Dhaka ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বাঁশখালীর শীলকূপে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ভস্মীভূত ৫টি বসতঘর ভাঙ্গায় মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) নিয়োগের দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম সম্পন্ন চট্টগ্রাম মাদরাসা স্কলারশিপ’র মেধাবী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান, শিক্ষার মানোন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজের আহ্বান ভরা মৌসুমে আমে জমজমাট পত্নীতলা বিভিন্ন হাট, দাম নিয়ে চাষীদের আক্ষেপ লোহাগাড়ায় তোলপাড় এমপি শাহজাহানকে ‘গুলি’র অডিও ফাঁস প্রবীণ সাংবাদিক মাওলানা মোজাহেরুল কাদের ফারুকীর মমতাময়ী “মা” মোহছেনা খাতুন’র ইন্তেকাল পলাশবাড়ীতে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন, লক্ষ্য পুষ্টি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অবর্ণনীয় দুর্ভোগে চন্দ্রগঞ্জের বসুদুহিতা গ্রাম: ভাঙ্গা ব্রিজ আর কর্দমাক্ত রাস্তায় থমকেছে জীবনযাত্রা লোহাগাড়ায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি আটক

মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায় ৩৮.৫ ডিগ্রি

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৭:১৯:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ১১২ সময় দেখুন

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চৈত্র পেরিয়ে বৈশাখ আসার আগেই আগাম তাপদাহে পুড়ছে চুয়াডাঙ্গা। জেলাজুড়ে বইছে মাঝারি তাপপ্রবাহ। ফলে জনজীবনে নেমে এসেছে অস্বস্তি আর ক্লান্তি। একইসঙ্গে প্রখর রোদ আর এই ভ্যাপসা গরমে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া দিনমজুর, শ্রমিক ও রিকশাচালকরা। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার এ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক জাহিদুল হক জানান, একদিনের ব্যবধানে চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে ২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ ৩৪ শতাংশ। বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তিনি আরও বলেন, মাঝারি তাপ প্রবাহের কারণে জনজীবনে গরম অনুভূত হচ্ছে। তাপমাত্রা প্রতিদিনই বাড়বে জেলায়।

আরও পড়ুনঃ  লোহাগাড়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান: ২৩ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ, ড্রেজার মেশিন ধ্বংস

 

এদিকে সরেজমিনে শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সামনে সড়কসহ বেশ কয়েকটি স্থানে পিচ গলে যাচ্ছে। এতে যানবাহন চলাচলের সময় গলিত পিচ টায়ারে লেপ্টে গিয়ে বাড়াচ্ছে ভোগান্তি। চুয়াডাঙ্গা শহরের মোটরসাইকেল চালক হানিফ ইসলাম বলেন, এই গরমে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা খুব কষ্টকর। মাথা ঘুরে যায়। তেল নিতেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে, এর মধ্যে গরমে শরীর একেবারে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছে। আরেক চালক রবিউল হক বলেন, সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। রোদে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে শরীর খারাপ হয়ে যাচ্ছে। তেলের জন্য যেমন কষ্ট, তার ওপর এই গরম- দুটো মিলে অবস্থা খুব খারাপ। দিনমজুর আব্দুল মালেক বলেন, রোদ এত বেশি যে কাজ করতে পারি না ঠিকমতো। তবুও পেটের দায়ে কাজ করতে হচ্ছে। দুপুরের রোদে শরীর জ্বলতে থাকে।

আরও পড়ুনঃ  জলঢাকায় কথিত চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসা, হাত হারানোর ঝুঁকিতে নারী
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

বাঁশখালীর শীলকূপে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ভস্মীভূত ৫টি বসতঘর

মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায় ৩৮.৫ ডিগ্রি

আপডেটের সময়: ০৭:১৯:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চৈত্র পেরিয়ে বৈশাখ আসার আগেই আগাম তাপদাহে পুড়ছে চুয়াডাঙ্গা। জেলাজুড়ে বইছে মাঝারি তাপপ্রবাহ। ফলে জনজীবনে নেমে এসেছে অস্বস্তি আর ক্লান্তি। একইসঙ্গে প্রখর রোদ আর এই ভ্যাপসা গরমে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া দিনমজুর, শ্রমিক ও রিকশাচালকরা। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার এ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক জাহিদুল হক জানান, একদিনের ব্যবধানে চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে ২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ ৩৪ শতাংশ। বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তিনি আরও বলেন, মাঝারি তাপ প্রবাহের কারণে জনজীবনে গরম অনুভূত হচ্ছে। তাপমাত্রা প্রতিদিনই বাড়বে জেলায়।

আরও পড়ুনঃ  লোহাগাড়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান: ২৩ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ, ড্রেজার মেশিন ধ্বংস

 

এদিকে সরেজমিনে শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সামনে সড়কসহ বেশ কয়েকটি স্থানে পিচ গলে যাচ্ছে। এতে যানবাহন চলাচলের সময় গলিত পিচ টায়ারে লেপ্টে গিয়ে বাড়াচ্ছে ভোগান্তি। চুয়াডাঙ্গা শহরের মোটরসাইকেল চালক হানিফ ইসলাম বলেন, এই গরমে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা খুব কষ্টকর। মাথা ঘুরে যায়। তেল নিতেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে, এর মধ্যে গরমে শরীর একেবারে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছে। আরেক চালক রবিউল হক বলেন, সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। রোদে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে শরীর খারাপ হয়ে যাচ্ছে। তেলের জন্য যেমন কষ্ট, তার ওপর এই গরম- দুটো মিলে অবস্থা খুব খারাপ। দিনমজুর আব্দুল মালেক বলেন, রোদ এত বেশি যে কাজ করতে পারি না ঠিকমতো। তবুও পেটের দায়ে কাজ করতে হচ্ছে। দুপুরের রোদে শরীর জ্বলতে থাকে।

আরও পড়ুনঃ  রাউজানে যুবদল নেতা হত্যার ঘটনায় ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা