Dhaka ০১:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ভাটারা থানার স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা শাহিন গ্রেপ্তার নগরকান্দায় বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রায় উদযাপিত জন্মাষ্টমী শরতের বিকেলে ব্যস্ত ধুনটের সোনাহাটা বাজার কুলিয়ারচরের গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউপি নির্বাচনে আলোচনার শীর্ষে আলমগীর হোসেন পানছড়িতে “ওয়াদুদ গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬” উদ্বোধন পানছড়িতে জেলা পরিষদ সদস্য রুমেল মারমাকে সংবর্ধনা লংমার্চকে স্বাগত জানিয়ে গণমিছিল করেছে দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামী নাটোর বারনই নদীতে আচমকা ভেসে উঠছে বিপুল মাছ: বিষ নাকি গ্যাস ৫ দিন পর খুলছে হিলি স্থলবন্দর দীঘিনালায় যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫৩তম জন্মাষ্টমী উদযাপিত

মির্জাপুরে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে দুই সন্তানের জননীর মৃত্যু

জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা প্রতিনিধি মির্জাপুর টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় আবারও কথিত ভুল চিকিৎসার অভিযোগে এক গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। নিহত গৃহবধূ আঁখি আক্তার (৩০) দুই কন্যাসন্তানের জননী ছিলেন। তিনি উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়নের খৈলসিন্দুর গ্রামের বাসিন্দা ও আলিমুদ্দিনের স্ত্রী। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাত প্রায় ৯টার দিকে হঠাৎ তীব্র পেটব্যথায় অসুস্থ হয়ে পড়েন আঁখি আক্তার। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত মির্জাপুর সদরের একটি নতুন বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করেন। অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালে নেওয়ার পর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই কর্তব্যরত চিকিৎসক তড়িঘড়ি করে তার অপারেশন সম্পন্ন করেন। স্বজনদের দাবি, অপারেশনের পর থেকেই আঁখির শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকে। সারারাত পার হলেও তার জ্ঞান ফেরেনি। অবস্থার অবনতি দেখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরে তাকে ঢাকায় রেফার করে। তবে ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানান। ঢাকার হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহীতে পরিবেশবান্ধব গ্রীন বিল্ডিং এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন রাসিক প্রশাসক

 

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, চিকিৎসকদের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার কারণেই অকালেই প্রাণ হারাতে হয়েছে আঁখি আক্তারকে। তাদের দাবি, সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা হলে হয়তো এই মৃত্যুর ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো। এ ঘটনায় দুই শিশু কন্যা মাকে হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছে। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অনেকেই দায়ীদের বিরুদ্ধে তদন্তসাপেক্ষে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অভিযুক্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে কি না, সে বিষয়েও নিশ্চিত তথ্য জানা যায়নি। এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, উপজেলায় গড়ে ওঠা বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের চিকিৎসাসেবার মান এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

আরও পড়ুনঃ  বাউফলে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ভাটারা থানার স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা শাহিন গ্রেপ্তার

মির্জাপুরে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে দুই সন্তানের জননীর মৃত্যু

আপডেটের সময়: ০৮:৪৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা প্রতিনিধি মির্জাপুর টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় আবারও কথিত ভুল চিকিৎসার অভিযোগে এক গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। নিহত গৃহবধূ আঁখি আক্তার (৩০) দুই কন্যাসন্তানের জননী ছিলেন। তিনি উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়নের খৈলসিন্দুর গ্রামের বাসিন্দা ও আলিমুদ্দিনের স্ত্রী। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাত প্রায় ৯টার দিকে হঠাৎ তীব্র পেটব্যথায় অসুস্থ হয়ে পড়েন আঁখি আক্তার। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত মির্জাপুর সদরের একটি নতুন বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করেন। অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালে নেওয়ার পর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই কর্তব্যরত চিকিৎসক তড়িঘড়ি করে তার অপারেশন সম্পন্ন করেন। স্বজনদের দাবি, অপারেশনের পর থেকেই আঁখির শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকে। সারারাত পার হলেও তার জ্ঞান ফেরেনি। অবস্থার অবনতি দেখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরে তাকে ঢাকায় রেফার করে। তবে ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানান। ঢাকার হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুনঃ  বাউফলে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা

 

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, চিকিৎসকদের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার কারণেই অকালেই প্রাণ হারাতে হয়েছে আঁখি আক্তারকে। তাদের দাবি, সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা হলে হয়তো এই মৃত্যুর ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো। এ ঘটনায় দুই শিশু কন্যা মাকে হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছে। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অনেকেই দায়ীদের বিরুদ্ধে তদন্তসাপেক্ষে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অভিযুক্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে কি না, সে বিষয়েও নিশ্চিত তথ্য জানা যায়নি। এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, উপজেলায় গড়ে ওঠা বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের চিকিৎসাসেবার মান এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

আরও পড়ুনঃ  শিক্ষা ও গবেষণায় বর্তমান অর্থ বছরে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে - অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রী