Dhaka ০৮:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ষড়যন্ত্রকারীরা ব্যর্থ, জনগণের ভোটে জিতেই পবিত্র সংসদে এসেছি: সরোয়ার আলমগীর ভাঙ্গুড়ায় ৭ শিক্ষকের নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, সরকারি কোষাগারে ১ কোটি ১৭ লাখ টাকা ফেরতের সুপারিশ রথযাত্রা ঘিরে নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি: বান্দরবানে সনাতনী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এমপি সাচিং প্রু জেরী ফরিদপুরে শ্রেষ্ঠ ওসি হলেন কোতয়ালী থানার ওসি মাহমুদুল হাসান কাউনিয়ায় তিস্তার ভাঙন এলাকা পরিদর্শনে ইউএনও, শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পেল শুকনা খাবার ডিমলায় অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে সেলাই মেশিন, হুইলচেয়ার ও অনুদানের চেক বিতরণ ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) এর বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ তারেক রহমানের পক্ষে আলীকদমে বন্যাদুর্গতদের মাঝে জাবেদ রেজার ত্রাণ বিতরণ কক্সবাজারে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা বাতিলসহ তিন দফা দাবিতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে কুমিল্লায় শিক্ষাবোর্ড ঘেরাও করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পেল শুকনা খাবার

কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি:
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার তিস্তা নদীর ভাঙন আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। নদীর অব্যাহত ভাঙনে বালাপাড়া ইউনিয়নের চর ঢুসমারা এলাকার অনেক পরিবার বসতভিটা হারিয়ে চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

আরও পড়ুনঃ  শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে দিনাজপুরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও বি*ক্ষো*ভ

মঙ্গলবার দুপুরে ভাঙনকবলিত চর ঢুসমারা এলাকা পরিদর্শন করেন কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পাপিয়া সুলতানা। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন, তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।পরিদর্শন শেষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রায় শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  ডিমলায় আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে বুড়ি তিস্তায় গোসলে নেমে ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রীর মৃত্যু

এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা বলেন, তিস্তা নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে উপজেলা প্রশাসন সবসময় রয়েছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও অন্যান্য মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

পরিদর্শনকালে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেজবাহুর রহমান, ইউপি সদস্য শাহ আল মিয়াসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  অতিবৃষ্টিতে ধসে গেল গোবরা সেতু, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তিস্তা নদীর ভাঙনে প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তারা বলেন, শুধু ত্রাণ সহায়তা নয়, স্থায়ীভাবে নদীভাঙন রোধে দ্রুত তিস্তা মহা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জানান

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ষড়যন্ত্রকারীরা ব্যর্থ, জনগণের ভোটে জিতেই পবিত্র সংসদে এসেছি: সরোয়ার আলমগীর

শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পেল শুকনা খাবার

আপডেটের সময়: ০৫:০৮:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি:
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার তিস্তা নদীর ভাঙন আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। নদীর অব্যাহত ভাঙনে বালাপাড়া ইউনিয়নের চর ঢুসমারা এলাকার অনেক পরিবার বসতভিটা হারিয়ে চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

আরও পড়ুনঃ  ডিমলায় আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে বুড়ি তিস্তায় গোসলে নেমে ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রীর মৃত্যু

মঙ্গলবার দুপুরে ভাঙনকবলিত চর ঢুসমারা এলাকা পরিদর্শন করেন কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পাপিয়া সুলতানা। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন, তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।পরিদর্শন শেষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রায় শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  কুসুম্বা শাহী মসজিদের দানবাক্সে তিন মাসে ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪৪ টাকা, মিলল রহস্যময় সোনার চামচ

এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা বলেন, তিস্তা নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে উপজেলা প্রশাসন সবসময় রয়েছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও অন্যান্য মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

পরিদর্শনকালে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেজবাহুর রহমান, ইউপি সদস্য শাহ আল মিয়াসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  দিনাজপুর সীমান্তে ৪ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা

এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তিস্তা নদীর ভাঙনে প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তারা বলেন, শুধু ত্রাণ সহায়তা নয়, স্থায়ীভাবে নদীভাঙন রোধে দ্রুত তিস্তা মহা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জানান