Dhaka ০৫:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
তীব্র বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তিতে রাজধানীবাসী পাঁচ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে সাগরে সতর্কসংকেত ১১৭ দিনে হাম ও উপসর্গে প্রাণ গেল ৭৫০ শিশুর দুধকুমার নদীতে পানি কমলেও থামছে না ভাঙন কুড়িগ্রামে দিশেহারা নদীপাড়ের মানুষ বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান যুগ্মসচিব হিসেবে পদোন্নতি পেলেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম কক্সবাজারে রামু উপজেলা ইয়াবাসহ স্বামী স্ত্রী চট্টগ্রামে গ্রেফতার তারাগঞ্জে ডিবি পুলিশের জোরদার অভিযান, হেরোইন ও ট্যাপেনটাডলসহ গ্রেপ্তার ২ বন্যাকবলিত সাতকানিয়ায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জামায়াত আমীর, ত্রাণ ও নগদ সহায়তা বিতরণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় বন্যা, ঘর-বাড়ি, কৃষির ব্যাপক ক্ষতি 

চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় বন্যা, ঘর-বাড়ি, কৃষির ব্যাপক ক্ষতি 

মোঃ সৈয়দ মিয়া, চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামে প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া, বাঁশখালী, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ উপজেলা। এর মধ্যে সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলায় প্রায় ৫০ শতাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে লাখ মানুষ। একই সাথে কৃষির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  কুলাউড়ার বালিসিন্দ্রীতে রাস্তা নয় মরণ ফাঁদ কাদাময় সড়কে জনদুর্ভোগ

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপরিচালক আপ্রু মারমা জানিয়েছেন, এবারের বন্যায় প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রামে জেলায় আউশ আবাদ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ৬,৫৯১ হেক্টর, আমন বীজতলা নষ্ট হয়েছে ৫৬৫ হেক্টর এবং গ্রীষ্মকালীন সবজি নষ্ট হয়েছে ৪,১৬৭ হেক্টর।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাতকানিয়া আদালত, সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পৌরসভা ও থানায় বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। সাঙ্গু ও ডলুনদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  জামালপুরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

বন্যার কারণে উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ডলুনদী দিয়ে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের স্রোতের তোড়ে পৌরসভার রামপুর এলাকায় কয়েক শত ফুট বাঁধ ভেঙ্গে গেছে। বন্যা কবলিত এলাকার সব রাস্তা–ঘাট এখন পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

একই অবস্থা বাঁশখালী উপজেলাতেও। পানির কারণে এখানে অনেক কাঁচা ঘরবাড়ী ধসে পড়েছে। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে মানুষ। চন্দনাইশে উপজেলার ২টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল ডুবে অন্তত ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পাহাড়ি ঢলের পানিতে শঙ্খনদীর পানি বিপদ সীমা অতিক্রম করে উপজেলার বিভিন্ন অংশে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের অধীন সব কর্মকর্তা–কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জনদুর্ভোগের অপর নাম: সাবান ফ্যাক্টরি রোড চিতাখোলা
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

তীব্র বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তিতে রাজধানীবাসী

চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় বন্যা, ঘর-বাড়ি, কৃষির ব্যাপক ক্ষতি 

আপডেটের সময়: ০২:০৯:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

মোঃ সৈয়দ মিয়া, চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামে প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া, বাঁশখালী, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ উপজেলা। এর মধ্যে সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলায় প্রায় ৫০ শতাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে লাখ মানুষ। একই সাথে কৃষির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে লামার টিটি এন্ড ডিসি কাটা পাহাড় সড়ক দ্রুত সংস্কারের দাবি

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপরিচালক আপ্রু মারমা জানিয়েছেন, এবারের বন্যায় প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রামে জেলায় আউশ আবাদ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ৬,৫৯১ হেক্টর, আমন বীজতলা নষ্ট হয়েছে ৫৬৫ হেক্টর এবং গ্রীষ্মকালীন সবজি নষ্ট হয়েছে ৪,১৬৭ হেক্টর।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাতকানিয়া আদালত, সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পৌরসভা ও থানায় বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। সাঙ্গু ও ডলুনদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  জামালপুরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

বন্যার কারণে উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ডলুনদী দিয়ে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের স্রোতের তোড়ে পৌরসভার রামপুর এলাকায় কয়েক শত ফুট বাঁধ ভেঙ্গে গেছে। বন্যা কবলিত এলাকার সব রাস্তা–ঘাট এখন পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

একই অবস্থা বাঁশখালী উপজেলাতেও। পানির কারণে এখানে অনেক কাঁচা ঘরবাড়ী ধসে পড়েছে। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে মানুষ। চন্দনাইশে উপজেলার ২টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল ডুবে অন্তত ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পাহাড়ি ঢলের পানিতে শঙ্খনদীর পানি বিপদ সীমা অতিক্রম করে উপজেলার বিভিন্ন অংশে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের অধীন সব কর্মকর্তা–কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  কুলাউড়ার বালিসিন্দ্রীতে রাস্তা নয় মরণ ফাঁদ কাদাময় সড়কে জনদুর্ভোগ