
ভ্রান্তি
প্রফেসর অনিল কুমার চক্রবর্তী
জীবনটাই ভ্রান্তি, কোথাও একটু নাই শান্তি।
অযথায় এসে যায় ক্লান্তি।
জগৎটাই ফাঁকি এই জীবনে আর কী রইল বাকি?
যেদিকেই যাই দেখিতেছি ভ্রান্তি।
কাউকে দিতে পারলাম না একবিন্দু শান্তি।
মিথ্যাচার, পাপাচার,ব্যভিচার, অনাচারে ভরা- এই সবকিছুই মানুষের গড়া।
সবাই জানে চলে যেতে হবে-চলে যেতে হবে।
সেদিন পাপের ভারে জর্জরিত হয়ে রবে।
আমি কদাচ দেখি নির্ভেজাল মানুষ।
মানুষ চলে ভাবাবেগে, থাকে না হুঁশ।
এরকম কদর্য জানলে আমি জন্ম নিতাম না,
মনে এত দুঃখ কষ্ট অযথা পেতাম না।
কোন কিছুই মানুষকে তৃপ্তি দিতে পারে না।
সংসার এত নিষ্ঠুর তবু হার মানে না।
এত যন্ত্রণা, এত যাতনা, সইতে হবে জানলে পরে -দীর্ঘদিন থাকিতাম না এই সংসারে।
কেন যে বানাইলো বিশ্ব, তাতো জানিনা।
সৃষ্টির রহস্য অজানা সবার, এই সত্যটি আমরা মানি না।
কেউ কি জানে এই জগত সম্পূর্ণ খেলা,
যেদিকে তাকাই না কেন একটি বিশাল মেলা।
সংসারে ভালো-মন্দ,সুখ দুঃখ,সত্য-মিথ্যা
এসব কিছুর আচার বিচার নাই,
আমি আন্তরিকভাবে এটার সঠিক বিচার চাই।
যারা পাপে জর্জরিত, তারা যেন সমুচিত শাস্তি পায়।
তারা যেন কোনোভাবে মুক্তির স্বাদ না লভে,
সুখ শান্তি বঞ্চিত হয়ে রবে।
জগতে তারাই সুখী যারা নির্লিপ্ত রয়,
তাদের কোন দিকে হবে না ক্ষয়।
বিলাসে পূর্ণ হোক জীবন, এই আমাদের চাওয়া
এটাই ভ্রান্তি-এই সংসারে সত্যিকার অর্থে নাই কোন পাওয়া।
প্রফেসর অনিল কুমার চক্রবর্তী
সাবেক সহ-অধ্যক্ষ স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজ, কানুনগোপাড়া, চট্টগ্রাম।।
প্রতিবেদকের নাম 























