
এস কে সাগর মির্জা, জেলা প্রতিনিধি বগুড়া:
বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় খাল পুনঃখনন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে কৃষি খাতে। কৃষকদের সুবিধা এবং সেচ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করতে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের ফলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমেছে। আগে যেখানে হাজার হাজার একর কৃষিজমি দীর্ঘদিন পানির নিচে থাকত, সেখানে এখন দ্রুত পানি নেমে যাওয়ায় ফসলের ক্ষতি কমছে এবং পরিত্যক্ত জমিও আবার চাষের উপযোগী হয়ে উঠছে।
উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভদ্রাবতী, চকরামপুর ও একদুলতলা খাল নিয়ে গঠিত প্রকল্পে মোট ৯.০৩ কিলোমিটার খালের মধ্যে ৪.৩৩ কিলোমিটার পুনঃখননের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। অর্থাৎ প্রকল্পটির অগ্রগতি প্রায় ৫০ শতাংশ। তবে কাজের মান যাচাই ও তদারকির ভিত্তিতে এখন পর্যন্ত ঠিকাদারকে প্রায় ২৮ শতাংশ বিল পরিশোধ করা হয়েছে।
অন্যদিকে ঝাঁজর, পারভবানীপুর, মেই খাল, কৈগাড়ী ও দুধকমাড় খাল নিয়ে বাস্তবায়িত প্রকল্পে মোট ৯.০৯ কিলোমিটারের মধ্যে প্রায় ৮.৭১৫ কিলোমিটার খনন শেষ হয়েছে। বিশেষ করে ঝাঁজর এলাকার খালের কাজ প্রায় ৮০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। এই প্রকল্পে অগ্রগতি সন্তোষজনক হওয়ায় যাচাই-বাছাই শেষে ঠিকাদারকে ৫০ শতাংশ বিল প্রদান করা হয়েছে।
শেরপুর উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মজিদ বলেন, খাল পুনঃখননের কাজ এখনো চলমান রয়েছে। প্রকল্পের প্রতিটি অংশ নির্ধারিত নকশা ও মানদণ্ড অনুযায়ী বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কাজের গুণগত মান নিশ্চিত হওয়ার পরই পর্যায়ক্রমে বিল পরিশোধ করা হবে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত পানির কারণে খননকাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। পানি কমে গেলে অবশিষ্ট কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।
প্রতিবেদকের নাম 



















