্তিতে এবং জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশে গতকাল শনিবার রাতে ধামইরহাট থানা-পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে শিবরামপুর গ্রাম থেকে তাকমিম হোসেনকে গ্রেফতার করে। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পরেরদিন রোববার সকালে ওই যুবকের মা জিন্নাতুন বেগম ও মরিয়ম বেগমকে গ্রেফ করা হয়েছে। পরে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের পর দুপুরে তাদেরকে জেলা কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  কুলাউড়া থানা পুলিশের অভিযানে আন্ত জেলা ০৫ ডাকাত গ্রেফতার
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

কাউনিয়ায় জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে যুব সেমিনার

ধামইরহাটে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি অভিযোগে যুবকসহ গ্রেফতার-৩

আপডেটের সময়: ০৭:৪৭:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

গোলজার রহমান ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর ধামইরহাটে নবম শ্রেণীর এক মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানী ও পরিবারের সদস্যদের মেরে গুরুতর আহত করার অভিযোগে তাকমিম হোসেন (২২), জিন্নাতুন বেগম (৪৫) ও মরিয়ম (২২) বেগম নামের তিনজনকে গ্রেফতার করেছে ধামইরহাট থানা পুলিশ। শনিবার (৪ জুন) ধামইরহাট ইউনিয়নের শিবরামপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। গ্রেফতারকৃতরা উপজেলার ধামইরহাট ইউনিয়নের শিবরামপুর এলাকার আলম হোসেনের স্ত্রী জিন্নাতুন বেগম, ছেলে তাকমিম হোসেন ও বড় ছেলের স্ত্রী মরিয়ম বেগম। রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে ধামইরহাট থানা-পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী জগদল ফারাজিয়া দাখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। সে মাদ্রাসায় যাওয়া আসার সময় অভিযুক্ত তাকমিম হোসেন প্রায় সময় শিক্ষার্থীকে রাস্তাঘাটে একা পেয়ে আপত্তিকর কথাবার্তা বলতো বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার দিন শনিবার ভুক্তভোগীর পিতা আনোয়ার হোসেন (৪৮) বাদি হয়ে ধামইরহাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে ওই শিক্ষার্থী মাঠে ছাগল বেঁধে বাড়ি ফিরছিল। এসময় আবু হেনা মোস্তফা কামালের মালটা বাগানের কাছে ওত পেতে থাকা ওই যুবক যৌন কামনা চরিতার্থ করার জন্য ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর হাত ধরে টেনে হেঁচড়ে মালটার বাগানের ভিতরে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর মা প্রতিবাদ করায়, অভিযুক্তরা বাড়ি এসে শিক্ষার্থীসহ তার মা ও ছোট ভাইকে মেরে গুরুতর আহত করে।

আরও পড়ুনঃ  উপ-সংঘরাজ কর্মবীর শ্রদ্ধা লংকার মহাথেরোর ৭৫ তম শুভ জন্মদিন উদযাপিত

 

আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন বলেও অভিযোগে জানানো হয়। অভিযোগ অস্বীকার করে তাকমিম বলেন, ’সকালের দিকে বাইসাইকেল নিয়ে যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে ওই শিক্ষার্থীর মা আমাকে থামিয়ে বেদম মারপিট করে আহত করে। তারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা আদায় করেছে। অভিযুক্ত তাকমিমের মা জিন্নাতুন বেগম বলেন, ’মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে ছেলেকে মারার বিষয়টি জানার পর প্রতিবাদ করতে যাই। এরপর কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তাদের লোকজ আমাদের মেরে গুরুতর আহত করে।‘ চক্রান্ত করে ছেলেসহ তাদেরকে ফাঁসানো হয়েছে বলে জানান। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিন্টু রহমান সময়ের আলোকে বলেন, ’ওই শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগের ভিত্তিতে এবং জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশে গতকাল শনিবার রাতে ধামইরহাট থানা-পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে শিবরামপুর গ্রাম থেকে তাকমিম হোসেনকে গ্রেফতার করে। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পরেরদিন রোববার সকালে ওই যুবকের মা জিন্নাতুন বেগম ও মরিয়ম বেগমকে গ্রেফ করা হয়েছে। পরে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের পর দুপুরে তাদেরকে জেলা কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ফুটবল খেলায় জয়ের উল্লাসে গোলবার ভেঙে তরুণের মৃত্যু