
মোঃ শওকত আলী,নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : ফরিদপুরের নগরকান্দা পৌরসভার চৌমুখা মৌজায় লীজকৃত জমি নিয়ে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে একটি ভুক্তভোগী পরিবার। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় নগরকান্দা পৌরসভার চৌমুখা ৩ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে নগরকান্দা ও ফরিদপুরের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশ সরকার ২০০০ সালে মৃত নারায়ণ চন্দ্র মন্ডল, পিতা মৃত অবতার মন্ডলের নামে কবুলিয়াত প্রদান করে। নারায়ণ চন্দ্র মন্ডলের বাড়ি নগরকান্দা পৌরসভার চৌমুখা গ্রামে।
পরিবারের দাবি অনুযায়ী, ১৫৭ নম্বর চৌমুখা মৌজার ৬৯৮ ও ৭০২ নম্বর দাগে মোট ৩৭ শতাংশ জমি সরকারিভাবে লীজ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তারা ভোগদখল করে আসছেন। কবুলিয়াত পাওয়ার আগেও মৃত নারায়ণ চন্দ্র মন্ডল ওই জমিতে চাষাবাদ করতেন বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।
নারায়ণ চন্দ্র মন্ডল মারা যাওয়ার পর তার তিন ছেলে বিন্দাবন মন্ডল, নিপেন মন্ডল ও লিটন মন্ডল তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে দীর্ঘ প্রায় ৩০ থেকে ৪০ বছর ধরে ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন বলেও দাবি করেন পরিবারের সদস্যরা। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, মহল্লার হিন্দু সম্প্রদায়ের কয়েকজন ব্যক্তি সম্প্রতি মন্দিরের জায়গা দখলের অভিযোগ তুলে এলাকায় বিভ্রান্তি ও মব পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। এ বিষয়ে গত ১০ সেপ্টেম্বর একটি মানববন্ধনও অনুষ্ঠিত হয় বলে জানান তারা।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা বলেন, তাদের বিরুদ্ধে মন্দিরের জায়গা দখলের যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তারা দীর্ঘদিন ধরে সরকারিভাবে লীজ নেওয়া জমি ভোগদখল করে আসছেন। তারা আরও বলেন, মহল্লার হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে সিদাম বিশ্বাস,সজীব বিশ্বাস, কমুদ বাড়ৈই, পরিতোষ বাড়ৈই গৌতম বাড়ৈই, সঞ্জয় বাড়ৈই চন্দ্র ভদ্র, চন্দন ভদ্র, প্ন্টু ভদ্র সহ তাদের লোকজন আমার ঘর ভাঙছে, গাছ কেটে নিছে।আমাদে জায়গা থেকে উচ্ছেদ করার জন্য মন্দিরের জায়গা দখল করেছি বলে মনগড়া অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য বিন্দাবন মন্ডল, লিটন মন্ডল, সুমন মন্ডল, সুজাতা মন্ডল ও পূর্ণিমা মন্ডলসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। ভুক্তভোগী পরিবার প্রশাসনের কাছে বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।তবে যাদের নামে অভিযোগ করেছেন তাদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাদের এলাকায় না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদকের নাম 



















