Dhaka ০৫:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা 

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০১:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩৬ সময় দেখুন

আবদুস সালাম, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে ওই গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন, বাহাদুরপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান (৩৫), তাঁর স্ত্রী পপি খাতুন (৩০) এবং তাঁদের ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) ও মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)।

আরও পড়ুনঃ  লামায় পর্যটন শিল্পের প্রসারে হোটেল ও রিসোর্ট কর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ শুরু

নিহতদের মধ্যে হাবিবুর ও তাঁর স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাঁদের সন্তান পারভেজ ও সাদিয়া মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। পারভেজ বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করতো।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। মান্দার চৌবাড়িয়া হাটে গরু বিক্রি করে গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে বাড়িতে আসেন। তাঁর কাছে গরু বিক্রি করার ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা হাবিবুরের টাকা লুটের জন্য তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেছে। এছাড়া বাড়িতে থাকা স্বর্ণালঙ্কারও লুট করে নিয়ে গেছে। হাবিবুরের স্ত্রী পপি খাতুনের কানের রিং ছিনিয়ে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

আরও পড়ুনঃ  নীলফামারীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, নিহতদের মধ্যে হাবিবুর ও স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাঁদের সন্তানদের মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ডাকাতি অথবা জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে তাদেরকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। নিহদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুনঃ  হোসেনপুরে লোডশেডিং এ জনজীবন অতিষ্ঠ

এ বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, নওগাঁ জেলা পুলিশ পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে এই ঘটনা তদন্ত করছে। একই সাথে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক্রাইম,  জেলা গোয়েন্দা শাখা এবং নিয়ামতপুর থানা পুলিশের সমন্বয়ে তিনটি পৃথক পৃথক টিম সর্বাত্মকভাবে এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে এবং আসামি গ্রেফতারের  তৎপর রয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা 

আপডেটের সময়: ০১:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

আবদুস সালাম, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে ওই গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন, বাহাদুরপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান (৩৫), তাঁর স্ত্রী পপি খাতুন (৩০) এবং তাঁদের ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) ও মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)।

আরও পড়ুনঃ  বরিশালে ব্যাটারি চালিত রিক্সা বন্ধের দাবিতে পায়ে চালিত রিক্সা শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

নিহতদের মধ্যে হাবিবুর ও তাঁর স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাঁদের সন্তান পারভেজ ও সাদিয়া মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। পারভেজ বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করতো।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। মান্দার চৌবাড়িয়া হাটে গরু বিক্রি করে গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে বাড়িতে আসেন। তাঁর কাছে গরু বিক্রি করার ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা হাবিবুরের টাকা লুটের জন্য তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেছে। এছাড়া বাড়িতে থাকা স্বর্ণালঙ্কারও লুট করে নিয়ে গেছে। হাবিবুরের স্ত্রী পপি খাতুনের কানের রিং ছিনিয়ে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

আরও পড়ুনঃ  নীলফামারীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, নিহতদের মধ্যে হাবিবুর ও স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাঁদের সন্তানদের মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ডাকাতি অথবা জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে তাদেরকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। নিহদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুনঃ  লামায় পর্যটন শিল্পের প্রসারে হোটেল ও রিসোর্ট কর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ শুরু

এ বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, নওগাঁ জেলা পুলিশ পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে এই ঘটনা তদন্ত করছে। একই সাথে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক্রাইম,  জেলা গোয়েন্দা শাখা এবং নিয়ামতপুর থানা পুলিশের সমন্বয়ে তিনটি পৃথক পৃথক টিম সর্বাত্মকভাবে এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে এবং আসামি গ্রেফতারের  তৎপর রয়েছে।