Dhaka ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ঈদগাঁওতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার পরিবেশন ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য রাখার দায়ে ৭ হোটেলকে ২ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‍্যালি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে অনুষ্ঠিত হয়েছে দেবিদ্বারে ১৩ বছর পর হাজী ময়নালের অবৈধ গ্যাস সংযোগের রহস্য ফাঁস টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ সাবেক ইউপি সদস্য আটক ভুয়া হেডম্যান সেজে জমি জালিয়াতি ও প্রতারণা: লামার হাজিরাম ত্রিপুরার বিরুদ্ধে ক্ষোভ, তদন্তের দাবি বেলকুচি কারিগরি ইনস্টিটিউটে মাদকসেবীদের দৌরাত্ম্য জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের জমকালো সমাপনী রংপুরে রেস্টুরেন্টে অভিযান, দুই তরুণ-দুই তরুণীসহ পাঁচজন আটক নাটোর লালপুরে রাস্তার ওপর মাছের দোকান: মাছ ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে নুরুজ্জামান লিটনের একান্ত সাক্ষাৎ

মৌলভীবাজারে জমিজমার বিরোধে ভাইকে হত্যা: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেফতার ৫

রিপন আহমদ, মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারে চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। জমিজমা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে আপন ভাইকে অপহরণ করে হত্যার ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন নিহত আব্দুল মতিনের আপন ভাই আব্দুল মজিদ (৫০), আব্দুল আজিদ (৪৩), আব্দুল রুফ (৫৬), বোন আয়েশা আক্তার রত্না (৩৭) এবং আব্দুল মজিদের স্ত্রী তুলি বেগম (৪০)। পুলিশ জানায়, নিহত আব্দুল মতিনের সঙ্গে তার ভাই-বোনদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ ও মামলা চলছিল। এরই জেরে আব্দুল মজিদ হত্যার পরিকল্পনা করেন এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য লোক নিয়োগ করেন। গত ২৮ জুন আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাওয়ার বিষয়টি আগে থেকেই জানতেন তিনি। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে মতিনকে অনুসরণ করে নির্জন স্থানে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে তুলে হাত-পা বেঁধে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সুন্দর মিয়ার পুকুরের দক্ষিণ পাশের পাকা সড়কে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। সেদিন সন্ধ্যায় বাড়িতে না ফেরায় নিহতের স্ত্রী লাকি আক্তার শেফা স্বামীর খোঁজ করতে গিয়ে স্থানীয়দের মাধ্যমে মরদেহের খবর পান।

আরও পড়ুনঃ  কুলাউড়ায় বিদ্যুৎ চুরি করে চলছিলো অটোরিকশা চার্জিং স্টেশন, বড় অঙ্কের মামলা

 

পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি হাত-পা বাঁধা ও গলায় শার্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্বামীর মরদেহ শনাক্ত করেন। মরদেহের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। খবর পেয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে এবং তদন্ত শুরু করে। পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলামের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) নোবেল চাকমা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল খয়েরের তত্ত্বাবধানে সদর মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত বিশেষ টিম তদন্ত চালিয়ে গত ৩০ জুন জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে পাঁচজনকে গ্রেফতার করে।
সদর মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মূল পরিকল্পনাকারীসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং মামলার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিহত আব্দুল মতিন (৫৮) মৌলভীবাজার সদর উপজেলার দৌলতপুর এলাকার শমসেরগঞ্জ গ্রামের মৃত হাজী আব্দুল মন্নানের ছেলে।

আরও পড়ুনঃ  জীবিকার সন্ধানে ঢাকায় গিয়ে ফিরলেন লাশ হয়ে, কাঁদছে নবাবগঞ্জ
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ঈদগাঁওতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার পরিবেশন ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য রাখার দায়ে ৭ হোটেলকে ২ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা

মৌলভীবাজারে জমিজমার বিরোধে ভাইকে হত্যা: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেফতার ৫

আপডেটের সময়: ০৫:৩৮:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

রিপন আহমদ, মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারে চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। জমিজমা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে আপন ভাইকে অপহরণ করে হত্যার ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন নিহত আব্দুল মতিনের আপন ভাই আব্দুল মজিদ (৫০), আব্দুল আজিদ (৪৩), আব্দুল রুফ (৫৬), বোন আয়েশা আক্তার রত্না (৩৭) এবং আব্দুল মজিদের স্ত্রী তুলি বেগম (৪০)। পুলিশ জানায়, নিহত আব্দুল মতিনের সঙ্গে তার ভাই-বোনদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ ও মামলা চলছিল। এরই জেরে আব্দুল মজিদ হত্যার পরিকল্পনা করেন এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য লোক নিয়োগ করেন। গত ২৮ জুন আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাওয়ার বিষয়টি আগে থেকেই জানতেন তিনি। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে মতিনকে অনুসরণ করে নির্জন স্থানে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে তুলে হাত-পা বেঁধে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সুন্দর মিয়ার পুকুরের দক্ষিণ পাশের পাকা সড়কে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। সেদিন সন্ধ্যায় বাড়িতে না ফেরায় নিহতের স্ত্রী লাকি আক্তার শেফা স্বামীর খোঁজ করতে গিয়ে স্থানীয়দের মাধ্যমে মরদেহের খবর পান।

আরও পড়ুনঃ  নাগরপুরে এমপি লাভলু ও তার সহধর্মিনীর সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

 

পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি হাত-পা বাঁধা ও গলায় শার্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্বামীর মরদেহ শনাক্ত করেন। মরদেহের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। খবর পেয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে এবং তদন্ত শুরু করে। পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলামের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) নোবেল চাকমা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল খয়েরের তত্ত্বাবধানে সদর মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত বিশেষ টিম তদন্ত চালিয়ে গত ৩০ জুন জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে পাঁচজনকে গ্রেফতার করে।
সদর মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মূল পরিকল্পনাকারীসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং মামলার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিহত আব্দুল মতিন (৫৮) মৌলভীবাজার সদর উপজেলার দৌলতপুর এলাকার শমসেরগঞ্জ গ্রামের মৃত হাজী আব্দুল মন্নানের ছেলে।

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহীতে চুরি হওয়া ব্যাটারিচালিত ভ্যান ৭২ ঘণ্টায় উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২