Dhaka ০২:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দোহাজারীতে ১ কোটি ২৩ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারে ব্যপক অভিযোগ টানা ৫ দিন ধরে বন্ধ হিলি বন্দরের আমদানি-রপ্তানি পত্নীতলায় পুলিশের অভিযানে ৫ যুবক আটক ২শত টাকার জন্য হত্যা পুলিশের অভিযানে পাঁচজন আসামি গ্রেপ্তার তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবসে শিবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের মাঝে খাবার বিতরণ চিলমারীতে মধ্যযুগীয় বর্বরতায় নারীর গর্ভস্খলন ও ঘর-বাড়িতে অগ্নি সংযোগের প্রতিবাদে মানব বন্ধন নিরাপত্তার আশ্বাস ও ৫ ছাত্রদল নেতা বহিষ্কারের পর শজিমেকে কর্মবিরতি প্রত্যাহার ধুনটে বিস্ফোরক, ভাঙচুর ও নাশকতা মামলায় ৩ আ’লীগ নেতা গ্রেপ্তার। কাউনিয়ায় আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে টেকসই কৃষি উন্নয়নে কৃষকদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত সম্পত্তি লিখে নিতে চাপ, ছেলের বিরুদ্ধে বৃদ্ধা মায়ের নির্যাতন ও হত্যার হুমকির অভিযোগ‌

এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহারে সতর্ক থাকবেন

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:২০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৩৪ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহারে যেভাবে সতর্ক থাকবেন দেশের সব অঞ্চলই বন্ধ রয়েছে নতুন করে বাড়িতে গ্যাস সংযোগ দেওয়া। তাই আমাদের দৈনন্দিন জীবনে রান্নাসহ বিভিন্ন কাজে এখন এলপিজি সিলিন্ডারের গ্যাস ব্যবহার করা হয়। গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবহারে একদিকে যেমন পরিবেশ দূষণ কমেছে, অন্যদিকে বেড়েছে জীবনের ঝুঁকি।

এলপিজি কেনার সময় যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন-

১. অনুমোদিত ডিলার বা পরিবেশকের কাছ থেকেই এলপিজি সিলিন্ডার কিনুন। ২. অননুমোদিত দোকান থেকে নেওয়া সিলিন্ডার ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। ৩. ডেলিভারির সময় সিলিন্ডারের সিল ও সেফটি ক্যাপ ঠিক আছে কি না দেখুন। ৪. সিল ভাঙা থাকলে সিলিন্ডার নেবেন না। ৫.সিলিন্ডারের গায়ে লেখা পরীক্ষার মেয়াদ (ডিএফটি) দেখে নিন। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলে সেই সিলিন্ডার ব্যবহার করা নিরাপদ নয়। ৬. নতুন সিলিন্ডার লাগানোর সময় জয়েন্টে সাবানের ফেনা লাগিয়ে গ্যাস লিক হচ্ছে কি না পরীক্ষা করুন। ৭. কখনোই আগুন দিয়ে গ্যাস লিক পরীক্ষা করবেন না।

আরও পড়ুনঃ  জিয়া-খালেদার কবরে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধায় বিএনপির ৪৮ বছরের সূচনা

ব্যাচেলরদের ঘর গোছানোর সহজ কৌশল রান্নার সময় যেসব সতর্কতা জরুরি- ১. রান্নাঘরের জানালা-দরজা খোলা রাখুন, যেন বাতাস চলাচল করতে পারে। ২. চুলার কাছে প্লাস্টিক, কাগজ, কাপড় বা দাহ্য বস্তু রাখবেন না। ৩. রান্না করার সময় চুলা জ্বালিয়ে রেখে বাইরে চলে যাবেন না। ৪. সহজে আগুন ধরে, এমন ঢিলেঢালা পোশাক পরা এড়িয়ে চলুন। ৫. রান্না শেষে রেগুলেটরের নবটি অবশ্যই অফ করুন।

আরও পড়ুনঃ  দেশের ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধে ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে বিপর্যয়ের শঙ্কা বাড়াচ্ছে

এলপিজি রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণ-
১. দীর্ঘদিন চুলা ব্যবহার না করলে রেগুলেটর খুলে সেফটি ক্যাপ লাগিয়ে রাখুন। ২. সিলিন্ডার সব সময় সোজা অবস্থায় ও খোলা জায়গায় রাখুন। ৩. চুলার পাইপ বা সুরক্ষা টিউব প্রতিবছর বদলানো ভালো অভ্যাস। ৪. সব সময় আইএসআই বা মানসম্পন্ন পাইপ, রেগুলেটর ও চুলা ব্যবহার করুন। ৫. সিলিন্ডার বা যন্ত্রাংশে নিজে কোনো ধরনের কাটাছেঁড়া বা মেরামতের চেষ্টা করবেন না।

জরুরি পরিস্থিতিতে কী করবেন
যদি গ্যাসের গন্ধ পান বা লিক সন্দেহ হয় দ্রুত রেগুলেটর ও চুলার নব বন্ধ করুন। ভয় না পেয়ে সব দরজা-জানালা খুলে দিন, যেন বাতাস ঢোকে। ঘরের সব আগুন, মোমবাতি, কয়েল, আগরবাতি, ধূপ, চুলা নিভিয়ে ফেলুন। বিদ্যুতের সুইচ, ফ্যান, লাইট বা কোনো যন্ত্র স্পর্শ করবেন না। সম্ভব হলে বাইরে থেকে মেইন সুইচ বন্ধ করুন। ডিস্ট্রিবিউটর বা জরুরি সেবায় দ্রুত যোগাযোগ করুন। মনে রাখবেন, এলপিজি বাতাসের চেয়ে ভারী, তাই এটি নিচে জমে থাকে। ভালোভাবে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করলে ঝুঁকি অনেকটাই কমে।

আরও পড়ুনঃ  অতিরিক্ত আমদানির কারণে হুমকিতে দেশের লবণশিল্প

শেষ কথা
এলপিজি আমাদের জীবন সহজ করেছে, রান্নাবান্না করেছে দ্রুত। তবে নিরাপত্তার বিষয়টি অবহেলা করলে সেই সুবিধাই বিপদ ডেকে আনতে পারে। সামান্য সচেতনতা, কয়েকটি সহজ অভ্যাস আর নিয়মিত তদারকিই পারে আপনার পরিবারকে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে।

 

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

দোহাজারীতে ১ কোটি ২৩ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারে ব্যপক অভিযোগ

এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহারে সতর্ক থাকবেন

আপডেটের সময়: ০৬:২০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহারে যেভাবে সতর্ক থাকবেন দেশের সব অঞ্চলই বন্ধ রয়েছে নতুন করে বাড়িতে গ্যাস সংযোগ দেওয়া। তাই আমাদের দৈনন্দিন জীবনে রান্নাসহ বিভিন্ন কাজে এখন এলপিজি সিলিন্ডারের গ্যাস ব্যবহার করা হয়। গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবহারে একদিকে যেমন পরিবেশ দূষণ কমেছে, অন্যদিকে বেড়েছে জীবনের ঝুঁকি।

এলপিজি কেনার সময় যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন-

১. অনুমোদিত ডিলার বা পরিবেশকের কাছ থেকেই এলপিজি সিলিন্ডার কিনুন। ২. অননুমোদিত দোকান থেকে নেওয়া সিলিন্ডার ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। ৩. ডেলিভারির সময় সিলিন্ডারের সিল ও সেফটি ক্যাপ ঠিক আছে কি না দেখুন। ৪. সিল ভাঙা থাকলে সিলিন্ডার নেবেন না। ৫.সিলিন্ডারের গায়ে লেখা পরীক্ষার মেয়াদ (ডিএফটি) দেখে নিন। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলে সেই সিলিন্ডার ব্যবহার করা নিরাপদ নয়। ৬. নতুন সিলিন্ডার লাগানোর সময় জয়েন্টে সাবানের ফেনা লাগিয়ে গ্যাস লিক হচ্ছে কি না পরীক্ষা করুন। ৭. কখনোই আগুন দিয়ে গ্যাস লিক পরীক্ষা করবেন না।

আরও পড়ুনঃ  আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ব্যাচেলরদের ঘর গোছানোর সহজ কৌশল রান্নার সময় যেসব সতর্কতা জরুরি- ১. রান্নাঘরের জানালা-দরজা খোলা রাখুন, যেন বাতাস চলাচল করতে পারে। ২. চুলার কাছে প্লাস্টিক, কাগজ, কাপড় বা দাহ্য বস্তু রাখবেন না। ৩. রান্না করার সময় চুলা জ্বালিয়ে রেখে বাইরে চলে যাবেন না। ৪. সহজে আগুন ধরে, এমন ঢিলেঢালা পোশাক পরা এড়িয়ে চলুন। ৫. রান্না শেষে রেগুলেটরের নবটি অবশ্যই অফ করুন।

আরও পড়ুনঃ  বরিশালে সুদিন ফিরছে সোনালি আঁশে

এলপিজি রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণ-
১. দীর্ঘদিন চুলা ব্যবহার না করলে রেগুলেটর খুলে সেফটি ক্যাপ লাগিয়ে রাখুন। ২. সিলিন্ডার সব সময় সোজা অবস্থায় ও খোলা জায়গায় রাখুন। ৩. চুলার পাইপ বা সুরক্ষা টিউব প্রতিবছর বদলানো ভালো অভ্যাস। ৪. সব সময় আইএসআই বা মানসম্পন্ন পাইপ, রেগুলেটর ও চুলা ব্যবহার করুন। ৫. সিলিন্ডার বা যন্ত্রাংশে নিজে কোনো ধরনের কাটাছেঁড়া বা মেরামতের চেষ্টা করবেন না।

জরুরি পরিস্থিতিতে কী করবেন
যদি গ্যাসের গন্ধ পান বা লিক সন্দেহ হয় দ্রুত রেগুলেটর ও চুলার নব বন্ধ করুন। ভয় না পেয়ে সব দরজা-জানালা খুলে দিন, যেন বাতাস ঢোকে। ঘরের সব আগুন, মোমবাতি, কয়েল, আগরবাতি, ধূপ, চুলা নিভিয়ে ফেলুন। বিদ্যুতের সুইচ, ফ্যান, লাইট বা কোনো যন্ত্র স্পর্শ করবেন না। সম্ভব হলে বাইরে থেকে মেইন সুইচ বন্ধ করুন। ডিস্ট্রিবিউটর বা জরুরি সেবায় দ্রুত যোগাযোগ করুন। মনে রাখবেন, এলপিজি বাতাসের চেয়ে ভারী, তাই এটি নিচে জমে থাকে। ভালোভাবে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করলে ঝুঁকি অনেকটাই কমে।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রাম ইপিজেড কলসীদীঘির পাড়ের রেহেনা খাতুন মডেল মাদ্রাসা নামে ডিজিটাল চাঁদাবাজি চক্র

শেষ কথা
এলপিজি আমাদের জীবন সহজ করেছে, রান্নাবান্না করেছে দ্রুত। তবে নিরাপত্তার বিষয়টি অবহেলা করলে সেই সুবিধাই বিপদ ডেকে আনতে পারে। সামান্য সচেতনতা, কয়েকটি সহজ অভ্যাস আর নিয়মিত তদারকিই পারে আপনার পরিবারকে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে।