Dhaka ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ঝালকাঠিতে পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত। গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ শরীফের ব্যবস্থাপনায় ৫দিন ব্যাপী শোহাদা-ই কারবালা মাহফিলের ৪র্থ দিবস সম্পন্ন আনোয়ারায় মা-মেয়ে হত্যা: ১০ দিনেই পুলিশের চার্জশিট দাখিল দীঘিনালায় প্রতিপক্ষের গুলিতে ইউপিডিএফ কর্মী নিহত ট্রাফিক আইন ও গতিসীমা নিয়ন্ত্রণ নির্দেশিকা বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত গাউছিয়া আহমদিয়া মীর ছাহারা দাখিল মাদ্রাসার অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতির লক্ষ্যে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত মোড়েলগঞ্জ-শরণখোলার জন্য ২১ হাজার পানির ট্যাংক, রাস্তা, সেতু ও মাদক নির্মূলের দাবি জানালেন এমপি আব্দুল আলীম চট্টগ্রাম নগরীর খাল-ছড়ার দখল না ছাড়লে আইনানুগ ব্যবস্থা : চসিক মেয়র অসহায় ও কর্মজীবী মানুষের ফ্রি চিকিৎসক সেবায় ওয়াল্টন প্লাজা মোংলায় মিথ্যা ষড়যন্ত্রমূলক মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন

আনোয়ারায় মা-মেয়ে হত্যা: ১০ দিনেই পুলিশের চার্জশিট দাখিল

কায়সার আশ্রাফীঃ চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার পরৈকড়া ইউনিয়নের চেনামতি গ্রামে ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে মাত্র ১০ দিনের মাথায় আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির নিখুঁত ব্যবহার এবং নিহত মায়ের ‘মৃত্যুকালীন ভিডিও জবানবন্দি’র ওপর ভিত্তি করে দ্রুততম সময়ে এই মামলার তদন্ত সম্পন্ন করা হলো। মামলার একমাত্র আসামি রিমন বড়ুয়া ওরফে তেজপ্রিয় বড়ুয়াকে অভিযুক্ত করে আজ (২৪ জুন) আদালতে এই চার্জশিট দাখিল করা হয়। গত ১৩ জুন ২০২৬ তারিখ রাতে চেনামতি গ্রামের বড়ুয়া পাড়ায় নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘাতকের ধারালো ছুরির আঘাতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান এনি বড়ুয়া ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া। এ সময় গুরুতর আহত হয় অর্ক বড়ুয়া নামের আরও একজন। ঘটনার পরপরই জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এর মাধ্যমে তথ্য পেয়ে মাঠে নামে আনোয়ারা থানা পুলিশ এবং জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটিয়া রেলস্টেশন এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে গ্রেফতার করা হয় মূল হোতা রিমন বড়ুয়াকে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই উদ্ধার করা হয়: হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরি। ভিকটিমের খোয়া যাওয়া মোবাইল ফোন। পুলিশ জানায়, মামলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে যুক্ত হয়েছে নিহত এনি বড়ুয়ার মৃত্যুকালীন জবানবন্দির একটি ভিডিও রেকর্ড, যা আসামির অপরাধ প্রমাণে আদালতে বড় ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুনঃ  তারাগঞ্জে ‘চিরস্থায়ী’ শাহীনুর: বদলির আইন অচল যেখানে

 

এক নজরে মামলার তদন্ত ডায়েরি
বিবরণ তথ্য ও পরিসংখ্যান
হত্যাকাণ্ডের তারিখ ১৩ জুন ২০২৬
চার্জশিট দাখিলের তারিখ ২৪ জুন ২০২৬ (মাত্র ১০ দিন পর)
চার্জশিট নম্বর ১৪৭
সাক্ষী সংখ্যা ২২ জন (৪ জন পুলিশ সদস্যসহ)
আইনি ধারা ৩২৩/৩০৭/৩০২ দণ্ডবিধি, ১৮৬০
১৬৪ ধারায় আসামির স্বীকারোক্তি
গ্রেফতারের পর আসামি রিমন বড়ুয়া বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট, মেডিকেল রিপোর্ট, উদ্ধারকৃত আলামত এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি বিশ্লেষণ করেই অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে এই নিখুঁত চার্জশিট প্রস্তুত করেছে পুলিশ। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, জেলা পুলিশের নিরলস ও দক্ষ তদন্তের ফলেই এত দ্রুততম সময়ে অপরাধীকে আইনের মুখোমুখি করা সম্ভব হয়েছে। অপরাধ দমনে এবং অপরাধীদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনতে জেলা পুলিশ সর্বদা বদ্ধপরিকর।

আরও পড়ুনঃ  বিসিক শিল্প এলাকায় প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়ায় নগর শ্রমিক কল্যাণের গভীর উদ্বেগ
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ঝালকাঠিতে পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত।

আনোয়ারায় মা-মেয়ে হত্যা: ১০ দিনেই পুলিশের চার্জশিট দাখিল

আপডেটের সময়: ১১:০৭:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

কায়সার আশ্রাফীঃ চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার পরৈকড়া ইউনিয়নের চেনামতি গ্রামে ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে মাত্র ১০ দিনের মাথায় আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির নিখুঁত ব্যবহার এবং নিহত মায়ের ‘মৃত্যুকালীন ভিডিও জবানবন্দি’র ওপর ভিত্তি করে দ্রুততম সময়ে এই মামলার তদন্ত সম্পন্ন করা হলো। মামলার একমাত্র আসামি রিমন বড়ুয়া ওরফে তেজপ্রিয় বড়ুয়াকে অভিযুক্ত করে আজ (২৪ জুন) আদালতে এই চার্জশিট দাখিল করা হয়। গত ১৩ জুন ২০২৬ তারিখ রাতে চেনামতি গ্রামের বড়ুয়া পাড়ায় নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘাতকের ধারালো ছুরির আঘাতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান এনি বড়ুয়া ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া। এ সময় গুরুতর আহত হয় অর্ক বড়ুয়া নামের আরও একজন। ঘটনার পরপরই জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এর মাধ্যমে তথ্য পেয়ে মাঠে নামে আনোয়ারা থানা পুলিশ এবং জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটিয়া রেলস্টেশন এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে গ্রেফতার করা হয় মূল হোতা রিমন বড়ুয়াকে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই উদ্ধার করা হয়: হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরি। ভিকটিমের খোয়া যাওয়া মোবাইল ফোন। পুলিশ জানায়, মামলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে যুক্ত হয়েছে নিহত এনি বড়ুয়ার মৃত্যুকালীন জবানবন্দির একটি ভিডিও রেকর্ড, যা আসামির অপরাধ প্রমাণে আদালতে বড় ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রাম নগরীর খাল-ছড়ার দখল না ছাড়লে আইনানুগ ব্যবস্থা : চসিক মেয়র

 

এক নজরে মামলার তদন্ত ডায়েরি
বিবরণ তথ্য ও পরিসংখ্যান
হত্যাকাণ্ডের তারিখ ১৩ জুন ২০২৬
চার্জশিট দাখিলের তারিখ ২৪ জুন ২০২৬ (মাত্র ১০ দিন পর)
চার্জশিট নম্বর ১৪৭
সাক্ষী সংখ্যা ২২ জন (৪ জন পুলিশ সদস্যসহ)
আইনি ধারা ৩২৩/৩০৭/৩০২ দণ্ডবিধি, ১৮৬০
১৬৪ ধারায় আসামির স্বীকারোক্তি
গ্রেফতারের পর আসামি রিমন বড়ুয়া বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট, মেডিকেল রিপোর্ট, উদ্ধারকৃত আলামত এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি বিশ্লেষণ করেই অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে এই নিখুঁত চার্জশিট প্রস্তুত করেছে পুলিশ। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, জেলা পুলিশের নিরলস ও দক্ষ তদন্তের ফলেই এত দ্রুততম সময়ে অপরাধীকে আইনের মুখোমুখি করা সম্ভব হয়েছে। অপরাধ দমনে এবং অপরাধীদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনতে জেলা পুলিশ সর্বদা বদ্ধপরিকর।

আরও পড়ুনঃ  গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ শরীফের ব্যবস্থাপনায় ৫দিন ব্যাপী শোহাদা-ই কারবালা মাহফিলের ৩য় দিবস সম্পন্ন