Dhaka ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চট্টগ্রামে ২ কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানে হামলা, ৩৫ লাখ টাকা লুট ভোলায় সমাজসেবার প্রশিক্ষণে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি ও ঘুস-বাণিজ্যের অভিযোগ বদলগাছীতে এনসিপির জুলাই পদযাত্রা জনগণ সংস্কার চায় প্রতীকী প্রচারণা নয়: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শিবগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান, ড্রেজার ও পাইপ পুড়িয়ে ধ্বংস যাত্রাবাড়ীতে প্রাইভেটকারে ৪৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ৩ লালমোহনে কাঁচা সড়কে যাতায়াতে চরম ঝুঁকি একতা এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হয়ে ঢাকার সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের সব যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে মাগুরার শ্রীপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে উপবৃত্তি বাইসাইকেল ও সেলাই মেশিন বিতরণ ডিমলায় আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে বুড়ি তিস্তায় গোসলে নেমে ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রীর মৃত্যু মাধবপুরে শতভাগ ছানিমুক্ত নোয়াপাড়া ইউনিয়ন বাস্তবায়নের পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত

বন্যার দুর্দিনে নিরলস লড়াই, প্রশংসায় ভাসছেন বান্দরবান বিদ্যুৎ বিভাগের প্রধান আমির হোসেন

মাসুদ রানা মাসুম পার্বত্য ব্যুরো: টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে বান্দরবান জেলার জনজীবন। জেলার বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে যায়, সঞ্চালন লাইনের ক্ষতি হয় এবং বহু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। এমন প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও বিদ্যুৎ সেবা সচল রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যায় বান্দরবান বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আর সেই কার্যক্রমের নেতৃত্বে থাকা নির্বাহী প্রকৌশলী ও বিভাগীয় প্রধান আমির হোসেন এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছেন। বান্দরবান বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক বন্যায় জেলার রুমা, থানচি, রোয়াংছড়ি এবং বান্দরবান সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটি, সঞ্চালন লাইন ও অন্যান্য অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, প্রবল স্রোত ও বিরূপ আবহাওয়ার মধ্যেও দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে পৌঁছে মেরামত ও পুনঃসংযোগ কার্যক্রম চালানো হয়। অনেকের ভাষ্য মতে অতীতের বিভিন্ন দুর্যোগের অভিজ্ঞতায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকার আশঙ্কা থাকলেও এবার পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন ছিল। বিদ্যুৎ বিভাগের দ্রুত সিদ্ধান্ত, মাঠপর্যায়ের কর্মীদের নিরলস পরিশ্রম এবং সমন্বিত তৎপরতায় বহু এলাকায় স্বল্প সময়ের মধ্যেই বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়েছে। বন্যার সময় অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী রাতভর বৃষ্টির মধ্যে কাজ করেছেন। কোথাও পাহাড়ি সড়ক বিচ্ছিন্ন, কোথাও পানিতে তলিয়ে গেছে বিদ্যুৎ খুঁটি—তবুও থেমে থাকেনি পুনরুদ্ধার কার্যক্রম। বিদ্যুৎ বিভাগের এই সাহসী ও দায়িত্বশীল ভূমিকা স্থানীয় মানুষের কাছে প্রশংসিত হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বদলগাছীতে এনসিপির জুলাই পদযাত্রা জনগণ সংস্কার চায় প্রতীকী প্রচারণা নয়: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও নির্বাহী প্রকৌশলী আমির হোসেন এবং তার নেতৃত্বাধীন দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অসংখ্য পোস্ট ও মন্তব্য দেখা গেছে। অনেকেই তাকে “দুর্যোগের সময়ের আলোর যোদ্ধা” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, বন্যার মতো দুর্যোগে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখা শুধু একটি সেবা নয়, বরং হাসপাতাল, যোগাযোগ ব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন সচল রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দায়িত্ব। আর সেই দায়িত্ব পালনে বান্দরবান বিদ্যুৎ বিভাগের ভূমিকা এবারের বন্যায় মানুষের কাছে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। দুর্যোগের অন্ধকারের মধ্যেও মানুষের ঘরে আলো জ্বালিয়ে রাখতে যারা নীরবে কাজ করেন, তাদের একজন হিসেবে আজ বান্দরবানবাসীর প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের প্রধান আমির হোসেন

আরও পড়ুনঃ  দেলোয়ার হোসেন অগ্নিদগ্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেছেন। তার প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

চট্টগ্রামে ২ কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানে হামলা, ৩৫ লাখ টাকা লুট

বন্যার দুর্দিনে নিরলস লড়াই, প্রশংসায় ভাসছেন বান্দরবান বিদ্যুৎ বিভাগের প্রধান আমির হোসেন

আপডেটের সময়: ০৫:৫২:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

মাসুদ রানা মাসুম পার্বত্য ব্যুরো: টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে বান্দরবান জেলার জনজীবন। জেলার বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে যায়, সঞ্চালন লাইনের ক্ষতি হয় এবং বহু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। এমন প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও বিদ্যুৎ সেবা সচল রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যায় বান্দরবান বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আর সেই কার্যক্রমের নেতৃত্বে থাকা নির্বাহী প্রকৌশলী ও বিভাগীয় প্রধান আমির হোসেন এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছেন। বান্দরবান বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক বন্যায় জেলার রুমা, থানচি, রোয়াংছড়ি এবং বান্দরবান সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটি, সঞ্চালন লাইন ও অন্যান্য অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, প্রবল স্রোত ও বিরূপ আবহাওয়ার মধ্যেও দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে পৌঁছে মেরামত ও পুনঃসংযোগ কার্যক্রম চালানো হয়। অনেকের ভাষ্য মতে অতীতের বিভিন্ন দুর্যোগের অভিজ্ঞতায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকার আশঙ্কা থাকলেও এবার পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন ছিল। বিদ্যুৎ বিভাগের দ্রুত সিদ্ধান্ত, মাঠপর্যায়ের কর্মীদের নিরলস পরিশ্রম এবং সমন্বিত তৎপরতায় বহু এলাকায় স্বল্প সময়ের মধ্যেই বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়েছে। বন্যার সময় অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী রাতভর বৃষ্টির মধ্যে কাজ করেছেন। কোথাও পাহাড়ি সড়ক বিচ্ছিন্ন, কোথাও পানিতে তলিয়ে গেছে বিদ্যুৎ খুঁটি—তবুও থেমে থাকেনি পুনরুদ্ধার কার্যক্রম। বিদ্যুৎ বিভাগের এই সাহসী ও দায়িত্বশীল ভূমিকা স্থানীয় মানুষের কাছে প্রশংসিত হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রামে ২ কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানে হামলা, ৩৫ লাখ টাকা লুট

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও নির্বাহী প্রকৌশলী আমির হোসেন এবং তার নেতৃত্বাধীন দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অসংখ্য পোস্ট ও মন্তব্য দেখা গেছে। অনেকেই তাকে “দুর্যোগের সময়ের আলোর যোদ্ধা” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, বন্যার মতো দুর্যোগে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখা শুধু একটি সেবা নয়, বরং হাসপাতাল, যোগাযোগ ব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন সচল রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দায়িত্ব। আর সেই দায়িত্ব পালনে বান্দরবান বিদ্যুৎ বিভাগের ভূমিকা এবারের বন্যায় মানুষের কাছে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। দুর্যোগের অন্ধকারের মধ্যেও মানুষের ঘরে আলো জ্বালিয়ে রাখতে যারা নীরবে কাজ করেন, তাদের একজন হিসেবে আজ বান্দরবানবাসীর প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের প্রধান আমির হোসেন

আরও পড়ুনঃ  ভোলায় অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কুখ্যাত ডাকাত ফিরোজ ও তার ৩ সহযোগী আটক