Dhaka ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ কাউনিয়ায় পাট বীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ বামেরছড়া-ডানেরছড়ায় নতুন নেতৃত্ব বাছাই কাল, ভোটযুদ্ধে ১৪ প্রার্থী জাতীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ যাকাত সংগ্রহকারী ‘জেলা প্রশাসক’ ফরিদা খানম ভোলায় ২ লাখ ৯৩ হাজারের বেশি শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল ধামইরহাটে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতায় আড়ানগর উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন কাউনিয়ায় কিশোরীদের মাঝে হাঁস-মুরগি ও নগদ টাকা প্রদান রাঙ্গুনিয়ায় পুলিশের অভিযানে তিন পলাতক আসামি গ্রেপ্তার কাউনিয়ায় পার্টনার কংগ্রেস-২০২৬’ অনুষ্ঠিত রুমায় এলিম-ছাংদালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কারে অনিয়ম: ৯ ইউপি মেম্বারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

রুমায় এলিম-ছাংদালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কারে অনিয়ম: ৯ ইউপি মেম্বারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৭:১৬:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • ৩২ সময় দেখুন

মাসুদ রানা মাসুম পার্বত্য ব্যুরো: বান্দরবানের রুমা উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ সংস্কারের বরাদ্দকৃত টাকা নামমাত্র খরচ করে বাকি সিংহভাগ অর্থ আত্মসাতের চেষ্টার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের (মেম্বার) বিরুদ্ধে। উপজেলার ১নং পাইন্দু ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার ও প্রকল্প সভাপতি অংথাইসা মারমার বিরুদ্ধে এই অনিয়মের অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয় পাড়াবাসীরা। আজ ২৫ জুন ২০২৬ তারিখে রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করা ওই লিখিত অভিযোগে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে জেলা প্রশাসক, উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার বিভাগ), উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এবং পাইন্দু ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকেও। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে রুমা উপজেলা প্রশাসনের ত্রাণ শাখার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ১নং পাইন্দু ইউনিয়নের ‘এলিম-ছাংদলা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’ খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য ২,৫০,০০০/- (দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পের সভাপতি ও স্থানীয় ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার অংথাইসা মারমা প্রকল্প বাস্তবায়নের শুরুতেই বরাদ্দকৃত অর্থের অর্ধেক টাকা উত্তোলন করে নেন। কিন্তু মাঠে কোনো কাজ না করায়

আরও পড়ুনঃ  নওগাঁ সীমান্তে পত্নীতলা ১৪ বিজিবি সদস্য চৌকোস অভিযান, মাদকের বড় চালান জব্দ আটক ২

 

গত ২২ জুন ২০২৬ তারিখে রুমা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন পাড়াবাসী। ওইদিনই বিকেলে মেম্বার অংথাইসা ও কয়েকজন অফিস থেকে পাড়াবাসীদের অভিযোগ পত্রটি কৌশলে তুলে নেন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়। ​আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, অভিযোগ তুলে নেওয়ার পরদিন অর্থাৎ ২৩ জুন ২০২৬ তারিখে সকাল ৯টায় রুমা বাজার থেকে ৫ জন শ্রমিক নিয়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন মেম্বার অংথাইসা মারমা। এরপর সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মাত্র দুই ঘণ্টা নামমাত্র কোপ-ঝাড় পরিষ্কারের কাজ করানো হয়। ওই সময় মেম্বার পাড়াবাসীদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, দৈনিক ১০০০ টাকা হারে ৫ জন শ্রমিকের মজুরি বাবদ মোট ৫০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা দেওয়া হয়েছে এবং এর বাইরে আর কোনো কাজ করা হবে না। ক্ষুব্ধ পাড়াবাসীদের দাবি, আড়াই লক্ষ টাকার বরাদ্দের বিপরীতে মাত্র ৫ হাজার টাকা খরচ করে বাকি ২,৪৫,০০০/- (দুই লক্ষ পঁয়তাল্লিশ হাজার) টাকা প্রকল্প সভাপতি ও মেম্বার অংথাইসা মারমা সম্পূর্ণ আত্মসাতের পাঁয়তারা করছেন। ​এ বিষয়ে এলিম-ছাংদলা পাড়ার পক্ষে মংথুইচিং মারমা, ক্যশানু, ক্যসিং ও মংথোয়াই মারমাসহ স্থানীয় বাসিন্দারা স্বাক্ষর করে মাঠ সংস্কারের কাজটি সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন। ​এ বিষয়ে জানতে চাইলে রুমা উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, অভিযোগটি আমলে নেওয়া হয়েছে এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে তদন্তপূর্বক দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  অসহায় ও কর্মজীবী মানুষের ফ্রি চিকিৎসক সেবায় ওয়াল্টন প্লাজা
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ

রুমায় এলিম-ছাংদালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কারে অনিয়ম: ৯ ইউপি মেম্বারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেটের সময়: ০৭:১৬:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

মাসুদ রানা মাসুম পার্বত্য ব্যুরো: বান্দরবানের রুমা উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ সংস্কারের বরাদ্দকৃত টাকা নামমাত্র খরচ করে বাকি সিংহভাগ অর্থ আত্মসাতের চেষ্টার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের (মেম্বার) বিরুদ্ধে। উপজেলার ১নং পাইন্দু ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার ও প্রকল্প সভাপতি অংথাইসা মারমার বিরুদ্ধে এই অনিয়মের অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয় পাড়াবাসীরা। আজ ২৫ জুন ২০২৬ তারিখে রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করা ওই লিখিত অভিযোগে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে জেলা প্রশাসক, উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার বিভাগ), উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এবং পাইন্দু ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকেও। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে রুমা উপজেলা প্রশাসনের ত্রাণ শাখার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ১নং পাইন্দু ইউনিয়নের ‘এলিম-ছাংদলা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’ খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য ২,৫০,০০০/- (দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পের সভাপতি ও স্থানীয় ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার অংথাইসা মারমা প্রকল্প বাস্তবায়নের শুরুতেই বরাদ্দকৃত অর্থের অর্ধেক টাকা উত্তোলন করে নেন। কিন্তু মাঠে কোনো কাজ না করায়

আরও পড়ুনঃ  ঘাটাইলে শিক্ষিকাকে প্রকাশ্যে চড়-ঘুষি, নিরাপত্তাহীনতায় বিদ্যালয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত

 

গত ২২ জুন ২০২৬ তারিখে রুমা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন পাড়াবাসী। ওইদিনই বিকেলে মেম্বার অংথাইসা ও কয়েকজন অফিস থেকে পাড়াবাসীদের অভিযোগ পত্রটি কৌশলে তুলে নেন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়। ​আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, অভিযোগ তুলে নেওয়ার পরদিন অর্থাৎ ২৩ জুন ২০২৬ তারিখে সকাল ৯টায় রুমা বাজার থেকে ৫ জন শ্রমিক নিয়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন মেম্বার অংথাইসা মারমা। এরপর সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মাত্র দুই ঘণ্টা নামমাত্র কোপ-ঝাড় পরিষ্কারের কাজ করানো হয়। ওই সময় মেম্বার পাড়াবাসীদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, দৈনিক ১০০০ টাকা হারে ৫ জন শ্রমিকের মজুরি বাবদ মোট ৫০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা দেওয়া হয়েছে এবং এর বাইরে আর কোনো কাজ করা হবে না। ক্ষুব্ধ পাড়াবাসীদের দাবি, আড়াই লক্ষ টাকার বরাদ্দের বিপরীতে মাত্র ৫ হাজার টাকা খরচ করে বাকি ২,৪৫,০০০/- (দুই লক্ষ পঁয়তাল্লিশ হাজার) টাকা প্রকল্প সভাপতি ও মেম্বার অংথাইসা মারমা সম্পূর্ণ আত্মসাতের পাঁয়তারা করছেন। ​এ বিষয়ে এলিম-ছাংদলা পাড়ার পক্ষে মংথুইচিং মারমা, ক্যশানু, ক্যসিং ও মংথোয়াই মারমাসহ স্থানীয় বাসিন্দারা স্বাক্ষর করে মাঠ সংস্কারের কাজটি সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন। ​এ বিষয়ে জানতে চাইলে রুমা উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, অভিযোগটি আমলে নেওয়া হয়েছে এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে তদন্তপূর্বক দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  গাইবান্ধা জেলা ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি এমদাদুল, সাধারণ সম্পাদক রোহন আজাদ