Dhaka ০৫:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
নির্মাণসামগ্রীর দাম চড়া স্থবির দেশের উন্নয়নকাজ ​কুমিল্লায় পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের ৬২৪ জন আটক ২০২৮ সাল থেকে নতুন কারিকুলাম চালু হবে: শিক্ষামন্ত্রী পল্টন মোড় থেকে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক হকারমুক্ত ঘোষণা ডিএসসিসির ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক মাদারগঞ্জে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার উদ্যোগে, ৩০৭ কেজি মাছের পোনা অবমুক্তকরণ…. কাউনিয়া কলেজে ওরিয়েন্টেশনের মধ্য দিয়ে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ ধুনট উপজেলায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বেলনা খাসকান্দি এলাকায় ট্রাক সিএনজি সংঘর্ষ আহত ১ কাশিমপুরে ঝালমুড়ি বিক্রয়তার ছুরির আঘাতে একজন নিহত

তালাকের জেরে নাগরপুরে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০২:৫১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১১ সময় দেখুন

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের নাগরপুরে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে স্ত্রী নিলুফা আক্তার মিলু (৪০)কে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী হযরত আলীর বিরুদ্ধে। স্ত্রীকে হত্যার পর নিজের গলা ও পেটে ছুরিকাঘাত করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় বাধা দিতে এগিয়ে এলে নিলুফার মা চেনবানুকেও কুপিয়ে আহত করা হয়।বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার ধুবড়িয়া ইউনিয়নের বাদে কাকনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জহুরুল ইসলাম। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহী মহানগরীর শান্তি বিনষ্টের যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে: মাহফুজুর রহমান রিটন

 

 

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় বছর আগে ধুবড়িয়া ইউনিয়নের দহর পাচুরিয়া গ্রামের হযরত আলীর সঙ্গে পার্শ্ববর্তী বাদে কাকনা গ্রামের নিলুফা আক্তার মিলুর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। এরই জেরে প্রায় এক সপ্তাহ আগে নিলুফা তার স্বামী হযরত আলীকে তালাক দেন।তালাকের খবর পেয়ে হযরত আলী ক্ষিপ্ত হয়ে বুধবার রাত ৮টার দিকে ধারালো অস্ত্র নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে যান। সেখানে স্ত্রী নিলুফাকে দেখতে পেয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেন। এতে ঘটনাস্থলেই নিলুফার মৃত্যু হয়। এ সময় নিলুফার মা চেনবানু মেয়েকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তাকেও কুপিয়ে আহত করেন হযরত।পরে হযরত আলী নিজের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা ও পেটে ছুরিকাঘাত করে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় হযরত আলী ও চেনবানুকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

আরও পড়ুনঃ  ধামইরহাটে যুবদলের সমাবেশ ও মিছিল

 

 

দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মৌসুমী ভৌমিক বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় হযরত আলী ও চেনবানুকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর ওই রাতেই তাদের মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে হযরত আলীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে এবং চেনবানুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার সিএমএইচে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।নিহত নিলুফার বাবা ছইনুদ্দিন বলেন, “আমি তখন বাজারে ছিলাম। খবর পেয়ে বাড়িতে এসে দেখি, মেঝেতে আমার মেয়ে ও জামাতার রক্তাক্ত দেহ পড়ে আছে।নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিলুফার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেছেন। অভিযুক্ত স্বামী হযরত আলী পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।”

আরও পড়ুনঃ 
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

নির্মাণসামগ্রীর দাম চড়া স্থবির দেশের উন্নয়নকাজ

তালাকের জেরে নাগরপুরে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা

আপডেটের সময়: ০২:৫১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের নাগরপুরে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে স্ত্রী নিলুফা আক্তার মিলু (৪০)কে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী হযরত আলীর বিরুদ্ধে। স্ত্রীকে হত্যার পর নিজের গলা ও পেটে ছুরিকাঘাত করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় বাধা দিতে এগিয়ে এলে নিলুফার মা চেনবানুকেও কুপিয়ে আহত করা হয়।বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার ধুবড়িয়া ইউনিয়নের বাদে কাকনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জহুরুল ইসলাম। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১ কেজি ১৭৩ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার

 

 

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় বছর আগে ধুবড়িয়া ইউনিয়নের দহর পাচুরিয়া গ্রামের হযরত আলীর সঙ্গে পার্শ্ববর্তী বাদে কাকনা গ্রামের নিলুফা আক্তার মিলুর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। এরই জেরে প্রায় এক সপ্তাহ আগে নিলুফা তার স্বামী হযরত আলীকে তালাক দেন।তালাকের খবর পেয়ে হযরত আলী ক্ষিপ্ত হয়ে বুধবার রাত ৮টার দিকে ধারালো অস্ত্র নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে যান। সেখানে স্ত্রী নিলুফাকে দেখতে পেয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেন। এতে ঘটনাস্থলেই নিলুফার মৃত্যু হয়। এ সময় নিলুফার মা চেনবানু মেয়েকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তাকেও কুপিয়ে আহত করেন হযরত।পরে হযরত আলী নিজের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা ও পেটে ছুরিকাঘাত করে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় হযরত আলী ও চেনবানুকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

আরও পড়ুনঃ 

 

 

দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মৌসুমী ভৌমিক বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় হযরত আলী ও চেনবানুকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর ওই রাতেই তাদের মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে হযরত আলীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে এবং চেনবানুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার সিএমএইচে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।নিহত নিলুফার বাবা ছইনুদ্দিন বলেন, “আমি তখন বাজারে ছিলাম। খবর পেয়ে বাড়িতে এসে দেখি, মেঝেতে আমার মেয়ে ও জামাতার রক্তাক্ত দেহ পড়ে আছে।নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিলুফার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেছেন। অভিযুক্ত স্বামী হযরত আলী পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।”

আরও পড়ুনঃ  বান্দরবানে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের উৎসবমুখর উদ্বোধন