
রাব্বি রহমান, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় সোমবার (৩ আগস্ট ২০২৬) ভাতা ও কৃষি ঋণ মেলা-২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃক্ষের চারা বিতরণসহ নানা জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী জেলার মান্যবর জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য বিলকিস ইসলাম।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমান, উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, কৃষক, ভাতাভোগী, কৃষি ঋণের উপকারভোগী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সুধীজন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে ভাতা ও কৃষি ঋণ মেলা-২০২৬-এর বর্ণাঢ্য র্যালির শুভ উদ্বোধন করেন। পরে র্যালিটি উপজেলা সদরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে অনুষ্ঠানস্থলে এসে শেষ হয়।
র্যালি শেষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ভাতার কার্যক্রম, কৃষকদের জন্য সহজ শর্তে কৃষি ঋণপ্রাপ্তির সুযোগ, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি এবং কৃষি খাতের টেকসই উন্নয়নে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তারা বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে এসব কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বক্তারা আরও বলেন, সরকারের জনকল্যাণমুখী উদ্যোগসমূহ সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, কৃষক ও সাধারণ জনগণের সমন্বিত অংশগ্রহণ এবং আন্তরিক সহযোগিতা অত্যন্ত প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়। এছাড়া প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের হাতে বৃক্ষের চারা তুলে দেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তিনি শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী কৃষক, ভাতাভোগী ও উপকারভোগীরা সরকারের এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
প্রতিবেদকের নাম 
























